2017
বন্ধুরা সেলফি তুলছে। পিছনে পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে তাদের সঙ্গে ঘুরতে আসা আরেক বন্ধু। তবুও টের পেলো না বন্ধুর আর্তনাদ? এমনই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে ভারতের বেঙ্গালুরুরের ন্যাশনাল কলেজের ১৭ বছরের ছাত্র বিশ্বাসের সঙ্গে। সেলফিতে দেখা যায় তার বন্ধুরা মজা করে ছবি তুলছে। তার ঠিক পিছনে কিছুটা দূরে ডুবন্ত অবস্খায় মাথাটা দেখা যাচ্ছে।
রোববার ন্যাশনাল কলেজের এক পিকনিকে বিশ্বাস তার বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে পুকুরে নামলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয়। বলা হয় পুুকুরটি প্রায় দশ ফিটের বেশি গভীর ছিল।
বন্ধুদের দেয়া তথ্যমতে, সবাই তাকে নোটিশ না করে পুকুর ছেড়ে উঠে এক মন্দিরে বেড়াতে যায়। সেখানে মোবাইলে ছবিগুলো দেখার সময় একজন খেয়াল করেন যে, তাদের সেলফিতে পিছনে তাদের বন্ধু বিশ্বাস ডুবন্ত মাথা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। পরে ছাত্ররা স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুকুর থেকে বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করে।
বিশ্বাসের পরিবার কলেজের গাফিলতিকে দায়ি করে বলেন, কলেজ ট্যুরে কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তবে ন্যাশনাল কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে জানায়,  ২৫ জন ছাত্র এক জন শিক্ষকের অধীনে কলেজ ট্যুরে যায়। তারপর এই দুর্ঘটনার শিকার হন। এদিকে সোমবার বিশ্বাসের অভিভাবক এবং ছাত্ররা কলেজের বিরুদ্ধে প্র্রতিবাদ করেছে। কলেজের পক্ষ থেকে বিশ্বাসের মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত করার আশ্বাস পাওয়ার পর তারা প্রতিবাদ থামিয়ে চলে যান।
নিহত বিশ্বাসের বাবা গোবিন্দ পেশায় একজন অটো চালক। তিনি বলেন, এবিষয়ে একটি পুলিশ ফাইল করা হলেও এখন পর্যন্ত কলেজ কিংবা কোন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে কোন ধরণের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
বন্ধুরা সেলফি তুলছে। পিছনে পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে তাদের সঙ্গে ঘুরতে আসা আরেক বন্ধু। তবুও টের পেলো না বন্ধুর আর্তনাদ? এমনই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে ভারতের বেঙ্গালুরুরের ন্যাশনাল কলেজের ১৭ বছরের ছাত্র বিশ্বাসের সঙ্গে। সেলফিতে দেখা যায় তার বন্ধুরা মজা করে ছবি তুলছে। তার ঠিক পিছনে কিছুটা দূরে ডুবন্ত অবস্খায় মাথাটা দেখা যাচ্ছে।
রোববার ন্যাশনাল কলেজের এক পিকনিকে বিশ্বাস তার বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে পুকুরে নামলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয়। বলা হয় পুুকুরটি প্রায় দশ ফিটের বেশি গভীর ছিল।
বন্ধুদের দেয়া তথ্যমতে, সবাই তাকে নোটিশ না করে পুকুর ছেড়ে উঠে এক মন্দিরে বেড়াতে যায়। সেখানে মোবাইলে ছবিগুলো দেখার সময় একজন খেয়াল করেন যে, তাদের সেলফিতে পিছনে তাদের বন্ধু বিশ্বাস ডুবন্ত মাথা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। পরে ছাত্ররা স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুকুর থেকে বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করে।
বিশ্বাসের পরিবার কলেজের গাফিলতিকে দায়ি করে বলেন, কলেজ ট্যুরে কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তবে ন্যাশনাল কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে জানায়,  ২৫ জন ছাত্র এক জন শিক্ষকের অধীনে কলেজ ট্যুরে যায়। তারপর এই দুর্ঘটনার শিকার হন। এদিকে সোমবার বিশ্বাসের অভিভাবক এবং ছাত্ররা কলেজের বিরুদ্ধে প্র্রতিবাদ করেছে। কলেজের পক্ষ থেকে বিশ্বাসের মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত করার আশ্বাস পাওয়ার পর তারা প্রতিবাদ থামিয়ে চলে যান।
নিহত বিশ্বাসের বাবা গোবিন্দ পেশায় একজন অটো চালক। তিনি বলেন, এবিষয়ে একটি পুলিশ ফাইল করা হলেও এখন পর্যন্ত কলেজ কিংবা কোন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে কোন ধরণের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
ঈদের দিনে ছেলের জন্য বাড়ি থেকে জামা-কাপড় আনতে গিয়ে জীবিত ফেরা হলো না রোহিঙ্গা দম্পতির।  বর্ডার গাড অব পুলিশের (বিজিপি) গুলিতে প্রাণ হারান তারা।
শনিবার সকাল থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রচন্ড গুলি বর্ষনের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়াও ঢেকিবনিয়া ও বলিবাজারের আকাশ আগুনের ধোঁয়ায় মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, মিয়ানমারে সহিংসতার মুখে গ্রাম ছেড়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের জিরো পয়েন্টে অাশ্রয় নিয়েছে অসংখ্য রোহিঙ্গা। সেখান থেকে সুযোগ বুঝে কেউ কেউ কুতুপালং ও বালুখালীতে বস্তিতে ঢুকে পড়ছে। জিরো পয়েন্টে অবস্থানকারী মিয়ানমারের ঢেকিবনিয়া উত্তরপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা মো. জারুল্লাহ (৩০) ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগম(২০) শনিবার সকালে একমাত্র ছেলের জন্য কাপড় আনতে যায় গ্রামে। কাপড় ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরত আসার সময় মিয়ানমারের বিজিপি'র টহল দলের সামনে পড়লে গুলি করে তাদেরকে হত্যা করা হয়। পরে জিরো পয়েন্টে অবস্থানকারী নিহতের নিকটাত্মীয় কয়েকজন যুবক গিয়ে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তের এপারে নিয়ে আসে।
কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মনঞ্জুরুল হাসান খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলে বলেন, সীমান্তে যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি তৎপর রয়েছে।  
গত ২৪ আগস্ট (শুক্রবার) রাতে মিয়ানমারে সৃষ্ট সহিংসতায় পুরো রাখাইন রাজ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সহিংসতায় মিয়ানমার সরকারের তথ্যে এ পর্যন্ত ১০৬ জন নিহত হয়েছে। এতে ১২জন মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। কিন্তু রোহিঙ্গাদের তথ্য মতে এই পর্যন্ত তিন হাজারের অধিক রোহিঙ্গা নারী,পুরুষ, শিশু নিহত হয়েছে।
ঈদের দিনে ছেলের জন্য বাড়ি থেকে জামা-কাপড় আনতে গিয়ে জীবিত ফেরা হলো না রোহিঙ্গা দম্পতির।  বর্ডার গাড অব পুলিশের (বিজিপি) গুলিতে প্রাণ হারান তারা।
শনিবার সকাল থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রচন্ড গুলি বর্ষনের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়াও ঢেকিবনিয়া ও বলিবাজারের আকাশ আগুনের ধোঁয়ায় মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, মিয়ানমারে সহিংসতার মুখে গ্রাম ছেড়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের জিরো পয়েন্টে অাশ্রয় নিয়েছে অসংখ্য রোহিঙ্গা। সেখান থেকে সুযোগ বুঝে কেউ কেউ কুতুপালং ও বালুখালীতে বস্তিতে ঢুকে পড়ছে। জিরো পয়েন্টে অবস্থানকারী মিয়ানমারের ঢেকিবনিয়া উত্তরপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা মো. জারুল্লাহ (৩০) ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগম(২০) শনিবার সকালে একমাত্র ছেলের জন্য কাপড় আনতে যায় গ্রামে। কাপড় ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরত আসার সময় মিয়ানমারের বিজিপি'র টহল দলের সামনে পড়লে গুলি করে তাদেরকে হত্যা করা হয়। পরে জিরো পয়েন্টে অবস্থানকারী নিহতের নিকটাত্মীয় কয়েকজন যুবক গিয়ে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তের এপারে নিয়ে আসে।
কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মনঞ্জুরুল হাসান খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলে বলেন, সীমান্তে যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি তৎপর রয়েছে।  
গত ২৪ আগস্ট (শুক্রবার) রাতে মিয়ানমারে সৃষ্ট সহিংসতায় পুরো রাখাইন রাজ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সহিংসতায় মিয়ানমার সরকারের তথ্যে এ পর্যন্ত ১০৬ জন নিহত হয়েছে। এতে ১২জন মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। কিন্তু রোহিঙ্গাদের তথ্য মতে এই পর্যন্ত তিন হাজারের অধিক রোহিঙ্গা নারী,পুরুষ, শিশু নিহত হয়েছে।
গত বছর ঈদুল আজহার দিনে তিন মণ ওজনের গরু কোরবানি দিয়েছিলেন। আত্মীয়–স্বজনেরা বাড়িতে এসে চালের রুটির সঙ্গে গরুর মাংস খেয়েছেন পেটভরে। ছেলেমেয়েরা মংডু শহরে গিয়ে চার চাকার রিকশায় চড়েছে। আর এখন সেসব স্মৃতি। আজ ঈদের দিনে আশ্রয়ের আশায় টেকনাফের পথে পথে ঘুরতে হচ্ছে। সকালে ছেলেমেয়েরা কলা আর বিস্কুট খেয়েছে। দুপুরে মুখে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। মিয়ানমারের সেনারা ঈদের আনন্দ মাটি করে দিয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাতটার দিকে টেকনাফের ডেইলপাড়া গ্রামে কথাগুলো বললেন সেতারা বেগম (৪৫)। তাঁর বাড়ি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সিকদারপাড়ায়। আগের দিন শুক্রবার রাতে তিনি পরিবারের চার সদস্য নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ ওঠেন। সেখান থেকে রিকশায় যান টেকনাফ। তারপর হেঁটে হেঁটে এই ডেইলপাড়ায়। দুরবস্থার কথা শুনে লোকজন তাঁকে কিছু অর্থ সহায়তাও দেন। সেতারা বেগম বলেন, তাঁরা আরাকানের মুসলমান। এখন যেটাকে ‘রাখাইন রাজ্য’ বলা হচ্ছে, সেটি আসলে ‘আরাকান রাজ্য’। সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার হয়ে আরাকানের মুসলমানদের জন্মভূমি ছাড়তে হচ্ছে। আর ‘রোহিঙ্গা’ বলে হেয় করা হচ্ছে। সব জায়গাতেই তাঁরা পরিস্থিতির ‘শিকার’ বলে দাবি তাঁর। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ঢুকতে এখন রোহিঙ্গাদের কেউ বাধা দিচ্ছে না। যানবাহনে চড়ে এদিক-সেদিক যেতেও সমস্যা হচ্ছে না। সমস্যা শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই ও খাওয়াদাওয়া। টেকনাফের পথে পথে এখন রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা। শাহপরীর দ্বীপ-টেকনাফ সড়কে লাইন ধরে হাঁটছেন রোহিঙ্গারা। কেউ যাচ্ছেন উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরের দিকে। কেউ কেউ ঢুকে পড়ছে গ্রামে। তাঁরা আশ্রয় নিচ্ছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঝোপজঙ্গলে। অসহায় বলে স্থানীয়রা রোহিঙ্গাদের প্রতিরোধ অথবা বাধা দিচ্ছেন না। আজ টেকনাফের প্রতিটা ঈদের জামাতে বিপদাপন্ন রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। নিন্দা জানানো হয় মিয়ানমার সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রতি। সকালে শাহপরীর দ্বীপ সড়ক ও পাশের বেড়িবাঁধের কয়েকটি অংশে বসে ছিলেন কয়েক শ রোহিঙ্গা। তাঁরা আজ ভোরে নৌকায় এখানে পৌঁছেছে। কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন আরও কিছু নৌকার জন্য। কিন্তু নৌকার দেখা মিলছে না। নৌকা আসতে যত দেরি হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক তত বাড়ছে। কারণ, নাফ নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে ৫০ জন রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ আছেন অনেকে। রোহিঙ্গাদের একজন সৈয়দ করিম (৫৫) বলেন, জীবনে এই প্রথম খোলা আকাশের নিচে কোরবানির ঈদ কাটাচ্ছেন। এবার ঈদের নামাজও পড়া হয়নি। ছেলেমেয়েরা ক্ষুধার জ্বালায় কান্নাকাটি করছে। বেড়িবাঁধের ওপর বসা রাখাইন রাজ্যের বুচিদং এলাকা থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা কামাল আহমদ (৪৫), মনিরা বেগম (৫০) ও রহিম উল্লাহ (৪৮) বলেন, গত কোরবানির ঈদে রাখাইন রাজ্যে ৩০টির বেশি রোহিঙ্গা–অধ্যুষিত গ্রামে কয়েক শ পশু জবাই হয়েছিল। এবার একটিও হয়নি। মিয়ানমারের সেনা ও পুলিশ রোহিঙ্গাদের গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছে। গৃহপালিত পশুসহ সব মালামাল লুট করেছে। রোহিঙ্গাদের কষ্টের ঈদ কাটছে বাংলাদেশের পথঘাটে। ২৪ আগস্ট রাখাইন রাজ্যের ২০টির বেশি সীমান্তচৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু করেছে সেখানকার সেনা ও পুলিশ। দমনপীড়নের মুখে আজ দুপুর পর্যন্ত বাংলাদেশ পালিয়ে এসেছে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা। একই পরিস্থিতির শিকার হয়ে রাখাইন রাজ্য ছেড়েছেন সেখানকার ৪৯৫ জন হিন্দু। তাঁরা অবস্থান করছেন উখিয়ার একটি পরিত্যক্ত মুরগির খামারে। সম্প্রতি রাখাইন রাজ্য থেকে আসা রোহিঙ্গাদের ঈদ কাটছে চরম কষ্টে। পলিথিন ও গাছের লতাপাতা দিয়ে তৈরি ঝুপড়িঘরে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁদের কাটাতে হচ্ছে গৃহবন্দী অমানবিক জীবন। দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের আল জামেয়া মার্কেটে দুই শিশু সন্তান নিয়ে বসে ছিলেন আকলিমা খাতুন (৪০) নামের এক রোহিঙ্গা। একটু দূরে অবস্থান করছে আরও ৫০ জনের রোহিঙ্গা দল। দলের অধিকাংশ সদস্য নারী ও শিশু। উখিয়ার বালুখালী ও কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে যাওয়ার জন্য তাঁরা বাসের অপেক্ষায় আছেন। কিন্তু ঈদের দিন বলে চালকেরা কেউ গাড়ি চালাচ্ছেন না। আকলিমা খাতুন বলেন, ৩০ আগস্ট বিকেলে রাখাইন রাজ্যের সিকদারপাড়াটি ঘিরে ফেলে সেনা ও পুলিশের কয়েক শ সদস্য। এরপর বেপরোয়া গুলিবর্ষণ শুরু করে। রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ চলে। প্রাণভয়ে লোকজন দিগ্‌বিদিক ছুটতে থাকেন। এ সময় মাথায় গুলি লেগে তাঁর স্বামী দিল মোহাম্মদের মৃত্যু হয়। এক ছেলে বেলাল (১৬) পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। ওই রাতেই তিনি ছেলেমেয়েদের নিয়ে টেকনাফ পালিয়ে আসেন। বেলালকে চিকিৎসার জন্য আগে পাঠানো হয়েছে কক্সবাজার। আকলিমার আকুতি—শুধু একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই।
গত বছর ঈদুল আজহার দিনে তিন মণ ওজনের গরু কোরবানি দিয়েছিলেন। আত্মীয়–স্বজনেরা বাড়িতে এসে চালের রুটির সঙ্গে গরুর মাংস খেয়েছেন পেটভরে। ছেলেমেয়েরা মংডু শহরে গিয়ে চার চাকার রিকশায় চড়েছে। আর এখন সেসব স্মৃতি। আজ ঈদের দিনে আশ্রয়ের আশায় টেকনাফের পথে পথে ঘুরতে হচ্ছে। সকালে ছেলেমেয়েরা কলা আর বিস্কুট খেয়েছে। দুপুরে মুখে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। মিয়ানমারের সেনারা ঈদের আনন্দ মাটি করে দিয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাতটার দিকে টেকনাফের ডেইলপাড়া গ্রামে কথাগুলো বললেন সেতারা বেগম (৪৫)। তাঁর বাড়ি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সিকদারপাড়ায়। আগের দিন শুক্রবার রাতে তিনি পরিবারের চার সদস্য নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ ওঠেন। সেখান থেকে রিকশায় যান টেকনাফ। তারপর হেঁটে হেঁটে এই ডেইলপাড়ায়। দুরবস্থার কথা শুনে লোকজন তাঁকে কিছু অর্থ সহায়তাও দেন। সেতারা বেগম বলেন, তাঁরা আরাকানের মুসলমান। এখন যেটাকে ‘রাখাইন রাজ্য’ বলা হচ্ছে, সেটি আসলে ‘আরাকান রাজ্য’। সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার হয়ে আরাকানের মুসলমানদের জন্মভূমি ছাড়তে হচ্ছে। আর ‘রোহিঙ্গা’ বলে হেয় করা হচ্ছে। সব জায়গাতেই তাঁরা পরিস্থিতির ‘শিকার’ বলে দাবি তাঁর। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ঢুকতে এখন রোহিঙ্গাদের কেউ বাধা দিচ্ছে না। যানবাহনে চড়ে এদিক-সেদিক যেতেও সমস্যা হচ্ছে না। সমস্যা শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই ও খাওয়াদাওয়া। টেকনাফের পথে পথে এখন রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা। শাহপরীর দ্বীপ-টেকনাফ সড়কে লাইন ধরে হাঁটছেন রোহিঙ্গারা। কেউ যাচ্ছেন উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরের দিকে। কেউ কেউ ঢুকে পড়ছে গ্রামে। তাঁরা আশ্রয় নিচ্ছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঝোপজঙ্গলে। অসহায় বলে স্থানীয়রা রোহিঙ্গাদের প্রতিরোধ অথবা বাধা দিচ্ছেন না। আজ টেকনাফের প্রতিটা ঈদের জামাতে বিপদাপন্ন রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। নিন্দা জানানো হয় মিয়ানমার সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রতি। সকালে শাহপরীর দ্বীপ সড়ক ও পাশের বেড়িবাঁধের কয়েকটি অংশে বসে ছিলেন কয়েক শ রোহিঙ্গা। তাঁরা আজ ভোরে নৌকায় এখানে পৌঁছেছে। কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন আরও কিছু নৌকার জন্য। কিন্তু নৌকার দেখা মিলছে না। নৌকা আসতে যত দেরি হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক তত বাড়ছে। কারণ, নাফ নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে ৫০ জন রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ আছেন অনেকে। রোহিঙ্গাদের একজন সৈয়দ করিম (৫৫) বলেন, জীবনে এই প্রথম খোলা আকাশের নিচে কোরবানির ঈদ কাটাচ্ছেন। এবার ঈদের নামাজও পড়া হয়নি। ছেলেমেয়েরা ক্ষুধার জ্বালায় কান্নাকাটি করছে। বেড়িবাঁধের ওপর বসা রাখাইন রাজ্যের বুচিদং এলাকা থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা কামাল আহমদ (৪৫), মনিরা বেগম (৫০) ও রহিম উল্লাহ (৪৮) বলেন, গত কোরবানির ঈদে রাখাইন রাজ্যে ৩০টির বেশি রোহিঙ্গা–অধ্যুষিত গ্রামে কয়েক শ পশু জবাই হয়েছিল। এবার একটিও হয়নি। মিয়ানমারের সেনা ও পুলিশ রোহিঙ্গাদের গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছে। গৃহপালিত পশুসহ সব মালামাল লুট করেছে। রোহিঙ্গাদের কষ্টের ঈদ কাটছে বাংলাদেশের পথঘাটে। ২৪ আগস্ট রাখাইন রাজ্যের ২০টির বেশি সীমান্তচৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু করেছে সেখানকার সেনা ও পুলিশ। দমনপীড়নের মুখে আজ দুপুর পর্যন্ত বাংলাদেশ পালিয়ে এসেছে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা। একই পরিস্থিতির শিকার হয়ে রাখাইন রাজ্য ছেড়েছেন সেখানকার ৪৯৫ জন হিন্দু। তাঁরা অবস্থান করছেন উখিয়ার একটি পরিত্যক্ত মুরগির খামারে। সম্প্রতি রাখাইন রাজ্য থেকে আসা রোহিঙ্গাদের ঈদ কাটছে চরম কষ্টে। পলিথিন ও গাছের লতাপাতা দিয়ে তৈরি ঝুপড়িঘরে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁদের কাটাতে হচ্ছে গৃহবন্দী অমানবিক জীবন। দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের আল জামেয়া মার্কেটে দুই শিশু সন্তান নিয়ে বসে ছিলেন আকলিমা খাতুন (৪০) নামের এক রোহিঙ্গা। একটু দূরে অবস্থান করছে আরও ৫০ জনের রোহিঙ্গা দল। দলের অধিকাংশ সদস্য নারী ও শিশু। উখিয়ার বালুখালী ও কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে যাওয়ার জন্য তাঁরা বাসের অপেক্ষায় আছেন। কিন্তু ঈদের দিন বলে চালকেরা কেউ গাড়ি চালাচ্ছেন না। আকলিমা খাতুন বলেন, ৩০ আগস্ট বিকেলে রাখাইন রাজ্যের সিকদারপাড়াটি ঘিরে ফেলে সেনা ও পুলিশের কয়েক শ সদস্য। এরপর বেপরোয়া গুলিবর্ষণ শুরু করে। রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ চলে। প্রাণভয়ে লোকজন দিগ্‌বিদিক ছুটতে থাকেন। এ সময় মাথায় গুলি লেগে তাঁর স্বামী দিল মোহাম্মদের মৃত্যু হয়। এক ছেলে বেলাল (১৬) পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। ওই রাতেই তিনি ছেলেমেয়েদের নিয়ে টেকনাফ পালিয়ে আসেন। বেলালকে চিকিৎসার জন্য আগে পাঠানো হয়েছে কক্সবাজার। আকলিমার আকুতি—শুধু একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরগরম সারা বাংলাদেশ। সর্বসাধারণের ভেতর এ বিষয়ে চলছে কথা চালাচালি। বাদ যাচ্ছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের জ্যৈষ্ঠ অভিনেতারাও। যেমন ওমর সানি। তিনি মায়ানমারের অং সাং সুচির সমালোচনা করে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যেখানে তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে ধিক্কার জানিয়েছেন সুচিকে।
ওমর সানি লিখেছেন: ‘প্রথমেই শুরু করি হিটলারকে দিয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে হিটলার কিন্তু লাশের বিভৎষতা বীভৎসতা দেখা যায়নি। তারপর আসেন লেলিন, মুসলীনি মাঝখানে পৃথিবীতে আরও অনেকের নামই এসেছে। পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভূট্টু তার বীভৎসতা আমরা ছবিতে দেখেছি এবং বাস্তবেও অনেকে দেখেছেন। আপনারা আমার সাথে একমত হবেন কি না, তা আমি জানি না। আমার জানা মতে সবার আগে হত্যা, নিশংসতা, বিভৎষতায় সব চেয়ে এগিয়ে আছেন সুচি। বিশ্ব মুসলিম এবং অন্য ধর্মের সবাই এই রোহিঙ্গাদের বাঁচাবার জন্য জিহাদী যুদ্ধ বলেন, বিবেকের যুদ্ধ বলেন, মানবতার যুদ্ধ বলেন সব যুদ্ধ ঘোষনা করতে হবে। আমরা তখনই হাসব, যখন এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড বন্ধ হবে। হে আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন। এই বীভৎস মৃত্যুর হাত থেকে আমাদের রক্ষা করুন। আজকের এই ঈদের আনন্দের দিনে এই ফরিয়াদ জানাই আপনার কাছে। ধিক্কার ধিক্কার ধিক্কার জানাই এই মানব হত্যাকারী রক্ত পিপাসু সুচিকে।’
প্রিয়
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরগরম সারা বাংলাদেশ। সর্বসাধারণের ভেতর এ বিষয়ে চলছে কথা চালাচালি। বাদ যাচ্ছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের জ্যৈষ্ঠ অভিনেতারাও। যেমন ওমর সানি। তিনি মায়ানমারের অং সাং সুচির সমালোচনা করে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যেখানে তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে ধিক্কার জানিয়েছেন সুচিকে।
ওমর সানি লিখেছেন: ‘প্রথমেই শুরু করি হিটলারকে দিয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে হিটলার কিন্তু লাশের বিভৎষতা বীভৎসতা দেখা যায়নি। তারপর আসেন লেলিন, মুসলীনি মাঝখানে পৃথিবীতে আরও অনেকের নামই এসেছে। পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভূট্টু তার বীভৎসতা আমরা ছবিতে দেখেছি এবং বাস্তবেও অনেকে দেখেছেন। আপনারা আমার সাথে একমত হবেন কি না, তা আমি জানি না। আমার জানা মতে সবার আগে হত্যা, নিশংসতা, বিভৎষতায় সব চেয়ে এগিয়ে আছেন সুচি। বিশ্ব মুসলিম এবং অন্য ধর্মের সবাই এই রোহিঙ্গাদের বাঁচাবার জন্য জিহাদী যুদ্ধ বলেন, বিবেকের যুদ্ধ বলেন, মানবতার যুদ্ধ বলেন সব যুদ্ধ ঘোষনা করতে হবে। আমরা তখনই হাসব, যখন এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড বন্ধ হবে। হে আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন। এই বীভৎস মৃত্যুর হাত থেকে আমাদের রক্ষা করুন। আজকের এই ঈদের আনন্দের দিনে এই ফরিয়াদ জানাই আপনার কাছে। ধিক্কার ধিক্কার ধিক্কার জানাই এই মানব হত্যাকারী রক্ত পিপাসু সুচিকে।’
প্রিয়
সোনারগাঁ উপজেলার দৌলেরবাগ এলাকায় চাচার থাপ্পরে ভাতিজি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।খোজ নিয়ে জানা যায় দৌলেরবাগ এলাকায় বসবাসরত মিঠু এবং আক্তার দুই ভাই একই ফ্লাটে দির্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছিলো। ৩১ আগষ্ট বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা সময় মিঠু এবং আহত শিশু আরিয়া একই সাথে দুষ্টুমি করছিলো দুষ্টমির এক ফাঁকে মিঠু তার ভাতিজি আরিয়াকে আস্তে করে থাপ্পর দিতে চাইলে থাপ্পর জোরে লেগে গেলে সে কাঁদতে কাঁদতে তাদের রুমে চলে,পরে তার মা বিচারের জন্য তার শশুরকে বাড়িতে পাঠায়। এবং শালিস বসিয়ে বিচার করার কথাও শুনা গেছে,মিঠু জানায় আমি তাদের সৎ ভাই তারা আমার বিচার যা করবে আমি তাই মাথা পেতে নেবো,কারন তাদের সন্তানকে থাপ্পর দেওয়ার কোন অধিকার আমার নেই
সোনারগাঁ উপজেলার দৌলেরবাগ এলাকায় চাচার থাপ্পরে ভাতিজি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।খোজ নিয়ে জানা যায় দৌলেরবাগ এলাকায় বসবাসরত মিঠু এবং আক্তার দুই ভাই একই ফ্লাটে দির্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছিলো। ৩১ আগষ্ট বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা সময় মিঠু এবং আহত শিশু আরিয়া একই সাথে দুষ্টুমি করছিলো দুষ্টমির এক ফাঁকে মিঠু তার ভাতিজি আরিয়াকে আস্তে করে থাপ্পর দিতে চাইলে থাপ্পর জোরে লেগে গেলে সে কাঁদতে কাঁদতে তাদের রুমে চলে,পরে তার মা বিচারের জন্য তার শশুরকে বাড়িতে পাঠায়। এবং শালিস বসিয়ে বিচার করার কথাও শুনা গেছে,মিঠু জানায় আমি তাদের সৎ ভাই তারা আমার বিচার যা করবে আমি তাই মাথা পেতে নেবো,কারন তাদের সন্তানকে থাপ্পর দেওয়ার কোন অধিকার আমার নেই
দেশের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। আজ সোমবার (২১ আগস্ট) ৭৫ বছর বয়সে রাজধানীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে সন্ধ্যার দিকে মারা যান তিনি।
নায়ক আব্দুর রাজ্জাক ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি ভারতের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওখানেই তার বেড়ে ওঠা। কয়েক দশকের অভিনয় জীবনে তিনি প্রায় ৩০০টি বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও পরিচালনা করেছেন প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র।
তার প্রযোজনা সংস্থা রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশন থেকে তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু ছবি নির্মাণ করেছিলেন। উল্লেখযোগ্য হলো- আকাঙ্ক্ষা, অনন্ত প্রেম, পাগলা রাজা, বেঈমান, আপনজন, মৌচোর, বদনাম, সত্ ভাই, চাঁপা ডাঙ্গার বৌ, জীনের বাদশা, ঢাকা-৮৬, বাবা কেন চাকর, মরণ নিয়ে খেলা, সন্তান যখন শত্রু, আমি বাঁচতে চাই, কোটি টাকার ফকির প্রভৃতি।
১৯৭২ থেকে ’৮৯ সাল পর্যন্ত রাজ্জাক অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে—স্লোগান, আমার জন্মভূমি, অতিথি, কে তুমি, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, প্রিয়তমা, পলাতক, ঝড়ের পাখি, খেলাঘর, চোখের জলে, আলোর মিছিল, অবাক পৃথিবী, ভাইবোন, বাঁদী থেকে বেগম, সাধু শয়তান, অনেক প্রেম অনেক জ্বালা, মায়ার বাঁধন, গুণ্ডা, আগুন, মতিমহল, অমর প্রেম, যাদুর বাঁশী, অগ্নিশিখা, বন্ধু, কাপুরুষ, অশিক্ষিত, সখি তুমি কার, নাগিন, আনারকলি, লাইলী মজনু, লালু ভুলু, স্বাক্ষর, দেবর ভাবী, রাম রহিম জন, আদরের বোন, দরবার, সতীনের সংসার প্রভৃতি।
অন্ধ বিশ্বাস, সতীনের সংসার, জজসাহেব, বাবা কেন চাকর, পৃথিবী তোমার আমার, বাবা কেন আসামী, মরণ নিয়ে খেলা, কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি, বাপ বেটার লড়াই, পিতার আসন, পিতামাতার, আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা, ভালোবাসার শেষ নেই, ও হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ।
দেশের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। আজ সোমবার (২১ আগস্ট) ৭৫ বছর বয়সে রাজধানীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে সন্ধ্যার দিকে মারা যান তিনি।
নায়ক আব্দুর রাজ্জাক ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি ভারতের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওখানেই তার বেড়ে ওঠা। কয়েক দশকের অভিনয় জীবনে তিনি প্রায় ৩০০টি বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও পরিচালনা করেছেন প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র।
তার প্রযোজনা সংস্থা রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশন থেকে তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু ছবি নির্মাণ করেছিলেন। উল্লেখযোগ্য হলো- আকাঙ্ক্ষা, অনন্ত প্রেম, পাগলা রাজা, বেঈমান, আপনজন, মৌচোর, বদনাম, সত্ ভাই, চাঁপা ডাঙ্গার বৌ, জীনের বাদশা, ঢাকা-৮৬, বাবা কেন চাকর, মরণ নিয়ে খেলা, সন্তান যখন শত্রু, আমি বাঁচতে চাই, কোটি টাকার ফকির প্রভৃতি।
১৯৭২ থেকে ’৮৯ সাল পর্যন্ত রাজ্জাক অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে—স্লোগান, আমার জন্মভূমি, অতিথি, কে তুমি, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, প্রিয়তমা, পলাতক, ঝড়ের পাখি, খেলাঘর, চোখের জলে, আলোর মিছিল, অবাক পৃথিবী, ভাইবোন, বাঁদী থেকে বেগম, সাধু শয়তান, অনেক প্রেম অনেক জ্বালা, মায়ার বাঁধন, গুণ্ডা, আগুন, মতিমহল, অমর প্রেম, যাদুর বাঁশী, অগ্নিশিখা, বন্ধু, কাপুরুষ, অশিক্ষিত, সখি তুমি কার, নাগিন, আনারকলি, লাইলী মজনু, লালু ভুলু, স্বাক্ষর, দেবর ভাবী, রাম রহিম জন, আদরের বোন, দরবার, সতীনের সংসার প্রভৃতি।
অন্ধ বিশ্বাস, সতীনের সংসার, জজসাহেব, বাবা কেন চাকর, পৃথিবী তোমার আমার, বাবা কেন আসামী, মরণ নিয়ে খেলা, কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি, বাপ বেটার লড়াই, পিতার আসন, পিতামাতার, আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা, ভালোবাসার শেষ নেই, ও হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ।
সম্প্রতি সালমান শাহ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রুবি সুলতানার একটি ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। ভিডিও থেকে আলোচনা শুরু হলেও এরপর অনেকবার ফেসবুক লাইভে এসেছেন রুবি সুলতানা। আজ দুপুর ২টার দিকে ফেসবুকে লাইভে আসেন তিনি। এসময় তিনি সালমান শাহের মাকে উদ্দেশ্য করে রুবি বলেন, একটু বিশ্বাস করবেন না ভাবি আমার মাথা খারাপ। আমাকে বেঁচে থাকার জন্য এই নাটক করতে হয়েছে। একমাসের ওপরে আমি কাঁদতে কাঁদতে আমি আর পারছি না। আমি মেনেই নিয়েছি আমি মরে গেছি। আজকে আমার শেষ দিন এই রকম মনে হচ্ছে। আমি এখানে বসে আছি চুপচাপ।  
লাইভে সালমান শাহের মাকে উদ্দেশ্য করে রুবি আরও বলেন, সামিরা বা আমার স্বামী যদি আপনাদের কোনো কাগজপত্র হাসপাতাল থেকে দেয় তাহলে আপনারা বিশ্বাস করবেন না। তখন বলবেন রুবিরে নিয়ে আসো।
কারণ ওরা যে ভাবে চাল-চালিয়েছে ওদের কথা বিশ্বাস করবেন না। আমার স্বামীর পরিকল্পনা ছিল যে আমাকে ভাগাই দিয়ে কোর্টে মেডিকেলের কাগজপত্র দিবে। আমি সমস্ত মেডিকেলের কাগজপত্র নিয়ে এসেছি, আমি আর হাসপাতালে যাচ্ছি না। আজকে গিয়েছিলাম ওর (স্বামী) সঙ্গে ভালোমতো কথা বলে এসেছি, এবং দেখিয়েছি যে ঠিক আছে আমার স্বামী আমার সঙ্গে আছে।  
তিনি বলেন, আমি আমার কনসান দিয়েছি যে কেইসের বেলায় যেতে পারবে। ও যদি কোনও কাগজপত্র দেয় এমনকি সামিরার পক্ষ থেকে যদি কাগজপত্র দেয় তাহলে বিশ্বাস করবেন না ভাবি (নীলা চৌধুরী)। আপনি বলবেন রুবিরে চাই, রুবিরে চাই। আগে বিশ্বাস করেছি এটা আত্মহত্যা, কিন্তু এখন মনে হয় এটা খুনীই। এসময় তিনি বারবার বলেন কোনও কাগজপত্র দিলে বিশ্বাস না করার কথা বলেন।  
নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে রুবি বলেন, আমারে নিয়ে যান ভাবি, আমি রাজসাক্ষী হবো। আর আমার মাথা খারাপ কিনা আপনাদের পরিচিত ঢাকার কোনো ডাক্তার দিয়ে সেটা ইভোলিয়েশন করতে পারেন। আপনি একটু বিশ্বাস করবেন না আমার মাথা খারাপ। আমার মাথা একটুও খারাপ না। আমাকে বেঁচে থাকার জন্য এই নাটক করতে হয়েছে। একমাসের ওপরে আমি কাঁদতে কাঁদতে আমি আর পারছি না। আমি মেনেই নিয়েছি আমি মরে গেছি। আজকে আমার শেষ দিন এই রকম মনে হচ্ছে। আমি এখানে বসে আছি চুপচাপ।  
আবারও নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মানবেন না ভাবি একটুও মানবেন না-যে আমার মাথা খারাপ। আমার মাথা খারাপ না ভাবি। আমার মাথা সুস্থ আছে। আমি ট্যাপে পড়ে আছি এখানে। আমার পাসপোর্ট নেই, সিটিজেনশীপের কাগজ নেই, আমার কিছুই নেই, পুলিশের কাছেও যেতে পারি না। কালকে বাসায় পুলিশ এসেছিল, আমার স্বামীর সামনে আমাকে বলতে হয়েছে যে আমার মাথা খারাপ। আমার কিন্তু মাথা খারাপ না, একটু মাথা খারাপ না। আমি মনে হয় মরেই যাবে।
 
সম্প্রতি সালমান শাহ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রুবি সুলতানার একটি ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। ভিডিও থেকে আলোচনা শুরু হলেও এরপর অনেকবার ফেসবুক লাইভে এসেছেন রুবি সুলতানা। আজ দুপুর ২টার দিকে ফেসবুকে লাইভে আসেন তিনি। এসময় তিনি সালমান শাহের মাকে উদ্দেশ্য করে রুবি বলেন, একটু বিশ্বাস করবেন না ভাবি আমার মাথা খারাপ। আমাকে বেঁচে থাকার জন্য এই নাটক করতে হয়েছে। একমাসের ওপরে আমি কাঁদতে কাঁদতে আমি আর পারছি না। আমি মেনেই নিয়েছি আমি মরে গেছি। আজকে আমার শেষ দিন এই রকম মনে হচ্ছে। আমি এখানে বসে আছি চুপচাপ।  
লাইভে সালমান শাহের মাকে উদ্দেশ্য করে রুবি আরও বলেন, সামিরা বা আমার স্বামী যদি আপনাদের কোনো কাগজপত্র হাসপাতাল থেকে দেয় তাহলে আপনারা বিশ্বাস করবেন না। তখন বলবেন রুবিরে নিয়ে আসো।
কারণ ওরা যে ভাবে চাল-চালিয়েছে ওদের কথা বিশ্বাস করবেন না। আমার স্বামীর পরিকল্পনা ছিল যে আমাকে ভাগাই দিয়ে কোর্টে মেডিকেলের কাগজপত্র দিবে। আমি সমস্ত মেডিকেলের কাগজপত্র নিয়ে এসেছি, আমি আর হাসপাতালে যাচ্ছি না। আজকে গিয়েছিলাম ওর (স্বামী) সঙ্গে ভালোমতো কথা বলে এসেছি, এবং দেখিয়েছি যে ঠিক আছে আমার স্বামী আমার সঙ্গে আছে।  
তিনি বলেন, আমি আমার কনসান দিয়েছি যে কেইসের বেলায় যেতে পারবে। ও যদি কোনও কাগজপত্র দেয় এমনকি সামিরার পক্ষ থেকে যদি কাগজপত্র দেয় তাহলে বিশ্বাস করবেন না ভাবি (নীলা চৌধুরী)। আপনি বলবেন রুবিরে চাই, রুবিরে চাই। আগে বিশ্বাস করেছি এটা আত্মহত্যা, কিন্তু এখন মনে হয় এটা খুনীই। এসময় তিনি বারবার বলেন কোনও কাগজপত্র দিলে বিশ্বাস না করার কথা বলেন।  
নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে রুবি বলেন, আমারে নিয়ে যান ভাবি, আমি রাজসাক্ষী হবো। আর আমার মাথা খারাপ কিনা আপনাদের পরিচিত ঢাকার কোনো ডাক্তার দিয়ে সেটা ইভোলিয়েশন করতে পারেন। আপনি একটু বিশ্বাস করবেন না আমার মাথা খারাপ। আমার মাথা একটুও খারাপ না। আমাকে বেঁচে থাকার জন্য এই নাটক করতে হয়েছে। একমাসের ওপরে আমি কাঁদতে কাঁদতে আমি আর পারছি না। আমি মেনেই নিয়েছি আমি মরে গেছি। আজকে আমার শেষ দিন এই রকম মনে হচ্ছে। আমি এখানে বসে আছি চুপচাপ।  
আবারও নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মানবেন না ভাবি একটুও মানবেন না-যে আমার মাথা খারাপ। আমার মাথা খারাপ না ভাবি। আমার মাথা সুস্থ আছে। আমি ট্যাপে পড়ে আছি এখানে। আমার পাসপোর্ট নেই, সিটিজেনশীপের কাগজ নেই, আমার কিছুই নেই, পুলিশের কাছেও যেতে পারি না। কালকে বাসায় পুলিশ এসেছিল, আমার স্বামীর সামনে আমাকে বলতে হয়েছে যে আমার মাথা খারাপ। আমার কিন্তু মাথা খারাপ না, একটু মাথা খারাপ না। আমি মনে হয় মরেই যাবে।
 

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ই আগষ্ট দোয়া মাহফিল ও কাঙালী ভোজের আয়োজন করেন  জামপুর ইউনিয়নের মা-মনি প্লাষ্টিক কাটিং মিল ও আন্তঃজেলা ট্রাক মালিক সমিতি।
সময় উপস্থিত ছিলেন জামপুর ইউনিয়নের মা-মনি প্লাষ্টিক মিল এর মালিক জনাব মোঃ আলী হোসেন ভুঁইয়া সহ এলাকার অনেক মুরব্বি
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোররাতে ঢাকার ৩২নং ধানমন্ডির বাসভবনে সেনাবাহিনীর একদল তরুণ অফিসার ও জওয়ানদের হাতে শেখ মুজিব সপরিবারে নিহত হন। 
ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।
হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্ত বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।



জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ই আগষ্ট দোয়া মাহফিল ও কাঙালী ভোজের আয়োজন করেন  জামপুর ইউনিয়নের মা-মনি প্লাষ্টিক কাটিং মিল ও আন্তঃজেলা ট্রাক মালিক সমিতি।
সময় উপস্থিত ছিলেন জামপুর ইউনিয়নের মা-মনি প্লাষ্টিক মিল এর মালিক জনাব মোঃ আলী হোসেন ভুঁইয়া সহ এলাকার অনেক মুরব্বি
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোররাতে ঢাকার ৩২নং ধানমন্ডির বাসভবনে সেনাবাহিনীর একদল তরুণ অফিসার ও জওয়ানদের হাতে শেখ মুজিব সপরিবারে নিহত হন। 
ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।
হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্ত বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।


নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এনার্জি বাল্প বিক্রির নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা করছে কিছু দোকানদার,কিছু দোকানে নতুন কোম্পানির বাল্পের প্রচারনা করার জন্য অল্প দামে সাধারন মানুষের কাছে ৬মাসের গ্যারান্টি দেওয়ার কথা বলে বিক্রি করার ১ থেকে দের মাস পর তা কেটে যায়,পরে তা ফেরত দিতে আসলে তারা তা ফেরত দিবেনা বলে জানায়,সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মোগরাপাড়া চৌরাস্তা কাঁচাবাজার এলাকায় কারিমা টেলিকম নামে এক দোকানে এক ব্যক্তির সাথে তর্কবিতর্ক চলতে থাকে,জানতে চাইলে ঐ দোকানদার জানায় নতুন কিছু কোম্পানি আমাদের গ্যারান্টি দেওয়ার কথা বলে আমাদের কাছে বাল্প বিক্রি করে যায়,কিন্তু গ্রাহকের কাছে বিক্রি করার ১ থেকে দের মাস পর কেটে গেলে তা আমাদের কাছে নিয়ে আসে,কিন্তু ঐ কোম্পানির লোকদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু গ্রাহকদের বুঝাতে চাইলে তারা তা না বুঝে উল্টো আমাদের সাথে তর্কবিতর্ক করতে থাকে।
নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এনার্জি বাল্প বিক্রির নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা করছে কিছু দোকানদার,কিছু দোকানে নতুন কোম্পানির বাল্পের প্রচারনা করার জন্য অল্প দামে সাধারন মানুষের কাছে ৬মাসের গ্যারান্টি দেওয়ার কথা বলে বিক্রি করার ১ থেকে দের মাস পর তা কেটে যায়,পরে তা ফেরত দিতে আসলে তারা তা ফেরত দিবেনা বলে জানায়,সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মোগরাপাড়া চৌরাস্তা কাঁচাবাজার এলাকায় কারিমা টেলিকম নামে এক দোকানে এক ব্যক্তির সাথে তর্কবিতর্ক চলতে থাকে,জানতে চাইলে ঐ দোকানদার জানায় নতুন কিছু কোম্পানি আমাদের গ্যারান্টি দেওয়ার কথা বলে আমাদের কাছে বাল্প বিক্রি করে যায়,কিন্তু গ্রাহকের কাছে বিক্রি করার ১ থেকে দের মাস পর কেটে গেলে তা আমাদের কাছে নিয়ে আসে,কিন্তু ঐ কোম্পানির লোকদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু গ্রাহকদের বুঝাতে চাইলে তারা তা না বুঝে উল্টো আমাদের সাথে তর্কবিতর্ক করতে থাকে।

আপত্তিকর, যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল দৃশ্য তৈরির অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশে আলোচিত মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ নিয়ে। ইউটিউবে প্রকাশের ১০ দিনে পরই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়ার জন্য আইনি নোটিশ পেয়েছে ভিডিওটির সম্প্রচারকারীরা। গানটির ভিডিও এবং টিজার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য রবিবার ই-মেইল, ডাক ও কুরিয়ারে প্রকাশক ও গানের মডেল কুসুম সিকদার এবং খালেদ হোসাইন সুজনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন ঢাকার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আফতাব উদ্দিন সিদ্দিকী রাগিব। নোটিশে জানানো হয়েছে, মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ শুরুই হয় 'চোখে আমার তোমার নেশা, শ্বাসে আমার তোমার নেশা, সারা দেহে তোমার নেশা, রগে রগে তোমার নেশা, তোমায় পান করে...জ্ঞান হারাই, হই মাতাল’ এমন সব ‘উত্তেজক শব্দ’ দিয়ে। তার পর একের পর এক 'আপত্তিকর, যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল' দৃশ্যও রয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ভিডিওটিতে ৫টি শাওয়ারের দৃশ্য, ৭টি সুইমিং পুলের দৃশ্য, ১টি শয্যাদৃশ্য ও ৩টি চুম্বন দৃশ্য রয়েছে। এছাড়া গানের কথার সঙ্গে দৃশ্যের কোনও মিল বা সংযোগ নেই। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, অশ্লীল ভিডিও তৈরি প্রকাশনা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা এবং পর্নোগ্রাফি  আইন, ২০১২ এর ৮ ধারামতে দণ্ডনীয় অপরাধ।

এছাড়া দেশটির বিটিআরসি চেয়ারম্যান, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্যসচিবকেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গেছে। তাদেরকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘নেশা’ ভিডিওটি সরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে নোটিশে জানানো হয়েছে। এই নোটিশে ইউটিউব ও অনলাইনে মিউজিক ভিডিও’র  নামে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি ও প্রকাশনা বন্ধে মনিটরিং ও আগামী এক মাসের মধ্যে বিভিন্ন অনলাইনে বিদ্যমান এমন ভিডিওগুলো সরানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের কুসুম সিকদারের মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ চলতি মাসের ৩ তারিখ ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশের পর থেকেই ভিডিওটি নিয়ে গণমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়াতে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। অবশেষে তা গড়ালো হলো আইনি নোটিশে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী রাগিব গনমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘নোটিশ পাঠিয়েছি। অপেক্ষা করছি। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটি না সরালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’

এই বছরের মে মাসে জিৎ-নুসরাত ফারিয়ার 'বস টু' সিনেমার 'আল্লাহ মেহেরবান' শিরোনামের একটি আইটেম গান প্রকাশের পরও খোলামেলা পোশাকের অভিযোগে তা সরিয়ে নেয়ার জন্য আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলে সুপ্রিমকোর্টের এক আইনজীবী। সেই নোটিশের প্রেক্ষিতে গানটির কথা বদল করা হয়েছিল।

 

আপত্তিকর, যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল দৃশ্য তৈরির অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশে আলোচিত মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ নিয়ে। ইউটিউবে প্রকাশের ১০ দিনে পরই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়ার জন্য আইনি নোটিশ পেয়েছে ভিডিওটির সম্প্রচারকারীরা। গানটির ভিডিও এবং টিজার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য রবিবার ই-মেইল, ডাক ও কুরিয়ারে প্রকাশক ও গানের মডেল কুসুম সিকদার এবং খালেদ হোসাইন সুজনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন ঢাকার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আফতাব উদ্দিন সিদ্দিকী রাগিব। নোটিশে জানানো হয়েছে, মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ শুরুই হয় 'চোখে আমার তোমার নেশা, শ্বাসে আমার তোমার নেশা, সারা দেহে তোমার নেশা, রগে রগে তোমার নেশা, তোমায় পান করে...জ্ঞান হারাই, হই মাতাল’ এমন সব ‘উত্তেজক শব্দ’ দিয়ে। তার পর একের পর এক 'আপত্তিকর, যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল' দৃশ্যও রয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ভিডিওটিতে ৫টি শাওয়ারের দৃশ্য, ৭টি সুইমিং পুলের দৃশ্য, ১টি শয্যাদৃশ্য ও ৩টি চুম্বন দৃশ্য রয়েছে। এছাড়া গানের কথার সঙ্গে দৃশ্যের কোনও মিল বা সংযোগ নেই। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, অশ্লীল ভিডিও তৈরি প্রকাশনা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা এবং পর্নোগ্রাফি  আইন, ২০১২ এর ৮ ধারামতে দণ্ডনীয় অপরাধ।

এছাড়া দেশটির বিটিআরসি চেয়ারম্যান, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্যসচিবকেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গেছে। তাদেরকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘নেশা’ ভিডিওটি সরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে নোটিশে জানানো হয়েছে। এই নোটিশে ইউটিউব ও অনলাইনে মিউজিক ভিডিও’র  নামে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি ও প্রকাশনা বন্ধে মনিটরিং ও আগামী এক মাসের মধ্যে বিভিন্ন অনলাইনে বিদ্যমান এমন ভিডিওগুলো সরানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের কুসুম সিকদারের মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ চলতি মাসের ৩ তারিখ ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশের পর থেকেই ভিডিওটি নিয়ে গণমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়াতে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। অবশেষে তা গড়ালো হলো আইনি নোটিশে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী রাগিব গনমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘নোটিশ পাঠিয়েছি। অপেক্ষা করছি। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটি না সরালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’

এই বছরের মে মাসে জিৎ-নুসরাত ফারিয়ার 'বস টু' সিনেমার 'আল্লাহ মেহেরবান' শিরোনামের একটি আইটেম গান প্রকাশের পরও খোলামেলা পোশাকের অভিযোগে তা সরিয়ে নেয়ার জন্য আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলে সুপ্রিমকোর্টের এক আইনজীবী। সেই নোটিশের প্রেক্ষিতে গানটির কথা বদল করা হয়েছিল।

 

তিন দিনের টানা বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে দিনাজপুরে বন্যা দেখা দিয়েছে। পূণর্ভবা নদী ৮০ সেন্টিমিটার এবং আত্রাই নদী ৮৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানির তোড়ে ভেঙ্গে গেছে দিনাজপুরের শহর রক্ষা বাঁধ।
পূণর্ভবা নদীর পানির তোড়ে আজ রবিবার ভোরে মাহুতপাড়া তুত বাগানের কাছে শহর রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে যায়। প্রথমে বিজিবি এবং পরে রংপুর ৬৬ ডিভিশন পদাতিক সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ উদ্ধারকারী টিম বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে ডুবে গেছে শহরের বেশ কিছু এলাকা। দ্রুত গতিতে বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি প্লাবিত হচ্ছে। এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছে শহরবাসী। অনেকে আশ্রয় নিয়েছে নিরাপদ স্থানে।
জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি আজ সকালে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ পরিদর্শন করেছেন। বন্যা দূর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন। অন্যদিকে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার ১৩টি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। দেয়াল চাপা পড়ে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। পাবর্তীপুর-পঞ্চগড় লাইনে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফুলবাড়ী-ঘোড়াঘাট মহাসড়ক ও দিনাজপুর-পাবর্তীপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সড়ক তিন ফুট পানির নীচে রয়েছে। হিলি স্থল বন্দরে ব্যাহত হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। জলাবদ্ধতা আর অতি বর্ষণে সমগ্র জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে অচল অবস্থা। এছাড়াও সদর উপজেলায় ভেঙে গেছে আত্রাই নদীর বাঁধ। জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার রানীগঞ্জে তলিয়ে গেছে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক।
প্রবল বর্ষণে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার পল্লীতে দেয়াল চাপা পড়ে আরোদা রানী দাস (৫০) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। আরোদা রানী দাস, কাহারোল উপজেলার ৬নং রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের নয়াবাদ দাসপাড়া গ্রামের সুধীর চন্দ্র দাসের স্ত্রী বলে জানা গেছে।
লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের ডিআরএম নাজমুল ইসলাম জানান, পার্বতীপুর-পঞ্চগড় রেলপথের নয়নীব্রীজ ও কিসমত রেলস্টেশনের মাঝামাঝি নয়নীব্রীজ এলাকায় ৮শ মিটার রেলপথের উপর দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হওয়ায় পার্বতীপুর-সান্তাহার রেল পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড় রেল স্টেশনে আটকা পড়ে আছে ৮ ডাউন মেইল ট্রেনটি। বন্যার পানি সরে না যাওয়া পর্যন্ত ওই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে তিনি জানান।
এদিকে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি শনিবার বিকেলে দিনাজপুর পৌর এলাকার চাউলিয়াপট্রি সাদুঘাট, রামনগর, লালবাগ এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
তিন দিনের টানা বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে দিনাজপুরে বন্যা দেখা দিয়েছে। পূণর্ভবা নদী ৮০ সেন্টিমিটার এবং আত্রাই নদী ৮৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানির তোড়ে ভেঙ্গে গেছে দিনাজপুরের শহর রক্ষা বাঁধ।
পূণর্ভবা নদীর পানির তোড়ে আজ রবিবার ভোরে মাহুতপাড়া তুত বাগানের কাছে শহর রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে যায়। প্রথমে বিজিবি এবং পরে রংপুর ৬৬ ডিভিশন পদাতিক সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ উদ্ধারকারী টিম বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে ডুবে গেছে শহরের বেশ কিছু এলাকা। দ্রুত গতিতে বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি প্লাবিত হচ্ছে। এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছে শহরবাসী। অনেকে আশ্রয় নিয়েছে নিরাপদ স্থানে।
জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি আজ সকালে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ পরিদর্শন করেছেন। বন্যা দূর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন। অন্যদিকে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার ১৩টি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। দেয়াল চাপা পড়ে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। পাবর্তীপুর-পঞ্চগড় লাইনে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফুলবাড়ী-ঘোড়াঘাট মহাসড়ক ও দিনাজপুর-পাবর্তীপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সড়ক তিন ফুট পানির নীচে রয়েছে। হিলি স্থল বন্দরে ব্যাহত হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। জলাবদ্ধতা আর অতি বর্ষণে সমগ্র জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে অচল অবস্থা। এছাড়াও সদর উপজেলায় ভেঙে গেছে আত্রাই নদীর বাঁধ। জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার রানীগঞ্জে তলিয়ে গেছে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক।
প্রবল বর্ষণে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার পল্লীতে দেয়াল চাপা পড়ে আরোদা রানী দাস (৫০) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। আরোদা রানী দাস, কাহারোল উপজেলার ৬নং রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের নয়াবাদ দাসপাড়া গ্রামের সুধীর চন্দ্র দাসের স্ত্রী বলে জানা গেছে।
লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের ডিআরএম নাজমুল ইসলাম জানান, পার্বতীপুর-পঞ্চগড় রেলপথের নয়নীব্রীজ ও কিসমত রেলস্টেশনের মাঝামাঝি নয়নীব্রীজ এলাকায় ৮শ মিটার রেলপথের উপর দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হওয়ায় পার্বতীপুর-সান্তাহার রেল পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড় রেল স্টেশনে আটকা পড়ে আছে ৮ ডাউন মেইল ট্রেনটি। বন্যার পানি সরে না যাওয়া পর্যন্ত ওই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে তিনি জানান।
এদিকে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি শনিবার বিকেলে দিনাজপুর পৌর এলাকার চাউলিয়াপট্রি সাদুঘাট, রামনগর, লালবাগ এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
ভণ্ডপীর আহসান হাবিব পিয়ার শতাধিক নারীকে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করে তা আবার ভিডিও করে। আর তাকে এ কাজে সহযোগিতা করে তার কয়েকজন সহযোগী। গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে এ কথা স্বীকার করেছে ভণ্ডপীর আহসান হাবিব। শুক্রবার ভণ্ডপীরের দু’দিনের রিমান্ড শেষ হয়েছে। এদিকে ভণ্ডপীরের বাসার কম্পিউটার ও ব্যবহৃত মোবাইল থেকে ২০টির মতো অশ্লীল ভিডিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকি ভিডিওগুলো তার সহযোগীদের কাছে রয়েছে। ওই সহযোগীদের গ্রেফতার ও বাকি ভিডিও উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের কয়েকজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, শুধু নারীদের ভিডিও নয়, ইমোতেও অসংখ্য নারীর সঙ্গে পিয়ারের ‘সেক্সুয়াল চ্যাটিং’ ও ভিডিও ক্লিপ জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া এই প্রতারক ইসলাম প্রচারের নামে নারীদের ব্লাকমেইল করে গত এক বছরে অন্তত ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের (সাইবার ক্রাইম) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দু’দিনের জিজ্ঞাসাবাদে ভণ্ডপীর আহসান হাবিবের নারী কেলেঙ্কারি ও প্রতারণার অনেক তথ্য মিলেছে।’

তিনি বলেন, ‘ভণ্ডপীর যখন নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করত, তখন তা ভিডিও করত তার বেশ কয়েকজন সহযোগী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ নানা পেশার নারীদের কথার জাদুতে ফেলে এসব অপকর্ম চালাত সে। হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে দাওরা হাদিস পড়াশোনা শেষ করে গত তিন বছর ধরে সে এসব অপকর্ম করে আসছে।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, ইসলাম প্রচারের নামে সাহায্য হিসেবে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। ভণ্ডপীর গ্রেফতার হওয়ার পর বেশ কয়েকজন প্রতারিত নারী তথ্য দিতে গোয়েন্দা কার্যালয়ে আসেন। আবার অনেকে ফোনেও ভণ্ডপীরের প্রতারণার বিচিত্র তথ্য দিয়েছেন।

ভণ্ডপীর পিয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন এমন একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে পিয়ার গত তিন বছরে জিন ভূত তাড়ানোর নাম করে ও প্রেমের ফাঁদে ফেলে শতাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। এ কাজে তার বাসা ও উত্তরার কয়েকটি ফ্ল্যাট ব্যবহার করা হয়। উত্তরায় ঘণ্টা চুক্তিতে রুম ভাড়া নিয়ে সে নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে ও কৌশলে ভিডিও ধারণ করেছে। ভিডিওগুলো পরে তার কম্পিউটার ও মোবাইলে রাখে।

জিজ্ঞাসাবাদে পিয়ার ইসলামী ব্যাংকে খোলা তার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। তার অ্যাকাউন্টে গত কয়েক মাসে ২০ লাখ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তার অ্যাকাউন্টের টাকা দেশের বিভিন্ন এলাকা ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো থেকে আসা। ইসলাম প্রচারের অংশী হতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সরল বিশ্বাসে ভণ্ডপীরের অ্যাকাউন্টে টাকাগুলো পাঠিয়েছেন।

এ ছাড়াও বিকাশের মাধ্যমে প্রবাসী ও দেশের লোকদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সে। মূলত ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও ছেড়ে লোকজনের সহানুভূতি অর্জন করত এই প্রতারক। গত কয়েক মাসে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সব মিলিয়ে ৩০ লাখের বেশি টাকা লেনদেন হয়েছে। তার আরও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে কিনা, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

ভণ্ডপীরের প্রতারণার শিকার এক তরুণী জানান, ফেসবুকে তার সঙ্গে ‘পীরের’ পরিচয় হয়। চ্যাটিংয়ের একপর্যায়ে সে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এরপর ইসলাম ও নিজের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেয়।

তিনি বলেন, ‘বুধবার তার গ্রেফতারের খবর শুনি। এই ভণ্ডপীরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। যাতে আর কোনো নারীকে সে এভাবে ক্ষতি করতে না পারে।’

বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভণ্ডপীর আহসান হাবিব পিয়ারকে গ্রেফতার করে কাউন্টার টেরোরিজমের সাইবার ক্রাইম ইউনিট। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঠালে বিচারক তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ভণ্ডপীর আহসান হাবিব পিয়ার শতাধিক নারীকে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করে তা আবার ভিডিও করে। আর তাকে এ কাজে সহযোগিতা করে তার কয়েকজন সহযোগী। গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে এ কথা স্বীকার করেছে ভণ্ডপীর আহসান হাবিব। শুক্রবার ভণ্ডপীরের দু’দিনের রিমান্ড শেষ হয়েছে। এদিকে ভণ্ডপীরের বাসার কম্পিউটার ও ব্যবহৃত মোবাইল থেকে ২০টির মতো অশ্লীল ভিডিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকি ভিডিওগুলো তার সহযোগীদের কাছে রয়েছে। ওই সহযোগীদের গ্রেফতার ও বাকি ভিডিও উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের কয়েকজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, শুধু নারীদের ভিডিও নয়, ইমোতেও অসংখ্য নারীর সঙ্গে পিয়ারের ‘সেক্সুয়াল চ্যাটিং’ ও ভিডিও ক্লিপ জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া এই প্রতারক ইসলাম প্রচারের নামে নারীদের ব্লাকমেইল করে গত এক বছরে অন্তত ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের (সাইবার ক্রাইম) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দু’দিনের জিজ্ঞাসাবাদে ভণ্ডপীর আহসান হাবিবের নারী কেলেঙ্কারি ও প্রতারণার অনেক তথ্য মিলেছে।’

তিনি বলেন, ‘ভণ্ডপীর যখন নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করত, তখন তা ভিডিও করত তার বেশ কয়েকজন সহযোগী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ নানা পেশার নারীদের কথার জাদুতে ফেলে এসব অপকর্ম চালাত সে। হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে দাওরা হাদিস পড়াশোনা শেষ করে গত তিন বছর ধরে সে এসব অপকর্ম করে আসছে।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, ইসলাম প্রচারের নামে সাহায্য হিসেবে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। ভণ্ডপীর গ্রেফতার হওয়ার পর বেশ কয়েকজন প্রতারিত নারী তথ্য দিতে গোয়েন্দা কার্যালয়ে আসেন। আবার অনেকে ফোনেও ভণ্ডপীরের প্রতারণার বিচিত্র তথ্য দিয়েছেন।

ভণ্ডপীর পিয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন এমন একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে পিয়ার গত তিন বছরে জিন ভূত তাড়ানোর নাম করে ও প্রেমের ফাঁদে ফেলে শতাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। এ কাজে তার বাসা ও উত্তরার কয়েকটি ফ্ল্যাট ব্যবহার করা হয়। উত্তরায় ঘণ্টা চুক্তিতে রুম ভাড়া নিয়ে সে নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে ও কৌশলে ভিডিও ধারণ করেছে। ভিডিওগুলো পরে তার কম্পিউটার ও মোবাইলে রাখে।

জিজ্ঞাসাবাদে পিয়ার ইসলামী ব্যাংকে খোলা তার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। তার অ্যাকাউন্টে গত কয়েক মাসে ২০ লাখ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তার অ্যাকাউন্টের টাকা দেশের বিভিন্ন এলাকা ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো থেকে আসা। ইসলাম প্রচারের অংশী হতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সরল বিশ্বাসে ভণ্ডপীরের অ্যাকাউন্টে টাকাগুলো পাঠিয়েছেন।

এ ছাড়াও বিকাশের মাধ্যমে প্রবাসী ও দেশের লোকদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সে। মূলত ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও ছেড়ে লোকজনের সহানুভূতি অর্জন করত এই প্রতারক। গত কয়েক মাসে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সব মিলিয়ে ৩০ লাখের বেশি টাকা লেনদেন হয়েছে। তার আরও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে কিনা, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

ভণ্ডপীরের প্রতারণার শিকার এক তরুণী জানান, ফেসবুকে তার সঙ্গে ‘পীরের’ পরিচয় হয়। চ্যাটিংয়ের একপর্যায়ে সে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এরপর ইসলাম ও নিজের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেয়।

তিনি বলেন, ‘বুধবার তার গ্রেফতারের খবর শুনি। এই ভণ্ডপীরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। যাতে আর কোনো নারীকে সে এভাবে ক্ষতি করতে না পারে।’

বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভণ্ডপীর আহসান হাবিব পিয়ারকে গ্রেফতার করে কাউন্টার টেরোরিজমের সাইবার ক্রাইম ইউনিট। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঠালে বিচারক তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুভ জন্মদিন আদ্রিতা
   
আজ আদ্রিতার ৯তম জন্মদিন । মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অশেষ রহমতে আজ থেকে ৯ বৎসর আগে আজকের এইদিনে খোকা ও তার সহ ধর্মিণী  ডালিয়া লিয়াকতের  সংসার কে আলোকিত করতে যে অমূল্য রত্নটি  উপহার দেন সে রত্মের নামটিই হচ্ছে আদ্রিতা। দেখতে দেখতে অতিবাহিত হতে যাচ্ছে লাবিবা হোসাইন আদ্রিতার নবম  জন্মদিন । প্রতি বৎসরের মতো এবারও মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে কেক কেটে এবং মাদ্রাসার এতিম কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে আদ্রিতা ৯তম জন্মদিন পালন করা হলো ।

৩ আগষ্ট  বাদ জোহর নগরীর আমলাপাড়াস্থ আল মদিনা নূর বক্স হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকার ও বেগম ডালিয়া লিয়াকতের একমাত্র তনয়া লাবিবা হোসাইন আদ্রিতা ৯ম জন্মদিন উৎযাপন করা হয়

শুভ জন্মদিন আদ্রিতা
   
আজ আদ্রিতার ৯তম জন্মদিন । মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অশেষ রহমতে আজ থেকে ৯ বৎসর আগে আজকের এইদিনে খোকা ও তার সহ ধর্মিণী  ডালিয়া লিয়াকতের  সংসার কে আলোকিত করতে যে অমূল্য রত্নটি  উপহার দেন সে রত্মের নামটিই হচ্ছে আদ্রিতা। দেখতে দেখতে অতিবাহিত হতে যাচ্ছে লাবিবা হোসাইন আদ্রিতার নবম  জন্মদিন । প্রতি বৎসরের মতো এবারও মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে কেক কেটে এবং মাদ্রাসার এতিম কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে আদ্রিতা ৯তম জন্মদিন পালন করা হলো ।

৩ আগষ্ট  বাদ জোহর নগরীর আমলাপাড়াস্থ আল মদিনা নূর বক্স হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকার ও বেগম ডালিয়া লিয়াকতের একমাত্র তনয়া লাবিবা হোসাইন আদ্রিতা ৯ম জন্মদিন উৎযাপন করা হয়


সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য আলফা তারকা পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ'র নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ কবির হোসেন।

পাক্ষিক আলফা পত্রিকার ১৭ বছর পর্দাপণ উপলক্ষে এ পদক প্রদান করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট সাহারা খাতুন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদার, দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ এর সম্পাদক মো. আয়নুল হক, বাংলাদেশ পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান এম ইব্রাহিম পাটোয়ারী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পক্ষিক আলফার উপদেষ্টা সম্পাদক জুঁই শায়লা। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন পাক্ষিক আলফার প্রধান সম্পাদক আল আমিন সেলিম।

অনুষ্ঠানে এডভোকেট সাহারা খাতুন বলেন, সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। দেশ এবং জাতির জন্য অকল্যাণ হয় এমন সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে।

মনে রাখতে হবে সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য অভিনেত্রী আনোয়ারাকে আজীবন সম্মাননা, চিত্রনায়িকা শাহানুর, চিত্রনায়ক যুবরাজ, সঙ্গীতে বিশেষ অবদান রাখায় শাহানাজ বেবী, রেডিও জকি কিবরিয়া হাসান, বিজ্ঞাপনে সেলিম রেজা, সমাজ সেবায় সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইফসুফ দেওয়ান, সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় দৈনিক যুগান্তরের সোনারগাঁ উপজেলা স্টাফ রিপোর্টার, আল আমিন তুষার, আইন শৃংখলায় বিশেষ অবদান রাখায় সোনারগাঁ থানার এসআই আবুল কালাম আজাদসহ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় মোট ৪৫ জনকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।