June 2018
সোনারগাঁয়ের সাংবাদিক রমজান ভূঁইয়া নিলয় ( দৈনিক আমাদের কন্ঠের প্রতিনিধি) এর অকাল মৃত্যুতে Sonargaon24
ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ্ তা'য়ালা রমজান ভূঁইয়ার আত্মাকে মাগফিরাত দান করুক। আমীন...........
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন বন্দর উপজেলার জাঙ্গাল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্বদেশ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বেপরোয়া গতিতে এসে রাস্তার পাশে যাত্রীর জন্য থেমে থাকা একটি লেগুনাকে সজোরে ধাক্কা দিলে লেগুনাটি ছিটকে পড়ে যায়।
এসময় ঘটনাস্থলেই লেগুনার এক যাত্রী নিহত হন এবং সাংবাদিক রমজান ভূঁইয়া সহ আরো কয়েকজন যাত্রী মারাত্মক আহত হয়।
এদের মধ্যে রমজান ভূঁইয়া চার দিন যাবত ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিঊন
সোনারগাঁয়ের সাংবাদিক রমজান ভূঁইয়া নিলয় ( দৈনিক আমাদের কন্ঠের প্রতিনিধি) এর অকাল মৃত্যুতে Sonargaon24
ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ্ তা'য়ালা রমজান ভূঁইয়ার আত্মাকে মাগফিরাত দান করুক। আমীন...........
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন বন্দর উপজেলার জাঙ্গাল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্বদেশ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বেপরোয়া গতিতে এসে রাস্তার পাশে যাত্রীর জন্য থেমে থাকা একটি লেগুনাকে সজোরে ধাক্কা দিলে লেগুনাটি ছিটকে পড়ে যায়।
এসময় ঘটনাস্থলেই লেগুনার এক যাত্রী নিহত হন এবং সাংবাদিক রমজান ভূঁইয়া সহ আরো কয়েকজন যাত্রী মারাত্মক আহত হয়।
এদের মধ্যে রমজান ভূঁইয়া চার দিন যাবত ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিঊন

রুবেল খাঁন(সোনারগাঁ প্রতিনিধি):নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সাংবাদিক সংগঠন "সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটি"এর সকল সদস্যদের উপস্থিতে ইফতার ও দোয়া অনুষ্টিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুন)পূর্বঘোষিত তারিখ অনুযায়ী সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটির অস্থায়ী  কার্যালয় নিউজ সোনারগাঁ২৪ডট কম- এর অফিসে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  হয়।
ইফতারের পূর্বমূহুর্তে দৈনিক সংগ্রামের সোনারগাঁও প্রতিনিধি ও সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটির সদস্য রুহুল আমিন মোল্লা সংগঠনটির সদস্য ও অতিথিবৃন্দদের নিয়ে সকল সাংবাদিক  ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুভকামনা করে দোয়া করেন।
ইফতার ও দোয়া শেষে আলোচনা পর্বে উল্লেখ করা হয়, এই সংগঠনের প্রতিটি সদস্য কমপক্ষে এইচ,এস,সি পাশ যা আদর্শ,নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অন্যতম ভূমিকা রাখে। এতে দেশের মানুষ কোনো সংকোচ ছাড়াই সঠিক তথ্য সম্পর্কে সহজেই অবগত হতে পারবে।
নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম এর প্রকাশক ফরিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির আহবায়ক ও আনন্দ টিভির সিনিয়র  সাংবাদিক মোকাররম মোল্লা মামুন, আনন্দ টিভি’র সোনারগাঁও প্রতিনিধি মাজহারুল ইসলাম,আজকাল নারায়ণগঞ্জ এর সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রোকন, সিনিয়র সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম, প্রকৃতি সংবাদ এর সোনারগাঁও প্রতিনিধি গাজী মোবারক,নারায়ণগঞ্জবার্তা২৪ডট কম ও দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন এর সোনারগাঁও প্রতিনিধি রুবেল খাঁন,আলোচিত কন্ঠ’র সোনারগাঁও প্রতিনিধি রাশিদুল ইসলাম, আলোচিত কন্ঠ’র মফস্বল সম্পাদক রেজাউল করিম,শিক্ষা বার্তার আমিনুল ইসলাম, নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম এর বার্তা প্রধান খন্দকার মাজেদুল ইসলাম সম্রাট । অন্যান্য অতিথি সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সোনারগাঁও সংবাদদাতা মোক্তার হোসেন মোল্লা, দৈনিক যায়যায় দিন পত্রিকার সোনারগাঁও সংবাদদাতা রবিউল হুসাইন, দৈনিক সকাল বার্তা প্রতিদিন এর স্টাফ রিপোর্টার ফরিদ হোসেন, ভোরের কথা’র স্টাফ রিপোর্টার আনোয়ার হোসেন, দৈনিক করতোয়ার সোনারগাঁও প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন, লেখক সেলিম প্রধান প্রমূখ।
অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশেষ কারণে না আসতে পারা অতিথিবৃন্দ ফোনে সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটির সার্বিক সাফল্য কামনা ও দেশের সেবায় কাজ করার জন্য আহবান জানান।

রুবেল খাঁন(সোনারগাঁ প্রতিনিধি):নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সাংবাদিক সংগঠন "সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটি"এর সকল সদস্যদের উপস্থিতে ইফতার ও দোয়া অনুষ্টিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুন)পূর্বঘোষিত তারিখ অনুযায়ী সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটির অস্থায়ী  কার্যালয় নিউজ সোনারগাঁ২৪ডট কম- এর অফিসে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  হয়।
ইফতারের পূর্বমূহুর্তে দৈনিক সংগ্রামের সোনারগাঁও প্রতিনিধি ও সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটির সদস্য রুহুল আমিন মোল্লা সংগঠনটির সদস্য ও অতিথিবৃন্দদের নিয়ে সকল সাংবাদিক  ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুভকামনা করে দোয়া করেন।
ইফতার ও দোয়া শেষে আলোচনা পর্বে উল্লেখ করা হয়, এই সংগঠনের প্রতিটি সদস্য কমপক্ষে এইচ,এস,সি পাশ যা আদর্শ,নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অন্যতম ভূমিকা রাখে। এতে দেশের মানুষ কোনো সংকোচ ছাড়াই সঠিক তথ্য সম্পর্কে সহজেই অবগত হতে পারবে।
নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম এর প্রকাশক ফরিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির আহবায়ক ও আনন্দ টিভির সিনিয়র  সাংবাদিক মোকাররম মোল্লা মামুন, আনন্দ টিভি’র সোনারগাঁও প্রতিনিধি মাজহারুল ইসলাম,আজকাল নারায়ণগঞ্জ এর সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রোকন, সিনিয়র সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম, প্রকৃতি সংবাদ এর সোনারগাঁও প্রতিনিধি গাজী মোবারক,নারায়ণগঞ্জবার্তা২৪ডট কম ও দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন এর সোনারগাঁও প্রতিনিধি রুবেল খাঁন,আলোচিত কন্ঠ’র সোনারগাঁও প্রতিনিধি রাশিদুল ইসলাম, আলোচিত কন্ঠ’র মফস্বল সম্পাদক রেজাউল করিম,শিক্ষা বার্তার আমিনুল ইসলাম, নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম এর বার্তা প্রধান খন্দকার মাজেদুল ইসলাম সম্রাট । অন্যান্য অতিথি সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সোনারগাঁও সংবাদদাতা মোক্তার হোসেন মোল্লা, দৈনিক যায়যায় দিন পত্রিকার সোনারগাঁও সংবাদদাতা রবিউল হুসাইন, দৈনিক সকাল বার্তা প্রতিদিন এর স্টাফ রিপোর্টার ফরিদ হোসেন, ভোরের কথা’র স্টাফ রিপোর্টার আনোয়ার হোসেন, দৈনিক করতোয়ার সোনারগাঁও প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন, লেখক সেলিম প্রধান প্রমূখ।
অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশেষ কারণে না আসতে পারা অতিথিবৃন্দ ফোনে সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটির সার্বিক সাফল্য কামনা ও দেশের সেবায় কাজ করার জন্য আহবান জানান।

রুবেল খান (সোনারগাঁ প্রতিনিধি):শেখ হাসিনা নেত্রীর ওয়াদা রক্ষার্থে আগামী ঈদের পর থেকেই সোনারগাঁ উপজেলায় আমি মাদকের বিরুদ্ধে গণসংযোগ করব প্রয়োজনে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করব বলে প্রতিশ্রুতি দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম।
সোমবার (১১ই জুন) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে সাংবাদিকদের সম্মানার্থে আয়োজিত ইফতার ও দোয়ার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
আয়োজিত অনুষ্টানে তিনি আরো বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী তাই নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজনীতির মাঠে ন্যায় ও নীতির অাদর্শকে পুজি করে কাজ করব। আমি উড়ে এসে বসিনি আমাকে সোনারগাঁয়ের সকল প্রবীন সাংবাদিক দেখেছেন আমি মরহুম আবুল হাসনাত সাহেবের সাথে থেকেই রাজনীতিরর মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। অনেক তরুন সাংবাদিকের জন্মলগ্ন থেকেই আমি রাজনীতি করি সোনারগাঁয়ের মাটি ও মানুষের জন্য। আমার রাজনীতিতে উত্থানই হচ্ছে ছাত্রলীগ থেকে তাই আমি ছাত্রলীগকে অনেক ভালোবাসি। আপনারা সবাই আমার পাশে থাকবেন।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন,উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল ইসলাম ভুইয়া, প্রথম আলোর সাংবাদিক মনিরুজ্জামান,সোনারগাঁ প্রেস ইউনিটির আহবায়ক মোকারম মোল্লা মামুন,সাংবাদিক ফরিদ হোসেন, সোনারগা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি আবু-বক্কর সিদ্দিক, আল-আমিন তুষার,সোনারগাঁ রিপোর্টারস ক্লাবের সভাপতি আব্দুস-সাত্তার প্রধান,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য নুর জাহান, জেলা আওয়ামীলী যুব আইনজীবি পরিষদের সদস্য ফজলে রাব্বী, জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হা-মীম শিকদার শিপলু, সনমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন শাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম, আওয়ামীলীগ নেতা মাসুম বিল্লাহ, শামসুজ্জামান শামসু,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাসেল মাহামুদসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে মাদক বিরোধী কর্মসূচির লিফলেট বিতরন

রুবেল খান (সোনারগাঁ প্রতিনিধি):শেখ হাসিনা নেত্রীর ওয়াদা রক্ষার্থে আগামী ঈদের পর থেকেই সোনারগাঁ উপজেলায় আমি মাদকের বিরুদ্ধে গণসংযোগ করব প্রয়োজনে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করব বলে প্রতিশ্রুতি দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম।
সোমবার (১১ই জুন) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে সাংবাদিকদের সম্মানার্থে আয়োজিত ইফতার ও দোয়ার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
আয়োজিত অনুষ্টানে তিনি আরো বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী তাই নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজনীতির মাঠে ন্যায় ও নীতির অাদর্শকে পুজি করে কাজ করব। আমি উড়ে এসে বসিনি আমাকে সোনারগাঁয়ের সকল প্রবীন সাংবাদিক দেখেছেন আমি মরহুম আবুল হাসনাত সাহেবের সাথে থেকেই রাজনীতিরর মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। অনেক তরুন সাংবাদিকের জন্মলগ্ন থেকেই আমি রাজনীতি করি সোনারগাঁয়ের মাটি ও মানুষের জন্য। আমার রাজনীতিতে উত্থানই হচ্ছে ছাত্রলীগ থেকে তাই আমি ছাত্রলীগকে অনেক ভালোবাসি। আপনারা সবাই আমার পাশে থাকবেন।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন,উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল ইসলাম ভুইয়া, প্রথম আলোর সাংবাদিক মনিরুজ্জামান,সোনারগাঁ প্রেস ইউনিটির আহবায়ক মোকারম মোল্লা মামুন,সাংবাদিক ফরিদ হোসেন, সোনারগা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি আবু-বক্কর সিদ্দিক, আল-আমিন তুষার,সোনারগাঁ রিপোর্টারস ক্লাবের সভাপতি আব্দুস-সাত্তার প্রধান,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য নুর জাহান, জেলা আওয়ামীলী যুব আইনজীবি পরিষদের সদস্য ফজলে রাব্বী, জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হা-মীম শিকদার শিপলু, সনমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন শাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম, আওয়ামীলীগ নেতা মাসুম বিল্লাহ, শামসুজ্জামান শামসু,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাসেল মাহামুদসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে মাদক বিরোধী কর্মসূচির লিফলেট বিতরন
সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
(১১ জুন) সোমবার সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্টে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান কালাম এ আয়োজন করেছেন।
 মাহফুজুর রহমান কালামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া।

এসময় বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট নূরজাহান, মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম, জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামীম শিকদার শিপলু, সনমান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইসহাক মিয়া, শম্ভুপুরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ যুব আইনজীবী পরিষদের আহবায়ক অ্যাডভোকেট এটি ফজলে রাব্বী, সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ  নোতা সাহাবুদ্দিন সাবু, বিটিভির নারায়ণগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা মাহফুজুর রহমান, সোনারগাঁ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন তুষার, সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, রিপোর্টস ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আসাদুজ্জামান প্রমুখ।


সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
(১১ জুন) সোমবার সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্টে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান কালাম এ আয়োজন করেছেন।
 মাহফুজুর রহমান কালামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া।

এসময় বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট নূরজাহান, মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম, জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামীম শিকদার শিপলু, সনমান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইসহাক মিয়া, শম্ভুপুরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ যুব আইনজীবী পরিষদের আহবায়ক অ্যাডভোকেট এটি ফজলে রাব্বী, সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ  নোতা সাহাবুদ্দিন সাবু, বিটিভির নারায়ণগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা মাহফুজুর রহমান, সোনারগাঁ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন তুষার, সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, রিপোর্টস ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আসাদুজ্জামান প্রমুখ।


সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়কের দুই পাশের প্রায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
করেছে হাইওয়ে পুলিশ। পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং পথচারীদের চলাচলের ভোগান্তি লাঘবে ১০ জুন সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম আলী সরদার জানান, কাঁচপুর বাসষ্ট্যান্ডে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম চালাচ্ছি। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা সিলেট মহাসড়কের যান চলাচল যেন স্বাভাবিক থাকে, ঈদ উপলক্ষে মানুষ যাতে নির্বিঘেœ নিরাপদে বাড়ী যেতে পারে এবং পথচারীদের চলাফেরা যেন সুষ্ঠ ও স্বাভাবিক থাকে সেজন্য অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করছি। তিনি আরো বলেন, উচ্ছেদ অভিযানের পর পরই অবৈধ দখলদাররা আবারো দখল করে দোকানপাট বসায়। তাই এবার আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। কেউ যাতে আবারো দোকানপাট বসাতে না পারে সেজন্য অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে দেওয়া হয়েছে। আশাকরি ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়ক স্বাভাবিক থাকবে।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবারই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র পুনরায় তা নির্মাণ করে এবং দোকান প্রতি ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে অগ্রীম গ্রহণ করে। এছাড়া দৈনিক ২’শ থেকে ৩’শ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হয়। এসব অবৈধ দোকান থেকে ভাড়া বাণিজ্যের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ইতিপূর্বে কয়েক দফা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
এভাবে চলতে চলতে এক পর্যায়ে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ আবারো অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে। কিন্তু পরে তা আবারো নির্মাণ করা হয়। ফলে অস্থায়ী উচ্ছেদের দ্বারা শুধু গরীবের পেটে লাথি মারা ছাড়া আর কিছুই হয় না। তাই স্থানীয়রা কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডকে স্থায়ীভাবে অবৈধ স্থাপনা মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে।
সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়কের দুই পাশের প্রায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
করেছে হাইওয়ে পুলিশ। পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং পথচারীদের চলাচলের ভোগান্তি লাঘবে ১০ জুন সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম আলী সরদার জানান, কাঁচপুর বাসষ্ট্যান্ডে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম চালাচ্ছি। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা সিলেট মহাসড়কের যান চলাচল যেন স্বাভাবিক থাকে, ঈদ উপলক্ষে মানুষ যাতে নির্বিঘেœ নিরাপদে বাড়ী যেতে পারে এবং পথচারীদের চলাফেরা যেন সুষ্ঠ ও স্বাভাবিক থাকে সেজন্য অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করছি। তিনি আরো বলেন, উচ্ছেদ অভিযানের পর পরই অবৈধ দখলদাররা আবারো দখল করে দোকানপাট বসায়। তাই এবার আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। কেউ যাতে আবারো দোকানপাট বসাতে না পারে সেজন্য অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে দেওয়া হয়েছে। আশাকরি ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়ক স্বাভাবিক থাকবে।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবারই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র পুনরায় তা নির্মাণ করে এবং দোকান প্রতি ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে অগ্রীম গ্রহণ করে। এছাড়া দৈনিক ২’শ থেকে ৩’শ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হয়। এসব অবৈধ দোকান থেকে ভাড়া বাণিজ্যের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ইতিপূর্বে কয়েক দফা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
এভাবে চলতে চলতে এক পর্যায়ে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ আবারো অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে। কিন্তু পরে তা আবারো নির্মাণ করা হয়। ফলে অস্থায়ী উচ্ছেদের দ্বারা শুধু গরীবের পেটে লাথি মারা ছাড়া আর কিছুই হয় না। তাই স্থানীয়রা কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডকে স্থায়ীভাবে অবৈধ স্থাপনা মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে যানবাহনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহ্যত ১টি ছোড়া ও ৩টি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রোববার দুপুরে সোনারগাঁও থানার এস আই আব্দুল হক সিকদার বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ডাকাত সর্দার মো. নয়ন মিয়া, সদস্য নবীর হোসেন, বিজয়, স্বাধীন, সাইফুল ইসলাম শাওন, ওমর আলী ও রবিন।
সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) আব্দুল হক শিকদার জানান, শনিবার গভীর রাতে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামেনে একদল ডাকাত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন পরিবহনে ডাকাতির প্রস্তÍতি নেয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ডাকাত সর্দার নয়ন, সদস্য নবীর হোসেন, বিজয়, স্বাধীন, সাইফুল ইসলাম শাওন, ওমর আলী ও রবিন নামের ৭ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় আরো ৪-৫জন ডাকাত পালিয়ে যায়। তাদের কাছ থেকে ১ টি ছোড়া ৩ টি চাপতি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ডাকাত সরদার নয়ন সোনারগাঁও থানার মোগরাপাড়া ইউনিনয়নের গোহাট্রা গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে, নবীর হোসেন বন্দর উপজেলার বাগদোবাড়িয়া গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে, বিজয় সোনারগাঁও উপজেলার ছোট সাদীপুর গ্রামের জামান মিয়ার ছেলে, স্বাধীন বাগেরহাটি জেলার মুনিগঞ্জ গ্রামের জসিম শিকদারের ছেলে, সাইফুল ইসলাম শাওন পিরোজপুর গ্রামের তামিজ উল্ল্হার বাড়ির ভাড়াটিয়া মনির ড্রাইবারের ছেলে, ওমর আলী পিরোজপুর গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে ও রবিন একই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
সোনারগাঁও থানার ওসি মো. মোরশেদ আলম পিপিএম জানান, গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাদেরকে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে যানবাহনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহ্যত ১টি ছোড়া ও ৩টি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রোববার দুপুরে সোনারগাঁও থানার এস আই আব্দুল হক সিকদার বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ডাকাত সর্দার মো. নয়ন মিয়া, সদস্য নবীর হোসেন, বিজয়, স্বাধীন, সাইফুল ইসলাম শাওন, ওমর আলী ও রবিন।
সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) আব্দুল হক শিকদার জানান, শনিবার গভীর রাতে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামেনে একদল ডাকাত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন পরিবহনে ডাকাতির প্রস্তÍতি নেয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ডাকাত সর্দার নয়ন, সদস্য নবীর হোসেন, বিজয়, স্বাধীন, সাইফুল ইসলাম শাওন, ওমর আলী ও রবিন নামের ৭ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় আরো ৪-৫জন ডাকাত পালিয়ে যায়। তাদের কাছ থেকে ১ টি ছোড়া ৩ টি চাপতি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ডাকাত সরদার নয়ন সোনারগাঁও থানার মোগরাপাড়া ইউনিনয়নের গোহাট্রা গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে, নবীর হোসেন বন্দর উপজেলার বাগদোবাড়িয়া গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে, বিজয় সোনারগাঁও উপজেলার ছোট সাদীপুর গ্রামের জামান মিয়ার ছেলে, স্বাধীন বাগেরহাটি জেলার মুনিগঞ্জ গ্রামের জসিম শিকদারের ছেলে, সাইফুল ইসলাম শাওন পিরোজপুর গ্রামের তামিজ উল্ল্হার বাড়ির ভাড়াটিয়া মনির ড্রাইবারের ছেলে, ওমর আলী পিরোজপুর গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে ও রবিন একই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
সোনারগাঁও থানার ওসি মো. মোরশেদ আলম পিপিএম জানান, গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাদেরকে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রুবেল খান(সোনারগাঁ প্রতিনিধি) : নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার  টিপরদী এলাকায় অবস্থিত চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত বর্জ্য ফেলার ঘটনার সত্যতা যাচাই করার লক্ষে প্রতক্ষ্য উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর ইসলাম।
শনিবার (৯ জুলাই) বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে বেলা ১২ টার দিকে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
 সরেজমিনে চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত পানি ফেলার তিনটি সুয়ারেজের খোঁজ খবর নেন। পরে চৈতী কম্পোজিটের চারপাশের খাল ও জলাশয়গুলো ঘুরে দেখেন এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে তিনি চৈতী কম্পোজিটকে বিষাক্ত পানি খালে না ফেলার জন্য আহবান করেন।
উল্লেখ্য যে,গত ৮/৬/১৮ ( শুক্রবার)গোপন তিনটি সুয়ারেজের একটি সুয়ারেজ বন্ধ করে দেন সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা। ঐদিন  বিকালে পৌরসভার গন্যমান্য ব্যক্তি সাংবাদিক ও পুলিশের উপস্থিতিতে তিনি এ সুয়ারেজ বন্ধ করে দেন।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, সোনারগাঁ পৌরসভার টিপুরদী এলাকায় ২০০১ সালে চৈতি কম্পোজিট নামের একটি কোম্পানি গড়ে উঠে। কোম্পানি স্থাপনের পর থেকে কোম্পানির ক্যামিকেল মিশ্রিত বর্জ্য স্থানীয় খালে ফেলে পরিবেশ দূষণ করে। এ অভিযোগে কয়েক দফায় কোম্পানির গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ অর্থিক জরিমানা করা হয়। সম্প্রতি চৈতি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তাদের কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি কয়েকটি সুরঙ্গের মাধ্যমে খালে ফেলে ওই এলাকায় মোগরাপাড়া. পিরোজপুর, সনমান্দি ইউনিয়ন ও পৌরসভাসহ ৩০টি গ্রামের লোকজনের পানি ব্যবহার অনুপযোগী করে তোলে। কোম্পানির বর্জ্য পানিতে ফেলার কারনে স্থানীয় কয়েকজনের পুকুরের মাছ মরে যায়। এছাড়াও এলাকার মানুষ পানি ব্যবহার করতে পারছেন না। এতে এইসব এলাকার সাধারন মানুষের অনেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন মৃত্যুর মুখে।
এ নিয়ে প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসী একাধিবার অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ফল আসেনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার কাছে এলাকাবাসী অভিযোগ নিয়ে আসলে তাৎক্ষনিক ওই এলাকা পরিদর্শ করে বর্জ্য নিস্কাশন বন্ধ করতে যান। এসময় এমপি ওই কোম্পানির বিষাক্ত বর্জ্য নিস্কাশনের প্রমাণ পান। এ সময় চৈতি কর্তৃপক্ষকে এ পানি না ফেলার নির্দেশ দেন এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা।
চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত পানি থেকে রেহায় না পেয়ে স্থানীয়রা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কয়েক দফা অভিযোগও করে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা চৈতী কম্পোজিট পরিদর্শনে এসে কয়েক দফা জরিমানাও করে। তার পর এলাকার কিছু দালালকে হাত করে চৈতী কম্পোজিট তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

রুবেল খান(সোনারগাঁ প্রতিনিধি) : নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার  টিপরদী এলাকায় অবস্থিত চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত বর্জ্য ফেলার ঘটনার সত্যতা যাচাই করার লক্ষে প্রতক্ষ্য উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর ইসলাম।
শনিবার (৯ জুলাই) বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে বেলা ১২ টার দিকে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
 সরেজমিনে চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত পানি ফেলার তিনটি সুয়ারেজের খোঁজ খবর নেন। পরে চৈতী কম্পোজিটের চারপাশের খাল ও জলাশয়গুলো ঘুরে দেখেন এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে তিনি চৈতী কম্পোজিটকে বিষাক্ত পানি খালে না ফেলার জন্য আহবান করেন।
উল্লেখ্য যে,গত ৮/৬/১৮ ( শুক্রবার)গোপন তিনটি সুয়ারেজের একটি সুয়ারেজ বন্ধ করে দেন সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা। ঐদিন  বিকালে পৌরসভার গন্যমান্য ব্যক্তি সাংবাদিক ও পুলিশের উপস্থিতিতে তিনি এ সুয়ারেজ বন্ধ করে দেন।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, সোনারগাঁ পৌরসভার টিপুরদী এলাকায় ২০০১ সালে চৈতি কম্পোজিট নামের একটি কোম্পানি গড়ে উঠে। কোম্পানি স্থাপনের পর থেকে কোম্পানির ক্যামিকেল মিশ্রিত বর্জ্য স্থানীয় খালে ফেলে পরিবেশ দূষণ করে। এ অভিযোগে কয়েক দফায় কোম্পানির গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ অর্থিক জরিমানা করা হয়। সম্প্রতি চৈতি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তাদের কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি কয়েকটি সুরঙ্গের মাধ্যমে খালে ফেলে ওই এলাকায় মোগরাপাড়া. পিরোজপুর, সনমান্দি ইউনিয়ন ও পৌরসভাসহ ৩০টি গ্রামের লোকজনের পানি ব্যবহার অনুপযোগী করে তোলে। কোম্পানির বর্জ্য পানিতে ফেলার কারনে স্থানীয় কয়েকজনের পুকুরের মাছ মরে যায়। এছাড়াও এলাকার মানুষ পানি ব্যবহার করতে পারছেন না। এতে এইসব এলাকার সাধারন মানুষের অনেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন মৃত্যুর মুখে।
এ নিয়ে প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসী একাধিবার অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ফল আসেনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার কাছে এলাকাবাসী অভিযোগ নিয়ে আসলে তাৎক্ষনিক ওই এলাকা পরিদর্শ করে বর্জ্য নিস্কাশন বন্ধ করতে যান। এসময় এমপি ওই কোম্পানির বিষাক্ত বর্জ্য নিস্কাশনের প্রমাণ পান। এ সময় চৈতি কর্তৃপক্ষকে এ পানি না ফেলার নির্দেশ দেন এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা।
চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত পানি থেকে রেহায় না পেয়ে স্থানীয়রা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কয়েক দফা অভিযোগও করে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা চৈতী কম্পোজিট পরিদর্শনে এসে কয়েক দফা জরিমানাও করে। তার পর এলাকার কিছু দালালকে হাত করে চৈতী কম্পোজিট তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

সোনারগাঁ পৌরসভার ইছাপাড়া জামে মসজিদে এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে ইফতার করলেন সোনারগাঁ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব  মাহফুজুর রহমান কালাম,(৮) জুন শুক্রবার পৌরসভার ইছাপাড়া জামে মসজিদে এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে ইফতার করেন তিনি,এ সময় এলাকাবাসী ও যুবকদের উদ্যেশ্য করে বলেন,মাদকের মত ভয়ানক নেশায় নিজেদের জড়াবেন না।মাদক কাউকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে পারেনা বরং সুন্দর জীবন কেঁড়ে নেয়,তাই আসুন সবাই মিলে যারা মাদক ব্যবাসার সাথে জড়িত তাদের ধরিয়ে দিয়ে আমাদের এই সমাজকে মাদকমুক্ত করি,এবং এই মাদক থেকে দুরে থাকার জন্য আমাদের ছেলে মেয়ে,ভাই বন্ধু সবাইকে সচেতন করি,এ সময় সবাইকে নিয়ে হাতে হাত রেখে শপথ করান তিনি,এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ টাইগার ক্লাবের সভাপতি নূরে আলম, সহ আরো অনেক নেতা কর্মীরা।


সোনারগাঁ পৌরসভার ইছাপাড়া জামে মসজিদে এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে ইফতার করলেন সোনারগাঁ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব  মাহফুজুর রহমান কালাম,(৮) জুন শুক্রবার পৌরসভার ইছাপাড়া জামে মসজিদে এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে ইফতার করেন তিনি,এ সময় এলাকাবাসী ও যুবকদের উদ্যেশ্য করে বলেন,মাদকের মত ভয়ানক নেশায় নিজেদের জড়াবেন না।মাদক কাউকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে পারেনা বরং সুন্দর জীবন কেঁড়ে নেয়,তাই আসুন সবাই মিলে যারা মাদক ব্যবাসার সাথে জড়িত তাদের ধরিয়ে দিয়ে আমাদের এই সমাজকে মাদকমুক্ত করি,এবং এই মাদক থেকে দুরে থাকার জন্য আমাদের ছেলে মেয়ে,ভাই বন্ধু সবাইকে সচেতন করি,এ সময় সবাইকে নিয়ে হাতে হাত রেখে শপথ করান তিনি,এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ টাইগার ক্লাবের সভাপতি নূরে আলম, সহ আরো অনেক নেতা কর্মীরা।

সোনারগাঁয়ের সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা
বলেছেন উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৩টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার বাসিন্দাকে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত পানি বন্ধে কয়েক হাজার লোক জড়ো করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানব বন্ধন করা হবে। তারপরও আমি চাই এ বিষাক্ত থাবা থেকে সোনারগাঁবাসী কলঙ্কমুক্ত হওক। শুক্রবার বিকালে পৌরসভার টিপরদী এলাকায় অবস্থিত চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত বর্জ্য পরিদর্শন শেষে বিষাক্ত বর্জ্যের গোপন সুয়ারেজ বালি দিয়ে বন্ধের সময় তিনি এ ঘোষনা দেন। এসময় তিনি আরো বলেন, আমি সরকারের এমপি হিসেবে সোনারগাঁবাসীর সুখ দুঃখ দেখা আমার কর্তব্য। একজন সংসদ সদস্য হয়ে আমার এলাকায় একটি কোম্পানী বর্জ্য ফেলে আমার খাল-বিল নদী-নালা পুকুর-জলাশয় নষ্ট করবে সেটা আমি হতে দিবো না। বিগত দিনে যারা সোনারগাঁয়ের নেতৃত্ব দিয়েছেন তারা চৈতী নামের বিষাক্ত কোম্পানী গড়ে তুলতে সাহায্য করেছেন। এখন কুফল ভোগ করছে আমার সোনারগাঁবাসী। এজন্য মানুষ আমাকে দোষারোপ করবে সেটা হবে না। কোম্পানী করেছেন ভালো কথা কিন্তু সরকারের নিয়মনীতি অনুসরন করে চালাতে হবে কোন অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। এখানে বর্জ্য ফেলার আগে ইটিপি ব্যবহার করে পানি বিষমুক্ত করে ফেলতে হবে। যাতে আমার সোনারগাঁবাসী অতীতের মতো খাল-বিল নদী নালার পানি নিত্য প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে।
জানাগেছে, সোনারগাঁ পৌরসভার টিপুরদী এলাকায় ২০০১ সালে চৈতি কম্পোজিট নামের একটি কোম্পানি গড়ে উঠে। কোম্পানি স্থাপনের পর থেকে কোম্পানির ক্যামিকেল মিশ্রিত বর্জ্য স্থানীয় খালে ফেলে পরিবেশ দূষণ করে। এ অভিযোগে কয়েক দফায় কোম্পানির গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ অর্থিক জরিমানা করা হয়। সম্প্রতি চৈতি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তাদের কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি কয়েকটি সুরঙ্গের মাধ্যমে খালে ফেলে ওই এলাকায় মোগরাপাড়া. পিরোজপুর, সনমান্দি ইউনিয়ন ও পৌরসভাসহ ৩০টি গ্রামের লোকজনের পানি ব্যবহার অনুপযোগী করে তোলে। কোম্পানির বর্জ্য পানিতে ফেলার কারনে স্থানীয় কয়েকজনের পুকুরের মাছ মরে যায়। এছাড়াও এলাকার মানুষ পানি ব্যবহার করতে পারছেন না।
সোনারগাঁয়ের সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা
বলেছেন উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৩টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার বাসিন্দাকে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত পানি বন্ধে কয়েক হাজার লোক জড়ো করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানব বন্ধন করা হবে। তারপরও আমি চাই এ বিষাক্ত থাবা থেকে সোনারগাঁবাসী কলঙ্কমুক্ত হওক। শুক্রবার বিকালে পৌরসভার টিপরদী এলাকায় অবস্থিত চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত বর্জ্য পরিদর্শন শেষে বিষাক্ত বর্জ্যের গোপন সুয়ারেজ বালি দিয়ে বন্ধের সময় তিনি এ ঘোষনা দেন। এসময় তিনি আরো বলেন, আমি সরকারের এমপি হিসেবে সোনারগাঁবাসীর সুখ দুঃখ দেখা আমার কর্তব্য। একজন সংসদ সদস্য হয়ে আমার এলাকায় একটি কোম্পানী বর্জ্য ফেলে আমার খাল-বিল নদী-নালা পুকুর-জলাশয় নষ্ট করবে সেটা আমি হতে দিবো না। বিগত দিনে যারা সোনারগাঁয়ের নেতৃত্ব দিয়েছেন তারা চৈতী নামের বিষাক্ত কোম্পানী গড়ে তুলতে সাহায্য করেছেন। এখন কুফল ভোগ করছে আমার সোনারগাঁবাসী। এজন্য মানুষ আমাকে দোষারোপ করবে সেটা হবে না। কোম্পানী করেছেন ভালো কথা কিন্তু সরকারের নিয়মনীতি অনুসরন করে চালাতে হবে কোন অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। এখানে বর্জ্য ফেলার আগে ইটিপি ব্যবহার করে পানি বিষমুক্ত করে ফেলতে হবে। যাতে আমার সোনারগাঁবাসী অতীতের মতো খাল-বিল নদী নালার পানি নিত্য প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে।
জানাগেছে, সোনারগাঁ পৌরসভার টিপুরদী এলাকায় ২০০১ সালে চৈতি কম্পোজিট নামের একটি কোম্পানি গড়ে উঠে। কোম্পানি স্থাপনের পর থেকে কোম্পানির ক্যামিকেল মিশ্রিত বর্জ্য স্থানীয় খালে ফেলে পরিবেশ দূষণ করে। এ অভিযোগে কয়েক দফায় কোম্পানির গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ অর্থিক জরিমানা করা হয়। সম্প্রতি চৈতি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তাদের কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি কয়েকটি সুরঙ্গের মাধ্যমে খালে ফেলে ওই এলাকায় মোগরাপাড়া. পিরোজপুর, সনমান্দি ইউনিয়ন ও পৌরসভাসহ ৩০টি গ্রামের লোকজনের পানি ব্যবহার অনুপযোগী করে তোলে। কোম্পানির বর্জ্য পানিতে ফেলার কারনে স্থানীয় কয়েকজনের পুকুরের মাছ মরে যায়। এছাড়াও এলাকার মানুষ পানি ব্যবহার করতে পারছেন না।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বড় বাজেট করার সক্ষমতা সরকারের আছে, এটি নির্বাচনী বাজেট নয় বরং জনগণের উন্নয়নের বাজেট। আর বিএনপি বুঝে বা না বুঝে সবসময়ই বিরোধিতা করে থাকে।
শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা সেতু পরিদর্শন করতে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ঈদে স্তার যানজট সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এবারের ঈদে রাস্তায় যানজট না হওয়ার জন্য সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বাজেট সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বড় বাজেট বড় চ্যালেঞ্জ। বড় বাজেট বাস্তবায়ণের ক্ষমতা সরকারের আছে বলেই আমরা বড় বাজেট করেছি।
মেঘনা ব্রিজের জানজট সম্পর্কে সেতুমন্ত্রী বলেন, সোনারগাঁওয়ের মেঘনায় টোল আদায়ে ভাংতি টাকা লেনদেনে দেরি হওয়াই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যানজটের অন্যতম একটি কারণ। তারপরও সরকার যানজট নিয়ন্ত্রণে বদ্ধপরিকর।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বড় বাজেট করার সক্ষমতা সরকারের আছে, এটি নির্বাচনী বাজেট নয় বরং জনগণের উন্নয়নের বাজেট। আর বিএনপি বুঝে বা না বুঝে সবসময়ই বিরোধিতা করে থাকে।
শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা সেতু পরিদর্শন করতে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ঈদে স্তার যানজট সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এবারের ঈদে রাস্তায় যানজট না হওয়ার জন্য সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বাজেট সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বড় বাজেট বড় চ্যালেঞ্জ। বড় বাজেট বাস্তবায়ণের ক্ষমতা সরকারের আছে বলেই আমরা বড় বাজেট করেছি।
মেঘনা ব্রিজের জানজট সম্পর্কে সেতুমন্ত্রী বলেন, সোনারগাঁওয়ের মেঘনায় টোল আদায়ে ভাংতি টাকা লেনদেনে দেরি হওয়াই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যানজটের অন্যতম একটি কারণ। তারপরও সরকার যানজট নিয়ন্ত্রণে বদ্ধপরিকর।
ভক্তদের নিয়ে শোবিজ অঙ্গনের তারকাদের হরহামেশাই নানারকম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়, এটা নতুন কিছু নয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনির বাসায় এক জোড়া পায়রা ও একটি ফুলের তোড়া দিয়ে যায় অজ্ঞাত এক লোক। আর এ নিয়ে বেশ বিড়ম্বনায় পড়েছেন এই চিত্রনায়িকা।

ওই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পরীমনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার সময় রিসিপশন থেকে ইন্টারকমে কল আসল। রিসিভারটা আমিই তুললাম। আর এই সময়ে ইন্টারকমে খুব একটা কল আসে না। ফোন রিসিভ করার পর জানানো হয়, আপনার জন্য কবুতর আর ফুল দিয়ে গেছে। এগুলো উপরে পাঠিয়ে দিব কিনা?

পরীমনি বলেন, এমন কথা শোনে আমি খুব অবাক হয়ে যাই। তারপর রিসিপশনিস্টকে একে একে চারবার জিজ্ঞেস করলাম, কে দিলো কখন দিলো কেন দিলো? জবাবে সে বলল,  আপা সে ভদ্র লোক গেটেই আছেন। আমি আর ফোনে কিছু না বলে দৌঁড়ে বারান্দায় যাই। উঁকি দিয়ে বললাম, কই কে আসছে? দাঁড়াতে বলো আর গেটে তালা দিয়ে দাও। আমি আসছি।

বিষয়টি দেখার জন্য কেয়ারটেকারকে পাঠাই। ও যাওয়ার পর লোকটি আমার ভক্ত বলে পরিচয় দেয়। তারপর লোকটি চলে যেতে চায়। আর কেয়ারটেকারও কি বুঝে যে লোকটিকে বিদায় করে দেয়!

লোকটির নাম পরিচয় কিছু না জেনে কেন তাকে যেতে দিলে, এ নিয়ে কেয়ারটেকারকে বকাবকি করি! পরে কেয়ার টেকার বলে, আপনার মেজাজ খারাপ দেখলাম। লোকটি থাকলে যদি মাইর দেন এই জন্য যেতে দিছি। আর লোকটি ভদ্র লোকই মনে হলো। আর তার বয়সও একদম কম।

পরীমনি আরো বলেন, কি আর করা, তারপর বাসার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করলাম।  ভিডিওতে দেখলাম, চিকন-চাকন একটি লোক গাড়ির ড্রাইভিং সিট থেকে নামল। তার পাশের সিট থেকে আরো একটি পিচ্ছি ছেলে নামল। দুইজন মিলে ব্যাকডালা থেকে একটি খাঁচা নামাল, তারপর ড্রাইভিং সিটের পাশে রাখা একটা দোলন চাঁপার ফুলের তোড়া নামাল। একটি প্যাকেটে পাখির খাবারও ছিল। এসবই লিফটের সামনে গুছিয়ে রাখল। তারপর চুল ঠিক করল। এরপর পার্কিংয়ে রাখা আমার গাড়ির সামনে দাঁড়াল আর ছোট ছেলেটি ছবি তুলে দিল।

তিনি বলেন, একটা জিনিস বুঝি না সে আমার কেমন ভক্ত যে, আমি নিচে নামব জেনেও সে চলে গেল এবং তার নামও বলল না। আমার ভক্তরা আমার সঙ্গে এমন করে না বা করতে পারে না। এমন অদ্ভুত ভক্তের উপহার গ্রহণ করা আমার কাছে আসলেই আনন্দের না। তাই সেই ভক্তের কাছে অনুরোধ করব তার পরিচয় দেয়ার জন্য। আর না হলে সে আামার ভক্ত এটা মানব না বরং তার গাড়ির নম্বরটা থানায় দিতে বাধ্য হব। আমি চাই না অপ্রত্যাশিত কিছু হোক।
ভক্তদের নিয়ে শোবিজ অঙ্গনের তারকাদের হরহামেশাই নানারকম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়, এটা নতুন কিছু নয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনির বাসায় এক জোড়া পায়রা ও একটি ফুলের তোড়া দিয়ে যায় অজ্ঞাত এক লোক। আর এ নিয়ে বেশ বিড়ম্বনায় পড়েছেন এই চিত্রনায়িকা।

ওই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পরীমনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার সময় রিসিপশন থেকে ইন্টারকমে কল আসল। রিসিভারটা আমিই তুললাম। আর এই সময়ে ইন্টারকমে খুব একটা কল আসে না। ফোন রিসিভ করার পর জানানো হয়, আপনার জন্য কবুতর আর ফুল দিয়ে গেছে। এগুলো উপরে পাঠিয়ে দিব কিনা?

পরীমনি বলেন, এমন কথা শোনে আমি খুব অবাক হয়ে যাই। তারপর রিসিপশনিস্টকে একে একে চারবার জিজ্ঞেস করলাম, কে দিলো কখন দিলো কেন দিলো? জবাবে সে বলল,  আপা সে ভদ্র লোক গেটেই আছেন। আমি আর ফোনে কিছু না বলে দৌঁড়ে বারান্দায় যাই। উঁকি দিয়ে বললাম, কই কে আসছে? দাঁড়াতে বলো আর গেটে তালা দিয়ে দাও। আমি আসছি।

বিষয়টি দেখার জন্য কেয়ারটেকারকে পাঠাই। ও যাওয়ার পর লোকটি আমার ভক্ত বলে পরিচয় দেয়। তারপর লোকটি চলে যেতে চায়। আর কেয়ারটেকারও কি বুঝে যে লোকটিকে বিদায় করে দেয়!

লোকটির নাম পরিচয় কিছু না জেনে কেন তাকে যেতে দিলে, এ নিয়ে কেয়ারটেকারকে বকাবকি করি! পরে কেয়ার টেকার বলে, আপনার মেজাজ খারাপ দেখলাম। লোকটি থাকলে যদি মাইর দেন এই জন্য যেতে দিছি। আর লোকটি ভদ্র লোকই মনে হলো। আর তার বয়সও একদম কম।

পরীমনি আরো বলেন, কি আর করা, তারপর বাসার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করলাম।  ভিডিওতে দেখলাম, চিকন-চাকন একটি লোক গাড়ির ড্রাইভিং সিট থেকে নামল। তার পাশের সিট থেকে আরো একটি পিচ্ছি ছেলে নামল। দুইজন মিলে ব্যাকডালা থেকে একটি খাঁচা নামাল, তারপর ড্রাইভিং সিটের পাশে রাখা একটা দোলন চাঁপার ফুলের তোড়া নামাল। একটি প্যাকেটে পাখির খাবারও ছিল। এসবই লিফটের সামনে গুছিয়ে রাখল। তারপর চুল ঠিক করল। এরপর পার্কিংয়ে রাখা আমার গাড়ির সামনে দাঁড়াল আর ছোট ছেলেটি ছবি তুলে দিল।

তিনি বলেন, একটা জিনিস বুঝি না সে আমার কেমন ভক্ত যে, আমি নিচে নামব জেনেও সে চলে গেল এবং তার নামও বলল না। আমার ভক্তরা আমার সঙ্গে এমন করে না বা করতে পারে না। এমন অদ্ভুত ভক্তের উপহার গ্রহণ করা আমার কাছে আসলেই আনন্দের না। তাই সেই ভক্তের কাছে অনুরোধ করব তার পরিচয় দেয়ার জন্য। আর না হলে সে আামার ভক্ত এটা মানব না বরং তার গাড়ির নম্বরটা থানায় দিতে বাধ্য হব। আমি চাই না অপ্রত্যাশিত কিছু হোক।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে দেশটিতে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তাকে বহনকারী এমিরেটসের ইকে-২৪১ ফ্লাইট শুক্রবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় টরন্টোর পিয়ারসন আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর এমিরেটসের ইকে-৫৮৭ ফ্লাইটযোগে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।
দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি দিয়ে শুক্রবার ভোরে সেখান থেকে ইকে-২৪১ ফ্লাইটে টরন্টোর উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।
 
টরন্টোতে পৌঁছানোর পর এখানে যাত্রাবিরতি দিয়ে এয়ার কানাডার এসি-৮৯১৪ ফ্লাইটে কুইবেক সিটির জ্যঁ লেসাজ আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। 
 
সেখানে তাকে স্বাগত জানাবেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান এবং কানাডা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
 
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী কুইবেকে তার সফরকালীন আবাসস্থল হোটেল চাতিউ ফ্রন্তেনাকে যাবেন।
 
কুইবেকে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি শেখ হাসিনা কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোসহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
 
সফরের প্রথম দিন শুক্রবার (৮ জুন) রাতে প্রধানমন্ত্রী কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন। পরদিন শনিবার (৯ জুন) সকাল থেকে জি-৭ আউটরিচ সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে অংশ নেবেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।
 
১০ জুন (রোববার) সকালে কুইবেকে সফরকালীন আবাসস্থলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন শেখ হাসিনা।
 
দুপুরের দিকে প্রধানমন্ত্রী এয়ার কানাডার এসি-৮৯২১ ফ্লাইটে কুইবেক সিটি থেকে টরন্টোর পিয়ারসন বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন। বিকেল ৪টার দিকে পিয়ারসন বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি।
 
সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী টরন্টোতে সফরকালীন আবাসস্থল রিজ কার্লটনে যাবেন। স্থানীয় সময় ৬টায় মেট্রো টরন্টোতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।
 
১১ জুন (সোমবার) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কানাডার মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত বব রে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।
 
১০টায় শেখ হাসিনা বৈঠক করবেন সাসকাতচেওয়ান প্রদেশের ডেপুটি প্রিমিয়ার, বাণিজ্য
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে দেশটিতে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তাকে বহনকারী এমিরেটসের ইকে-২৪১ ফ্লাইট শুক্রবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় টরন্টোর পিয়ারসন আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর এমিরেটসের ইকে-৫৮৭ ফ্লাইটযোগে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।
দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি দিয়ে শুক্রবার ভোরে সেখান থেকে ইকে-২৪১ ফ্লাইটে টরন্টোর উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।
 
টরন্টোতে পৌঁছানোর পর এখানে যাত্রাবিরতি দিয়ে এয়ার কানাডার এসি-৮৯১৪ ফ্লাইটে কুইবেক সিটির জ্যঁ লেসাজ আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। 
 
সেখানে তাকে স্বাগত জানাবেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান এবং কানাডা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
 
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী কুইবেকে তার সফরকালীন আবাসস্থল হোটেল চাতিউ ফ্রন্তেনাকে যাবেন।
 
কুইবেকে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি শেখ হাসিনা কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোসহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
 
সফরের প্রথম দিন শুক্রবার (৮ জুন) রাতে প্রধানমন্ত্রী কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন। পরদিন শনিবার (৯ জুন) সকাল থেকে জি-৭ আউটরিচ সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে অংশ নেবেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।
 
১০ জুন (রোববার) সকালে কুইবেকে সফরকালীন আবাসস্থলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন শেখ হাসিনা।
 
দুপুরের দিকে প্রধানমন্ত্রী এয়ার কানাডার এসি-৮৯২১ ফ্লাইটে কুইবেক সিটি থেকে টরন্টোর পিয়ারসন বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন। বিকেল ৪টার দিকে পিয়ারসন বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি।
 
সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী টরন্টোতে সফরকালীন আবাসস্থল রিজ কার্লটনে যাবেন। স্থানীয় সময় ৬টায় মেট্রো টরন্টোতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।
 
১১ জুন (সোমবার) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কানাডার মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত বব রে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।
 
১০টায় শেখ হাসিনা বৈঠক করবেন সাসকাতচেওয়ান প্রদেশের ডেপুটি প্রিমিয়ার, বাণিজ্য
দৈনিক ভোরের কথা পত্রিকার স্টাফ রির্পোটার ও সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের বড় ছেলে মো: আলিফ মাহমুদ (১২) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০ বছর।
শুক্রবার ভোর ৪ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে ১১ টায় উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের তাতুয়াকান্দী গ্রামের ঈদগাহ মাঠে জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। আলিফ আহম্মেদ তার বাবা, মা, ভাই, বোনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সোনারগাঁও প্রেস ক্লাব,সোনারগাঁ উপজেলা প্রেসক্লাব  , সোনারগাঁ প্রেস ইউনিটিসহ সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও সুশীলসমাজসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী আলিফ আহমেদরে অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সববেদনা জানিয়েছেন।
দৈনিক ভোরের কথা পত্রিকার স্টাফ রির্পোটার ও সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের বড় ছেলে মো: আলিফ মাহমুদ (১২) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০ বছর।
শুক্রবার ভোর ৪ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে ১১ টায় উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের তাতুয়াকান্দী গ্রামের ঈদগাহ মাঠে জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। আলিফ আহম্মেদ তার বাবা, মা, ভাই, বোনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সোনারগাঁও প্রেস ক্লাব,সোনারগাঁ উপজেলা প্রেসক্লাব  , সোনারগাঁ প্রেস ইউনিটিসহ সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও সুশীলসমাজসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী আলিফ আহমেদরে অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সববেদনা জানিয়েছেন।


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মেঘনা ও গোমতি নদীতে ১২ জুন থেকে ফেরি চালু করতে যাচ্ছে বলে জানান সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (৮ জুন) দুপুরে মেঘনাঘাট পরিদর্শন করতে এসে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। ঢাকা-চট্টগ্রাম আট লেনের মহাসড়কে মেঘনায় টোল আদায়ে ভাংতি টাকা লেনদেনে দেরি হওয়া যানজটের অন্যতম একটি কারণ উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তারপরও সরকার নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে এই যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মেঘনা ও গোমতি নদীতে ১২ জুন থেকে ফেরি চালু করতে যাচ্ছে। এ কারণে দ্রুত গতিতে রাস্তা ও নদীর ঘাট মেরামত করার কাজ চলছে। বরিশাল থেকে আনা হচ্ছে বিআইডব্লিউটিএর পন্টুন। ইতোমধ্যে গোমতি নদী খনন করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে নিরাপদে মানুষ ঘরে ফিরতে পারে সে লক্ষ্যে মহাসড়কে যানজট কমাতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মেঘনা-গোমতি ফেরি সার্ভিসও চালু করা হচ্ছে। এর আগে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মেঘনা ফেরী ঘাটের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। বাজেট প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই বাজেট আওয়ামী লীগের কোনো নির্বাচনী বাজেট নয়। এটা একটা জনবান্ধব বাজেট হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে। এসময় তার সাথে ছিলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং বিআইডব্লিউটিএর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মেঘনা ও গোমতি নদীতে ১২ জুন থেকে ফেরি চালু করতে যাচ্ছে বলে জানান সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (৮ জুন) দুপুরে মেঘনাঘাট পরিদর্শন করতে এসে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। ঢাকা-চট্টগ্রাম আট লেনের মহাসড়কে মেঘনায় টোল আদায়ে ভাংতি টাকা লেনদেনে দেরি হওয়া যানজটের অন্যতম একটি কারণ উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তারপরও সরকার নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে এই যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মেঘনা ও গোমতি নদীতে ১২ জুন থেকে ফেরি চালু করতে যাচ্ছে। এ কারণে দ্রুত গতিতে রাস্তা ও নদীর ঘাট মেরামত করার কাজ চলছে। বরিশাল থেকে আনা হচ্ছে বিআইডব্লিউটিএর পন্টুন। ইতোমধ্যে গোমতি নদী খনন করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে নিরাপদে মানুষ ঘরে ফিরতে পারে সে লক্ষ্যে মহাসড়কে যানজট কমাতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মেঘনা-গোমতি ফেরি সার্ভিসও চালু করা হচ্ছে। এর আগে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মেঘনা ফেরী ঘাটের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। বাজেট প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই বাজেট আওয়ামী লীগের কোনো নির্বাচনী বাজেট নয়। এটা একটা জনবান্ধব বাজেট হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে। এসময় তার সাথে ছিলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং বিআইডব্লিউটিএর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ যেন সাংবাদিকদের জন্য আতঙ্কপুরীতে পরিণত হয়েছে। মাদক কারবারী, সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজদের বিরুদ্ধে অব্যাহত সংবাদ প্রকাশের জেরে দুষ্কৃতিকারীরা একাট্টা হয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। গত কয়েকদিনের অব্যাহত হুমকির মুখে সাংবাদিকরা এখন আতঙ্ক আর শঙ্কার মধ্য দিয়ে সংবাদ সংগ্রহের কাজ করছে। সর্বশেষ গত বুধবার ছাত্রলীগের ক্যাডাররা রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবে ঢুকে কর্মরত সাংবাদিকদের হত্যা করার হুমকি দেয়।




ছাত্রলীগের ক্যাডারদের গ্রেফতার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বৃহষ্পতিবার দুপুরে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিকরা রূপগঞ্জ থানার সামনে প্রতিবাদ জানায়। এসময় সাংবাদিকরা শরীরে কাফনের কাপড় জড়িয়ে মাটিতে শুয়ে পড়ে। পরে প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কলামিষ্ট মীর আব্দুল আলীমের অনুরোধে সাংবাদিকরা প্রতিবাদ তুলে নেয়। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় রূপগঞ্জের সুশীল সমাজ, রাজনীতিবীদ ও সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে।
রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা জানান, গত ৫ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল ফাতে মো. সফিকুল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ঢাকা ভিলেজ নামক একটি আবাসন প্রকপ্লের দখলে থাকা প্রায় ১৮ বিঘা সরকারী অর্পিত সম্পত্তি উদ্ধার করেন। এসব সরকারী সম্পত্তি রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি, সাজাপ্রাপ্ত আসামী মাসুম চৌধুরী অপু ঐ আবাসন কোম্পানীর পক্ষ হয়ে জোরপূর্বক বালু ভরাট করে দেয়। সরকারী সম্পত্তি উদ্ধারের ঘটনায় বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় স্বভাবত কারণেই সংবাদে অপুর নামও প্রকাশ হয়।
এর জেরে বুধবার দুপুরে মাসুম চৌধুরী অপু ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি পরিচয়দানকারী হাফিজুর রহমান সজীবের নেতৃত্বে তাদের বাহিনী পুলিশ নিয়ে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সশস্ত্র অবস্থায় মোটরসাইকেল মহড়া দেয়। পরে প্রেসক্লাবে ঢুকে কর্মরত ৩৭ সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হুমকির পর আতঙ্কিত সাংবাদিকরা প্রাণের ভয়ে প্রেসক্লাবে তালা ঝুলিয়ে বাসায় ফিরে যান।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ যেন সাংবাদিকদের জন্য আতঙ্কপুরীতে পরিণত হয়েছে। মাদক কারবারী, সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজদের বিরুদ্ধে অব্যাহত সংবাদ প্রকাশের জেরে দুষ্কৃতিকারীরা একাট্টা হয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। গত কয়েকদিনের অব্যাহত হুমকির মুখে সাংবাদিকরা এখন আতঙ্ক আর শঙ্কার মধ্য দিয়ে সংবাদ সংগ্রহের কাজ করছে। সর্বশেষ গত বুধবার ছাত্রলীগের ক্যাডাররা রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবে ঢুকে কর্মরত সাংবাদিকদের হত্যা করার হুমকি দেয়।




ছাত্রলীগের ক্যাডারদের গ্রেফতার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বৃহষ্পতিবার দুপুরে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিকরা রূপগঞ্জ থানার সামনে প্রতিবাদ জানায়। এসময় সাংবাদিকরা শরীরে কাফনের কাপড় জড়িয়ে মাটিতে শুয়ে পড়ে। পরে প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কলামিষ্ট মীর আব্দুল আলীমের অনুরোধে সাংবাদিকরা প্রতিবাদ তুলে নেয়। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় রূপগঞ্জের সুশীল সমাজ, রাজনীতিবীদ ও সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে।
রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা জানান, গত ৫ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল ফাতে মো. সফিকুল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ঢাকা ভিলেজ নামক একটি আবাসন প্রকপ্লের দখলে থাকা প্রায় ১৮ বিঘা সরকারী অর্পিত সম্পত্তি উদ্ধার করেন। এসব সরকারী সম্পত্তি রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি, সাজাপ্রাপ্ত আসামী মাসুম চৌধুরী অপু ঐ আবাসন কোম্পানীর পক্ষ হয়ে জোরপূর্বক বালু ভরাট করে দেয়। সরকারী সম্পত্তি উদ্ধারের ঘটনায় বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় স্বভাবত কারণেই সংবাদে অপুর নামও প্রকাশ হয়।
এর জেরে বুধবার দুপুরে মাসুম চৌধুরী অপু ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি পরিচয়দানকারী হাফিজুর রহমান সজীবের নেতৃত্বে তাদের বাহিনী পুলিশ নিয়ে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সশস্ত্র অবস্থায় মোটরসাইকেল মহড়া দেয়। পরে প্রেসক্লাবে ঢুকে কর্মরত ৩৭ সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হুমকির পর আতঙ্কিত সাংবাদিকরা প্রাণের ভয়ে প্রেসক্লাবে তালা ঝুলিয়ে বাসায় ফিরে যান।


জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর যখন চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত বর্জ্য নিস্কাশনে ব্যর্থ তখন লাখো জনতার পক্ষে মাঠে নামলেন এমপি খোকা। জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে টিপুরদী এলাকায় অবস্থিত চৈতি কম্পোজিট কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় হচ্ছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক ও লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি চৈতি গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ আবুল কালাম ইটিপি ব্যবহার না করেই প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের চোখের সামনে বিষাক্ত বর্জ্য নিস্কাশন করছে। এতে খালের পানিতে মিশে তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে ৩০ গ্রামের প্রায়  লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে। 

স্থানীয়রা জানান, ২০০৬ সালে সোনারগাঁ পৌরসভা এলাকায় চৈতি কম্পোজিট লিমিটেড কারখানাটি সুতা উৎপাদন ও সুতা রং করার কাজ শুরু করে। কিন্তু এ কারখানাটির তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) বন্ধ থাকায় উৎপাদিত সুতা তৈরি ও সুতা রং করার তরল বর্জ্য মারিখালি নদীর সংযোগ খালের পানিতে মিশছে। এলাকার পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কারখানা থেকে ছেড়ে দেওয়া বর্জ্যে খালের পানিতে মিশে বিষাক্ত হয়ে মোগরাপাড়া, বাড়ি মজলিশ, গোহাট্রা, ফুলবাড়িয়া, ষোলপাড়া, দমদমা, কাবিলগঞ্জ, দলদার, লেবুছাড়া, ভাটিপাড়া, বিন্নিপাড়া মনাইর কান্দী, টেকপাড়া,মুগাচর, কাজিরগাও,চৌধুরীগা, রামগোবিনদের গাও,শম্ভু পুরা ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার মল্লিক পাড়া, টিপরদি, রতনদি, গোয়ালদি, পানাম, আদমপুর, গোবিন্দপুরসহ প্রায় ৫০টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই বিষাক্ত পানি ব্যবহার করে এলাকার মানুষের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো ফলাফল পাননি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২০০৮ সালের ৪ মার্চ পরিবেশ দূষণের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও যৌথবাহিনী এ কারখানায় অভিযান চালিয়ে উৎপাদন বন্ধ ও সিলগালা করে দেয়। পরে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় এবং ইটিপি স্থাপনের মাধ্যমে বন্ধ কারখানাটি আবার চালু করা হয়।

স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর লায়ন মোশারফ জানান, নামমাত্র ইটিপি থাকলেও তা ব্যবহার করছে না। ঘন্টায় সর্বনিম্ন ৭০ হাজার লিটার বিষাক্ত বর্জ্য গোপন সুরঙ্গের মাধ্যমে সরাসরি খালে ছেড়ে দিচ্ছে। ফলে এই কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য মিশ্রিত খালের পানি আবারও বিষাক্ত হওয়ায় কারখানাটি এলাকার মানুষের কাছে অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, প্রতিলিটার বর্জ্য শোধন করতে খরচ পরে ১৪ টাকা। হিসাবমতে ৭০ হাজার লিটারে খরচ প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। সে অনুপাতে কারখানাটি ইটিপি বন্ধ রেখে, সরকারকে ফাঁকি দিয়ে, পানি ও পরিবেশ দূষণ করে, লক্ষাধিক মানুষকে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ফেলে প্রতি  মাসে ৭০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অতিরিক্ত আয় করছে বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, সোনারগাঁও পৌর এলাকায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি নিষ্কাশনের লাইনের মাধ্যমে ডাইং মিলের লাখ লাখ লিটার বিষাক্ত পানি গোপনে নদী-খাল-বিলে ফেলতে মোটা অঙ্কের উৎকোচ নিয়েছেন সোনারগাঁও পৌরসভার ৯ জন কাউন্সিলর। চৈতী কম্পোজিট কোম্পানির বিষাক্ত বর্জ্য স্থানীয় মেঘনা ও শাখা নদীতে ফেলতে এ কোটি টাকার গোপন চুক্তি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে বিষাক্ত বর্জ্য নিষ্কাশন বন্ধ করতে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনারগাঁও পৌরসভার টিপুরদী এলাকার পৌরসভার পানি নিস্কাষন লাইন পরিদর্শন করেন। এসময় চৈতী কম্পোজিটের গড়ে তোলা গোপন সুরঙ্গের সন্ধান বের করেন। অবিলম্বে জনবিরোধী কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দাখিলের দাবি জানান। পৌরবাসীর দাবি, জনপ্রতিনিধিরা জনগণকে জিম্মি করে, জনগণের ক্ষতি করে গোপনে অর্থ লেনদেন করেছে।

চৈতী কম্পোজিটের মিলের পানি ও পরিবেশ দূষণ চক্রের অন্যতমসোনারগাঁও পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কমিশনার মোতালেব হোসেন ২ নং ওয়ার্ড কমিশনার আবু নাইম আহমেদ রিপন, ৫ নং ওয়ার্ড কমিশনার দুলাল, ১ নং ওয়ার্ডের শাহজালাল, ৬ নং ওয়ার্ডের রফিক, ৮ নং ওয়ার্ড কমিশনার ফারুক আহমেদ তপন, ৯ নং ওয়ার্ড কমিশনার মনিরুজ্জামান মধু, মহিলা কাউন্সিলর পারভিন আক্তার ও রিতা আক্তারের নাম এলাকাবাসী নিশ্চিত করেছে।

সোনারগাঁ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোশারফ হোসেন কোম্পানীর সাথে গোপনে বিরাট অংকের টাকার বিনিময়ে এবং মাসোহারা চুক্তিতে তার বাড়ির নিচ দিয়ে তিনটি ড্রেন সংযোগের মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় ৭০ হাজার লিটার বিষাক্ত বর্জ্য পানি পৌর সভার পানির ড্রেন ব্যবহার করে মেঘনা নদীর শাখা নদী মেনিখালী, পঙ্খিরাজ খাল ও ব্রক্ষ্মপুত্র নদে ছাড়ছে। কিন্তু মোশারফ হোসেন কাউন্সিলর নির্বাচিত না হওয়ায় এবং তারই চাচাতো ভাই মোতালেব হোসেন নির্বাচিত হয়ে মোশারফের মাসোহারাসহ চৈতী থেকে সব রকম সুযোগ বন্ধ করে দেয়ায় সে তারই হাতেগড়া গোপন সুরঙ্গপথ সকলের কাছে উম্মুক্ত করে দিয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানান।


জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর যখন চৈতী কম্পোজিটের বিষাক্ত বর্জ্য নিস্কাশনে ব্যর্থ তখন লাখো জনতার পক্ষে মাঠে নামলেন এমপি খোকা। জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে টিপুরদী এলাকায় অবস্থিত চৈতি কম্পোজিট কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় হচ্ছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক ও লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি চৈতি গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ আবুল কালাম ইটিপি ব্যবহার না করেই প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের চোখের সামনে বিষাক্ত বর্জ্য নিস্কাশন করছে। এতে খালের পানিতে মিশে তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে ৩০ গ্রামের প্রায়  লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে। 

স্থানীয়রা জানান, ২০০৬ সালে সোনারগাঁ পৌরসভা এলাকায় চৈতি কম্পোজিট লিমিটেড কারখানাটি সুতা উৎপাদন ও সুতা রং করার কাজ শুরু করে। কিন্তু এ কারখানাটির তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) বন্ধ থাকায় উৎপাদিত সুতা তৈরি ও সুতা রং করার তরল বর্জ্য মারিখালি নদীর সংযোগ খালের পানিতে মিশছে। এলাকার পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কারখানা থেকে ছেড়ে দেওয়া বর্জ্যে খালের পানিতে মিশে বিষাক্ত হয়ে মোগরাপাড়া, বাড়ি মজলিশ, গোহাট্রা, ফুলবাড়িয়া, ষোলপাড়া, দমদমা, কাবিলগঞ্জ, দলদার, লেবুছাড়া, ভাটিপাড়া, বিন্নিপাড়া মনাইর কান্দী, টেকপাড়া,মুগাচর, কাজিরগাও,চৌধুরীগা, রামগোবিনদের গাও,শম্ভু পুরা ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার মল্লিক পাড়া, টিপরদি, রতনদি, গোয়ালদি, পানাম, আদমপুর, গোবিন্দপুরসহ প্রায় ৫০টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই বিষাক্ত পানি ব্যবহার করে এলাকার মানুষের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো ফলাফল পাননি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২০০৮ সালের ৪ মার্চ পরিবেশ দূষণের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও যৌথবাহিনী এ কারখানায় অভিযান চালিয়ে উৎপাদন বন্ধ ও সিলগালা করে দেয়। পরে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় এবং ইটিপি স্থাপনের মাধ্যমে বন্ধ কারখানাটি আবার চালু করা হয়।

স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর লায়ন মোশারফ জানান, নামমাত্র ইটিপি থাকলেও তা ব্যবহার করছে না। ঘন্টায় সর্বনিম্ন ৭০ হাজার লিটার বিষাক্ত বর্জ্য গোপন সুরঙ্গের মাধ্যমে সরাসরি খালে ছেড়ে দিচ্ছে। ফলে এই কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য মিশ্রিত খালের পানি আবারও বিষাক্ত হওয়ায় কারখানাটি এলাকার মানুষের কাছে অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, প্রতিলিটার বর্জ্য শোধন করতে খরচ পরে ১৪ টাকা। হিসাবমতে ৭০ হাজার লিটারে খরচ প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। সে অনুপাতে কারখানাটি ইটিপি বন্ধ রেখে, সরকারকে ফাঁকি দিয়ে, পানি ও পরিবেশ দূষণ করে, লক্ষাধিক মানুষকে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ফেলে প্রতি  মাসে ৭০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অতিরিক্ত আয় করছে বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, সোনারগাঁও পৌর এলাকায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি নিষ্কাশনের লাইনের মাধ্যমে ডাইং মিলের লাখ লাখ লিটার বিষাক্ত পানি গোপনে নদী-খাল-বিলে ফেলতে মোটা অঙ্কের উৎকোচ নিয়েছেন সোনারগাঁও পৌরসভার ৯ জন কাউন্সিলর। চৈতী কম্পোজিট কোম্পানির বিষাক্ত বর্জ্য স্থানীয় মেঘনা ও শাখা নদীতে ফেলতে এ কোটি টাকার গোপন চুক্তি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে বিষাক্ত বর্জ্য নিষ্কাশন বন্ধ করতে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনারগাঁও পৌরসভার টিপুরদী এলাকার পৌরসভার পানি নিস্কাষন লাইন পরিদর্শন করেন। এসময় চৈতী কম্পোজিটের গড়ে তোলা গোপন সুরঙ্গের সন্ধান বের করেন। অবিলম্বে জনবিরোধী কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দাখিলের দাবি জানান। পৌরবাসীর দাবি, জনপ্রতিনিধিরা জনগণকে জিম্মি করে, জনগণের ক্ষতি করে গোপনে অর্থ লেনদেন করেছে।

চৈতী কম্পোজিটের মিলের পানি ও পরিবেশ দূষণ চক্রের অন্যতমসোনারগাঁও পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কমিশনার মোতালেব হোসেন ২ নং ওয়ার্ড কমিশনার আবু নাইম আহমেদ রিপন, ৫ নং ওয়ার্ড কমিশনার দুলাল, ১ নং ওয়ার্ডের শাহজালাল, ৬ নং ওয়ার্ডের রফিক, ৮ নং ওয়ার্ড কমিশনার ফারুক আহমেদ তপন, ৯ নং ওয়ার্ড কমিশনার মনিরুজ্জামান মধু, মহিলা কাউন্সিলর পারভিন আক্তার ও রিতা আক্তারের নাম এলাকাবাসী নিশ্চিত করেছে।

সোনারগাঁ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোশারফ হোসেন কোম্পানীর সাথে গোপনে বিরাট অংকের টাকার বিনিময়ে এবং মাসোহারা চুক্তিতে তার বাড়ির নিচ দিয়ে তিনটি ড্রেন সংযোগের মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় ৭০ হাজার লিটার বিষাক্ত বর্জ্য পানি পৌর সভার পানির ড্রেন ব্যবহার করে মেঘনা নদীর শাখা নদী মেনিখালী, পঙ্খিরাজ খাল ও ব্রক্ষ্মপুত্র নদে ছাড়ছে। কিন্তু মোশারফ হোসেন কাউন্সিলর নির্বাচিত না হওয়ায় এবং তারই চাচাতো ভাই মোতালেব হোসেন নির্বাচিত হয়ে মোশারফের মাসোহারাসহ চৈতী থেকে সব রকম সুযোগ বন্ধ করে দেয়ায় সে তারই হাতেগড়া গোপন সুরঙ্গপথ সকলের কাছে উম্মুক্ত করে দিয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানান।
আফগানিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের খেলার ধরন দেখে ‘বিস্মিত’ হয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তার ‘মনেই হচ্ছে না এটা বাংলাদেশ দল’। পাপন মনে করেন, সিনিয়র ক্রিকেটারদের দৈন্য ব্যাটিং ও দলের ভঙ্গুর মানসিকতার কারণ এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে সিরিজে হেরে বসেছে।
মঙ্গলবার (৫ জুন) ভারতের দেরাদুনে আফগানিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৬ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ দল। তার আগের ম্যাচেও ৪৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায় সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন টাইগাররা। এ নিয়ে বুধবার (৬ জুন) ঢাকার গুলশানে নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন বিসিবি সভাপতি।
পাপনের মতে, তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজেরে প্রথম দু’টি খেলার কোনোটিতেই সিনিয়র ব্যাটসম্যানদের উইকেটে থিতু হওয়ার লক্ষণ দেখা যায়নি। ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনা করেও তারা খেলেননি। তার চেয়েও তিনি বেশি ‘বিস্মিত’ হয়েছেন রশিদ খান, মুজিব উর রহমানের মতো বোলারদের মোকাবেলা নিয়ে দলের কোনো পরিকল্পনাই না দেখে। 
পাপন বলেন, ‘হতে পারে আফগানিস্তানের বোলিং খুব ভাল, ওদের রশিদ খান আছে। অস্বীকার করার উপায় নেই সে একজন বিশ্বসেরা বোলার। তারপরও ১৫০-১৬০ রান হবে না, এটা কখনো মনে হয়নি। যখনই মনে হয়েছে ব্যাটসম্যানরা সেট হয়েছে, আমরা বড় সংগ্রহের দিকে যাচ্ছি, তখনই মনে হয়েছে উইকেটটা বিলিয়ে দিয়ে এসেছে।’
‘যেভাবে আমাদের অভিজ্ঞ সিনিয়র প্লেয়াররা আউট হয়েছে সেটা আসলেই চোখে লাগার মতো। অযথা ঝুঁকিপূর্ণ শটস নেওয়া ঠিক হয়নি। রশিদ খানকেই ছয় মারতে গিয়ে আউট হওয়া… এগুলো কোনোভাবে মেলে না।’ বলেন বিসিবি সভাপতি।
প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশ স্বাভাবিক খেলাটি খেলতে পারেনি উল্লেখ করে পাপন আরও বলেন, ‘এটা বাংলাদেশের স্বাভাবিক খেলা না। অবশ্যই কোনো সমস্যা আছে। বাংলাদেশ দল মনেই হচ্ছে না। আমি মনে করি আমাদের ব্যাটিং বিপর্যয়টাই বেশি। খুব বাজে শটস খেলেছে প্লেয়াররা। খুব খারাপ সময় ঝুঁকি নিতে গিয়ে আউট হয়েছে এবং তারা সবাই সিনিয়র ক্রিকেটার। এটাই খারাপ লাগছে।’
ক্রিকেটারদের ‘বডি ল্যাংগুয়েজ’ দেখে বারবারই পাপনের মনে হয়েছে, এ যেন বছরের শুরুতে ঘরের মাটিতে বিপর্যস্ত হওয়ার সেই বিষাদে ভরা (শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খেলা) সিরিজ। পাপন বলেন, ‘এটা খুবই হতাশাজনক।’
ব্যাটিংকে দুষলেও প্রথম দুই ম্যাচে টাইগার বোলারদের কোনো সমস্যা দেখেননি বিসিবি প্রধান। তার মতে, ‘বোলিং ঠিক আছে। আফগানরা যদি ১৮০ বা ২০০ করতো তাহলে বুঝতাম খারাপ হয়েছে। ১৮০ রানও তো এখনও হয়নি। কী করে ওদের খারাপ বলি। ১৩০-১৪০ করাতো ব্যাপার না। আমিতো মনে করি এটা স্বাভাবিক।’
বৃহস্পতিবার (৭ জুন) দেরাদুনের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। প্রথম দুই ম্যাচে ‘অচেনা’ বাংলাদেশ কি শেষ ম্যাচে নিদাহাস ট্রফির মতো ‘চেনা’ হয়ে উঠতে পারবে?
আফগানিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের খেলার ধরন দেখে ‘বিস্মিত’ হয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তার ‘মনেই হচ্ছে না এটা বাংলাদেশ দল’। পাপন মনে করেন, সিনিয়র ক্রিকেটারদের দৈন্য ব্যাটিং ও দলের ভঙ্গুর মানসিকতার কারণ এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে সিরিজে হেরে বসেছে।
মঙ্গলবার (৫ জুন) ভারতের দেরাদুনে আফগানিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৬ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ দল। তার আগের ম্যাচেও ৪৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায় সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন টাইগাররা। এ নিয়ে বুধবার (৬ জুন) ঢাকার গুলশানে নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন বিসিবি সভাপতি।
পাপনের মতে, তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজেরে প্রথম দু’টি খেলার কোনোটিতেই সিনিয়র ব্যাটসম্যানদের উইকেটে থিতু হওয়ার লক্ষণ দেখা যায়নি। ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনা করেও তারা খেলেননি। তার চেয়েও তিনি বেশি ‘বিস্মিত’ হয়েছেন রশিদ খান, মুজিব উর রহমানের মতো বোলারদের মোকাবেলা নিয়ে দলের কোনো পরিকল্পনাই না দেখে। 
পাপন বলেন, ‘হতে পারে আফগানিস্তানের বোলিং খুব ভাল, ওদের রশিদ খান আছে। অস্বীকার করার উপায় নেই সে একজন বিশ্বসেরা বোলার। তারপরও ১৫০-১৬০ রান হবে না, এটা কখনো মনে হয়নি। যখনই মনে হয়েছে ব্যাটসম্যানরা সেট হয়েছে, আমরা বড় সংগ্রহের দিকে যাচ্ছি, তখনই মনে হয়েছে উইকেটটা বিলিয়ে দিয়ে এসেছে।’
‘যেভাবে আমাদের অভিজ্ঞ সিনিয়র প্লেয়াররা আউট হয়েছে সেটা আসলেই চোখে লাগার মতো। অযথা ঝুঁকিপূর্ণ শটস নেওয়া ঠিক হয়নি। রশিদ খানকেই ছয় মারতে গিয়ে আউট হওয়া… এগুলো কোনোভাবে মেলে না।’ বলেন বিসিবি সভাপতি।
প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশ স্বাভাবিক খেলাটি খেলতে পারেনি উল্লেখ করে পাপন আরও বলেন, ‘এটা বাংলাদেশের স্বাভাবিক খেলা না। অবশ্যই কোনো সমস্যা আছে। বাংলাদেশ দল মনেই হচ্ছে না। আমি মনে করি আমাদের ব্যাটিং বিপর্যয়টাই বেশি। খুব বাজে শটস খেলেছে প্লেয়াররা। খুব খারাপ সময় ঝুঁকি নিতে গিয়ে আউট হয়েছে এবং তারা সবাই সিনিয়র ক্রিকেটার। এটাই খারাপ লাগছে।’
ক্রিকেটারদের ‘বডি ল্যাংগুয়েজ’ দেখে বারবারই পাপনের মনে হয়েছে, এ যেন বছরের শুরুতে ঘরের মাটিতে বিপর্যস্ত হওয়ার সেই বিষাদে ভরা (শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খেলা) সিরিজ। পাপন বলেন, ‘এটা খুবই হতাশাজনক।’
ব্যাটিংকে দুষলেও প্রথম দুই ম্যাচে টাইগার বোলারদের কোনো সমস্যা দেখেননি বিসিবি প্রধান। তার মতে, ‘বোলিং ঠিক আছে। আফগানরা যদি ১৮০ বা ২০০ করতো তাহলে বুঝতাম খারাপ হয়েছে। ১৮০ রানও তো এখনও হয়নি। কী করে ওদের খারাপ বলি। ১৩০-১৪০ করাতো ব্যাপার না। আমিতো মনে করি এটা স্বাভাবিক।’
বৃহস্পতিবার (৭ জুন) দেরাদুনের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। প্রথম দুই ম্যাচে ‘অচেনা’ বাংলাদেশ কি শেষ ম্যাচে নিদাহাস ট্রফির মতো ‘চেনা’ হয়ে উঠতে পারবে?
কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর গ্রেফতার হয়েছেন। গীতিকার, সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিনের করা মামলায় মঙ্গলবার রাত দেড়টায় তাকে গ্রেফতার করে সিআইডির একটা দল।
এগুলো একদিনের বাসি খবর। আরো আপডেট হলো পুলিশ তাকে এক সপ্তাহের রিমান্ডে নিতে চেয়েছিল। আদালত সেই রিমান্ডের আবেদন নাকচ করেছেন। আপাতত আসিফ আকবরের ঠিকানা জেলহাজত।
হুট করে এই পরিস্থিতি তৈরি হলো কেন? এমন কী অন্যায় আসিফ আকবর করেছিলেন যে তার নামে মামলা করতে হলো?
আসলে এই পরিস্থিতিটা হুট করে তৈরি হয়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির রাজনীতির সঙ্গে জাতীয় রাজনীতিরও যোগ আছে বলে অনেকে মনে করছেন।
বেশ কিছু দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আসিফ আকবর বনাম প্রীতম হাসান বাগ্যুদ্ধ চলছিল। সে যুদ্ধে প্রীতমের পক্ষে জড়িয়ে পড়েন শফিক তুহিন। স্রেফ ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির সে যুদ্ধের রূপটা মোটেই সুশ্রী ছিল না। এর আগে প্রীতম ও আসিফ একে অন্যকে অসম্মান করে কথা বলেছেন ফেসবুকে। কেউই কারো প্রতি সম্মান দেখাননি। সর্বশেষ শফিক তুহিন আসিফ আকবরকে ‘চোর’ বানানোর জন্য নানান তত্ত্ব নিয়ে হাজির হয়েছেন ফেসবুকে। দলিল দস্তাবেজ উপস্থাপন করে আসিফকে সরাসরি ‘চোর’ সাব্যস্ত করার চেষ্টা চালিয়েছেন। এই অসম্মানের প্রত্যুত্তরে আসিফ আকবর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ফেসবুকে একটা লাইভ করেন ক’দিন আগে। সেখানে শফিক তুহিনকে ‘প্রতিহত’ করার আহ্বান জানিয়েছেন নিজের ভক্তদের কাছে।
এই ‘প্রতিহত’ শব্দে শফিক তুহিন ‘ভয় পেয়েছেন’ বলে মনে হচ্ছে। ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি মামলা করেছেন। কতটা ভয় পেয়েছিলেন তা জানার জন্য শফিক তুহিনকে ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি অবশ্য। যা হোক, শফিক তুহিন দেখিয়ে দিয়েছেন, ‘তিনি পারেন’।
শফিক তুহিন, প্রীতম হাসান ও আসিফ আকবর দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন। তাদের সম্পর্কটা এক সময় আজকের মতো ছিল না। তাদের মধ্যে এক দিন সুসম্পর্ক ছিল। স্রেফ ব্যক্তিগত স্বার্থের পেছনে দৌড়াতে গিয়ে তারা আজ এ অবস্থানে। তিনজনই শিল্পী মানুষ। সমাজে সম্মানিত। তবুও ফেসবুকের মতো খোলা জায়গায় তারা একে অন্যের প্রতি যেভাবে কাদা ছোড়াছুড়ি করেছেন, এখনো করছে
ন তাতে সাধারণের কাছে তারা হাসির পাত্রে পরিণত হচ্ছেন।
নিজের সহকর্মীর প্রতি নিম্নতম সম্মানটুকু যদি কেউ জানাতে না পারেন, তাহলে তার পরিণতি ভালো হওয়ার কথা নয়। এ বড় সহজ সমীকরণ। আজ আসিফ আকবরকে চোর বলা হচ্ছে, মামলা-হামলায় জেল খাটানো হচ্ছে। সামনের দিনে যে তার প্রতিপক্ষের অবস্থা এর চেয়েও খারাপ হবে না, তা কে বলতে পারে?
অন্যদিকে, আসিফ আকবরের মতো তুমুল জনপ্রিয় একজন শিল্পীর খোলা ফেসবুকে কথা বলার সময় অবশ্যই আরো হিসাব-নিকাশ করেই বলা উচিত। কেউ তাকে নিয়ে বাজে প্রচারণা চালালেই তাকে ‘প্রতিহত’ করার মতো রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়াটাও মানায় না। যদিও আসিফ আকবরের একটা রাজনৈতিক পরিচয়ও রয়েছে। তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই সম্পৃক্ত। এই গ্রেফতারের পেছনে এটাও একটা কারণ হিসেবে দেখছেন অনেকে। সে যেভাবেই দেখা হোক, আসিফ আকবরের মতো একজন সিনিয়র শিল্পীর সহকর্মীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে কথা বলা উচিত। কেউ তাকে সম্মান করল না বলেই তাকে একই কাজ করতে হবে, এমনটা আশা করা যায় না।
আসিফ আকবর হয়তো শিগগিরই জেলহাজত থেকে বেরুবেন। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে তার বেরুনোর দরকারও। কিন্তু পুরো ব্যাপারটা যে বাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল, তার দাগ তো থেকে যাবে। এই দাগ মুছতে কি নতুন কোনো পরিস্থিতি দেখতে হবে?