July 2017


সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য আলফা তারকা পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ'র নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ কবির হোসেন।

পাক্ষিক আলফা পত্রিকার ১৭ বছর পর্দাপণ উপলক্ষে এ পদক প্রদান করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট সাহারা খাতুন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদার, দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ এর সম্পাদক মো. আয়নুল হক, বাংলাদেশ পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান এম ইব্রাহিম পাটোয়ারী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পক্ষিক আলফার উপদেষ্টা সম্পাদক জুঁই শায়লা। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন পাক্ষিক আলফার প্রধান সম্পাদক আল আমিন সেলিম।

অনুষ্ঠানে এডভোকেট সাহারা খাতুন বলেন, সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। দেশ এবং জাতির জন্য অকল্যাণ হয় এমন সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে।

মনে রাখতে হবে সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য অভিনেত্রী আনোয়ারাকে আজীবন সম্মাননা, চিত্রনায়িকা শাহানুর, চিত্রনায়ক যুবরাজ, সঙ্গীতে বিশেষ অবদান রাখায় শাহানাজ বেবী, রেডিও জকি কিবরিয়া হাসান, বিজ্ঞাপনে সেলিম রেজা, সমাজ সেবায় সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইফসুফ দেওয়ান, সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় দৈনিক যুগান্তরের সোনারগাঁ উপজেলা স্টাফ রিপোর্টার, আল আমিন তুষার, আইন শৃংখলায় বিশেষ অবদান রাখায় সোনারগাঁ থানার এসআই আবুল কালাম আজাদসহ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় মোট ৪৫ জনকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।


সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য আলফা তারকা পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ'র নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ কবির হোসেন।

পাক্ষিক আলফা পত্রিকার ১৭ বছর পর্দাপণ উপলক্ষে এ পদক প্রদান করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট সাহারা খাতুন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদার, দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ এর সম্পাদক মো. আয়নুল হক, বাংলাদেশ পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান এম ইব্রাহিম পাটোয়ারী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পক্ষিক আলফার উপদেষ্টা সম্পাদক জুঁই শায়লা। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন পাক্ষিক আলফার প্রধান সম্পাদক আল আমিন সেলিম।

অনুষ্ঠানে এডভোকেট সাহারা খাতুন বলেন, সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। দেশ এবং জাতির জন্য অকল্যাণ হয় এমন সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে।

মনে রাখতে হবে সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য অভিনেত্রী আনোয়ারাকে আজীবন সম্মাননা, চিত্রনায়িকা শাহানুর, চিত্রনায়ক যুবরাজ, সঙ্গীতে বিশেষ অবদান রাখায় শাহানাজ বেবী, রেডিও জকি কিবরিয়া হাসান, বিজ্ঞাপনে সেলিম রেজা, সমাজ সেবায় সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইফসুফ দেওয়ান, সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় দৈনিক যুগান্তরের সোনারগাঁ উপজেলা স্টাফ রিপোর্টার, আল আমিন তুষার, আইন শৃংখলায় বিশেষ অবদান রাখায় সোনারগাঁ থানার এসআই আবুল কালাম আজাদসহ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় মোট ৪৫ জনকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

গত ইং ১৫/০৭/২০১৭ তারিখ রাত অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় সোনারগাঁ থানা ডিউটি অফিসারের রুমে সোনারগাঁযের কলেজ পড়ুয়া একজন ছাত্রী প্রবেশ করে ডিউটি অফিসারকে জিজ্ঞাসা করেন এসআই/আজাদ স্যার কি থানায় আছেন ? ডিউটি অফিসার এএসআ্ই/ মনির হোসেন প্রতি উত্তরে জানান স্যার একটু কাজে বাহিরে আছেন। তখন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী বলেন আমি আজাদ স্যারের সাথে ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলার জন্য  থানায় এসেছি, স্যারকে  একটু খবর দিবেন প্লিজ..। কিছুক্ষণ পরেই ডিউটি অফিসারের ফোন আমার মোবাইলে বাজতে শুরু করলো। রিসিভ করা মাত্রই ডিউটি অফিসার আমাকে জানায় স্যার আপনার সাথে দেখা করার জন্য সোনারগাঁয়ের লিপি নামের একজন  ছাত্রী থানায় এসেছেন। ডিউটি অফিসারের ফোনের পরিপ্রেক্ষিতে আমি দ্রুত সময়ের মধ্যেই থানায় ডিউটি অফিসারের রুমে প্রবেশ করা মাত্রই দেখতে পেলাম আমাদের নারী পুলিশ সদস্যরা একজন মেয়ের মাথায় পানি ঠেলে দিচ্ছে।  আমি তখন আমাদের নারী পুলিশ সদস্যেদের কে জিজ্ঞাসা করলাম  মেয়েটির কি হয়েছে, কোথায় থেকে এসেছে, পরিচয় কি? ডিউটি অফিসার  বললেন.... স্যার এই মেয়েটি  তার ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে আপনার কাছে কথা বলার জন্যই এসেছে। কিন্তু একটু কথা বলার মাঝেই হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং বার বার কাঁদে উঠে....। তখন আমি মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলাম আপনার নাম কি..আপনার বাড়ী কোথায়....আপনি কি করেন। উত্তরে সে জানায় স্যার আমার নাম লিপি, আমি এইচ এস সি পাস কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী। আমি আবারো তাকে জিজ্ঞাসা করলাম.... আপনি কি কারনে থানায় এসেছেন, উত্তরে সে জানালো আমি মানসিক সমস্যা সমাধানের জন্যেই  আপনার কাছে এসেছি। আমি  তার কথা শুনে অবাক হয়ে গেলাম..... ছাত্রীটির উদ্দেশ্যে বললাম এতো ডাক্তার থাকতে আমার কাছে কেন ? এটা তো ডাক্তারের কাজ,.  উত্তরে ছাত্রীটি বললো স্যার  সব রোগের সমাধান ডাক্তার সাহেবেরা দিতে পারে না। আমি আরো অবাক হয়ে গেলাম.....কি বলে ছাত্রীটি। আমি তখন তাকে বললাম আপনি বিষয়টি পরিষ্কার করে বলুন তো......ব্যাপারটা কি?  এবার সে তার অন্তরের আবেগ জড়িয়ে কান্না ভেজা চোঁখে বলতে শুরু করলো....স্যার আমি কারো নামে কোন অভিযোগ দিতে থানায় আসিনি। স্যার আমি ফেইস বুকের মাধ্যমেই আপনার সব কর্কমান্ড দেখেছি এবং আপনার সহ  পুলিশের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। তাই আমার ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্যই পুলিশ হিসেবে আপনার দ্বারপ্রান্তে এসেছি। স্যার আমি মহা বিপদে আছি, আমার আর বাঁচতে ইচ্ছে করে না, মাঝে মাঝে আমার আত্মহত্যা করতে মন চায়। তখন আমি তার চোঁখের পানি  দেখে এবং মনের কষ্ট নামের আবেগময়ী কথাগুলো জানার চেষ্টা করি। একপর্যায়ে মেয়েটি  বলতে শুরু করলো.....স্যার আমি ফেইস বুকের মাধ্যমে মাষ্টাস পাস একজন  ছাত্রকে ভালবাসি, সেও আমার ভালবাসায় সাড়া দেয়। এভাবে আমরা প্রায় দুই বছর অতিক্রম হতে যাচ্ছে। কিন্তু ইতিমধ্যেই আমাদের ভালবাসার ব্যাপরটি মা-বাবা টের পায়। এর সুত্র ধরেই পরিবারিক জীবনে নেমে আসে অশান্তি, প্রতি মুহুতেই অবহেলা, ফিস ফিস করে মা-সারাদিন বকুনি দেয়,  স্যার তখন খুব খারাপ লাগে। বাবাও আজ আমাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনেক মন্দ কথা বলেছে। তাই মনটা ভীষন খারাপ, কিছুই ভাল লাগেনা। আমার মনের কথা কাউকে শেয়ার করতে পারছি না। এছাড়াও আমার পরিবারের সকলেই আপনাকে না দেখেই খুব শ্রদ্ধা ও ভক্তি করে।  আপনার দ্বারাই সমস্যা সমাধান হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাছাড়াও ছোট্ট বেলা থেকেই শুনেছি পুলিশ নাকি সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে। তাই আপনার কাছে পরামর্রশ  নেওয়ার জন্য থানায় এসেছি। কারন আমার আত্মীয় স্বজন কারো কাছে এই বিষয় প্রকাশ করতে প্রয়োজন মনে করিনি। আপনাকে আমার একজন বিশ্বাস্ত অভিবাবক মনে করেই থানায় এসেছি। স্যার বলুন এখন আমি কি করতে পারি। মেয়েটির কথা শুনে আমি বড়ই চিন্তিত হয়ে গেলাম, এই সমস্যার সমাধান আমি কি ভাবে দিবো। তবে মনের মাঝে একটি প্রশ্ন উদয় হলো.... একজন কলেজ পড়ুয়া মেয়ে পুলিশের প্রতি এত আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে থানায় এসেছে, সত্যিকার অর্থেই মেয়েটির আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতি  শ্রদ্ধা জানিয়ে  আমাদের নারী পুলিশের সহায়তায় মেয়েটির বাড়ীও পরিবারের সকলের পরিচয় জানতে পারি। এবার মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলাম....আপনি যে থানায় এসেছেন আপনার পরিবারের কাউকে কি বলে এসেছেন কি। উত্তরে সে জানালো স্যার কাউকে কিছু বলে আসিনি, তবে মা হয়ত আমার চিন্তা এতক্ষণে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে গভীর ভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলাম... আমার প্রথম কাজ হবে, মেয়েটিকে আমাদের নারী পুলিশের সহায়তা তার মা-বাবা এবং পরিবারের কাছে পৌছে দেওয়া।  তার পরিবারের সকলের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি জেনে  পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো। এবার মেয়েটিকে অনেক বুঝিয়ে নারী পুলিশের সহায়তায় তার বাড়ীতে উপস্থিত হলাম এবং দেখতে পেলাম পরিবারের সবাই লিপি অনেক খোজা খুজি করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। মেয়েটির মা, মেয়েটির চিন্তায় অসুস্থ্য হয়ে বিছানায় শুয়ে আছে। মেয়েটির ফুফা, মামা, নানা ছটফট করছে। আমাকে দেখা সাথে সাথে সবাই অবাক দৃষ্টি তাকিয়ে আছে আমার দিকে। স্যার এত রাতে আপনি আমাদের বাসায়.....স্যার আর কিছুক্ষণ পরে তো আমরাই থানায় যেতাম.........আমাদের মেয়ে লিপি কে কোথায়ও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি সবাই কে আশ্বস্ত করলাম, আপনাদের আর থানায় যেতে হবে না। আমি লিপিকে খুজে পেয়েছি, লিপি আমার সাথেই আছে। মেয়েটি তার মায়ের সামনে হাজির করলাম, তাকে দেখে পরিবারের সকলের মাঝে শান্তির বাতাস বইতে শুরু করলো। লিপির বিষয়টি পরিবারের সকলের সাথে আলোচনা করলাম এবং পরিবারের সকলকে বিষয়টি সামাজিক ও পারিকারিক ভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য পরামর্ শপ্রদান করি। পরিবারের সকলে আমার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে পৌছে দেওয়ায় পরিবারের সবাই পুলিশ পরিবার কে ধন্যবাদ জানায় এবং সকলে মনের আবেগ প্রকাশ করে বলে ....আজ বুঝতে পারলাম পুলিশ আমাদের সত্যিকার অর্ থেপ্রকৃত বন্ধু............এমন পুলিশই চাই আমাদের প্রতিটি সমাজে।

গত ইং ১৫/০৭/২০১৭ তারিখ রাত অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় সোনারগাঁ থানা ডিউটি অফিসারের রুমে সোনারগাঁযের কলেজ পড়ুয়া একজন ছাত্রী প্রবেশ করে ডিউটি অফিসারকে জিজ্ঞাসা করেন এসআই/আজাদ স্যার কি থানায় আছেন ? ডিউটি অফিসার এএসআ্ই/ মনির হোসেন প্রতি উত্তরে জানান স্যার একটু কাজে বাহিরে আছেন। তখন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী বলেন আমি আজাদ স্যারের সাথে ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলার জন্য  থানায় এসেছি, স্যারকে  একটু খবর দিবেন প্লিজ..। কিছুক্ষণ পরেই ডিউটি অফিসারের ফোন আমার মোবাইলে বাজতে শুরু করলো। রিসিভ করা মাত্রই ডিউটি অফিসার আমাকে জানায় স্যার আপনার সাথে দেখা করার জন্য সোনারগাঁয়ের লিপি নামের একজন  ছাত্রী থানায় এসেছেন। ডিউটি অফিসারের ফোনের পরিপ্রেক্ষিতে আমি দ্রুত সময়ের মধ্যেই থানায় ডিউটি অফিসারের রুমে প্রবেশ করা মাত্রই দেখতে পেলাম আমাদের নারী পুলিশ সদস্যরা একজন মেয়ের মাথায় পানি ঠেলে দিচ্ছে।  আমি তখন আমাদের নারী পুলিশ সদস্যেদের কে জিজ্ঞাসা করলাম  মেয়েটির কি হয়েছে, কোথায় থেকে এসেছে, পরিচয় কি? ডিউটি অফিসার  বললেন.... স্যার এই মেয়েটি  তার ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে আপনার কাছে কথা বলার জন্যই এসেছে। কিন্তু একটু কথা বলার মাঝেই হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং বার বার কাঁদে উঠে....। তখন আমি মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলাম আপনার নাম কি..আপনার বাড়ী কোথায়....আপনি কি করেন। উত্তরে সে জানায় স্যার আমার নাম লিপি, আমি এইচ এস সি পাস কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী। আমি আবারো তাকে জিজ্ঞাসা করলাম.... আপনি কি কারনে থানায় এসেছেন, উত্তরে সে জানালো আমি মানসিক সমস্যা সমাধানের জন্যেই  আপনার কাছে এসেছি। আমি  তার কথা শুনে অবাক হয়ে গেলাম..... ছাত্রীটির উদ্দেশ্যে বললাম এতো ডাক্তার থাকতে আমার কাছে কেন ? এটা তো ডাক্তারের কাজ,.  উত্তরে ছাত্রীটি বললো স্যার  সব রোগের সমাধান ডাক্তার সাহেবেরা দিতে পারে না। আমি আরো অবাক হয়ে গেলাম.....কি বলে ছাত্রীটি। আমি তখন তাকে বললাম আপনি বিষয়টি পরিষ্কার করে বলুন তো......ব্যাপারটা কি?  এবার সে তার অন্তরের আবেগ জড়িয়ে কান্না ভেজা চোঁখে বলতে শুরু করলো....স্যার আমি কারো নামে কোন অভিযোগ দিতে থানায় আসিনি। স্যার আমি ফেইস বুকের মাধ্যমেই আপনার সব কর্কমান্ড দেখেছি এবং আপনার সহ  পুলিশের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। তাই আমার ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্যই পুলিশ হিসেবে আপনার দ্বারপ্রান্তে এসেছি। স্যার আমি মহা বিপদে আছি, আমার আর বাঁচতে ইচ্ছে করে না, মাঝে মাঝে আমার আত্মহত্যা করতে মন চায়। তখন আমি তার চোঁখের পানি  দেখে এবং মনের কষ্ট নামের আবেগময়ী কথাগুলো জানার চেষ্টা করি। একপর্যায়ে মেয়েটি  বলতে শুরু করলো.....স্যার আমি ফেইস বুকের মাধ্যমে মাষ্টাস পাস একজন  ছাত্রকে ভালবাসি, সেও আমার ভালবাসায় সাড়া দেয়। এভাবে আমরা প্রায় দুই বছর অতিক্রম হতে যাচ্ছে। কিন্তু ইতিমধ্যেই আমাদের ভালবাসার ব্যাপরটি মা-বাবা টের পায়। এর সুত্র ধরেই পরিবারিক জীবনে নেমে আসে অশান্তি, প্রতি মুহুতেই অবহেলা, ফিস ফিস করে মা-সারাদিন বকুনি দেয়,  স্যার তখন খুব খারাপ লাগে। বাবাও আজ আমাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনেক মন্দ কথা বলেছে। তাই মনটা ভীষন খারাপ, কিছুই ভাল লাগেনা। আমার মনের কথা কাউকে শেয়ার করতে পারছি না। এছাড়াও আমার পরিবারের সকলেই আপনাকে না দেখেই খুব শ্রদ্ধা ও ভক্তি করে।  আপনার দ্বারাই সমস্যা সমাধান হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাছাড়াও ছোট্ট বেলা থেকেই শুনেছি পুলিশ নাকি সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে। তাই আপনার কাছে পরামর্রশ  নেওয়ার জন্য থানায় এসেছি। কারন আমার আত্মীয় স্বজন কারো কাছে এই বিষয় প্রকাশ করতে প্রয়োজন মনে করিনি। আপনাকে আমার একজন বিশ্বাস্ত অভিবাবক মনে করেই থানায় এসেছি। স্যার বলুন এখন আমি কি করতে পারি। মেয়েটির কথা শুনে আমি বড়ই চিন্তিত হয়ে গেলাম, এই সমস্যার সমাধান আমি কি ভাবে দিবো। তবে মনের মাঝে একটি প্রশ্ন উদয় হলো.... একজন কলেজ পড়ুয়া মেয়ে পুলিশের প্রতি এত আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে থানায় এসেছে, সত্যিকার অর্থেই মেয়েটির আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতি  শ্রদ্ধা জানিয়ে  আমাদের নারী পুলিশের সহায়তায় মেয়েটির বাড়ীও পরিবারের সকলের পরিচয় জানতে পারি। এবার মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলাম....আপনি যে থানায় এসেছেন আপনার পরিবারের কাউকে কি বলে এসেছেন কি। উত্তরে সে জানালো স্যার কাউকে কিছু বলে আসিনি, তবে মা হয়ত আমার চিন্তা এতক্ষণে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে গভীর ভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলাম... আমার প্রথম কাজ হবে, মেয়েটিকে আমাদের নারী পুলিশের সহায়তা তার মা-বাবা এবং পরিবারের কাছে পৌছে দেওয়া।  তার পরিবারের সকলের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি জেনে  পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো। এবার মেয়েটিকে অনেক বুঝিয়ে নারী পুলিশের সহায়তায় তার বাড়ীতে উপস্থিত হলাম এবং দেখতে পেলাম পরিবারের সবাই লিপি অনেক খোজা খুজি করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। মেয়েটির মা, মেয়েটির চিন্তায় অসুস্থ্য হয়ে বিছানায় শুয়ে আছে। মেয়েটির ফুফা, মামা, নানা ছটফট করছে। আমাকে দেখা সাথে সাথে সবাই অবাক দৃষ্টি তাকিয়ে আছে আমার দিকে। স্যার এত রাতে আপনি আমাদের বাসায়.....স্যার আর কিছুক্ষণ পরে তো আমরাই থানায় যেতাম.........আমাদের মেয়ে লিপি কে কোথায়ও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি সবাই কে আশ্বস্ত করলাম, আপনাদের আর থানায় যেতে হবে না। আমি লিপিকে খুজে পেয়েছি, লিপি আমার সাথেই আছে। মেয়েটি তার মায়ের সামনে হাজির করলাম, তাকে দেখে পরিবারের সকলের মাঝে শান্তির বাতাস বইতে শুরু করলো। লিপির বিষয়টি পরিবারের সকলের সাথে আলোচনা করলাম এবং পরিবারের সকলকে বিষয়টি সামাজিক ও পারিকারিক ভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য পরামর্ শপ্রদান করি। পরিবারের সকলে আমার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে পৌছে দেওয়ায় পরিবারের সবাই পুলিশ পরিবার কে ধন্যবাদ জানায় এবং সকলে মনের আবেগ প্রকাশ করে বলে ....আজ বুঝতে পারলাম পুলিশ আমাদের সত্যিকার অর্ থেপ্রকৃত বন্ধু............এমন পুলিশই চাই আমাদের প্রতিটি সমাজে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ পৌরসভার দৈল্যেরবাগ গ্রামে সোমবার অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুবায়েত হায়াত শিপলু ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদের ছয় মাসের কারাদন্ড দেন।সোনারগাঁ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ছামান মিয়া জানান, সোনারগাঁ পৌরসভার দৈল্যেরবাগ গ্রামে সোমবার মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করার সময় রাজিব মিয়া ও আজগর মিয়া নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ইয়াবা সহ গ্রেফতার করা হয়। পরেউপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুবায়েত হায়াত শিপলু ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে ছয় মাস করে কারাদন্ডপ্রদান করেন। মাদক ব্যবসায়ী রাজিব মিয়া সোনারগাঁ পৌরসভার দৈল্যেরবাগ গ্রামের সোয়াব আলীর ছেলে ও আজগর মিয়া একই গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ পৌরসভার দৈল্যেরবাগ গ্রামে সোমবার অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুবায়েত হায়াত শিপলু ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদের ছয় মাসের কারাদন্ড দেন।সোনারগাঁ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ছামান মিয়া জানান, সোনারগাঁ পৌরসভার দৈল্যেরবাগ গ্রামে সোমবার মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করার সময় রাজিব মিয়া ও আজগর মিয়া নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ইয়াবা সহ গ্রেফতার করা হয়। পরেউপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুবায়েত হায়াত শিপলু ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে ছয় মাস করে কারাদন্ডপ্রদান করেন। মাদক ব্যবসায়ী রাজিব মিয়া সোনারগাঁ পৌরসভার দৈল্যেরবাগ গ্রামের সোয়াব আলীর ছেলে ও আজগর মিয়া একই গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।

সোনারগাঁ উপজেলার হাবিবপুর হাফিজিয়া আনোয়ারা মাদ্রাসার ছাত্র সিফাত (১২) নামে এক ছাত্র গোসল করতে গিয়ে বাল্কহেডের পাখার সাথে ধাক্কা লেগে পানিতে ডুবে মারা যায়। প্রতিদিনের মত গতকাল শুক্রবার ১২ টারদিকে অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে মেনীখালী নদীতে গোসল করতে গেলে পানিতে ডুবে যায়। অনেক খোজাখুজির পর  শনিবার উপজেলার মোগরাপাড়া ও পিরোজপুর ইউনিয়নের মেনীখালী ব্রীজের পশ্চিম পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত সিফাতের বাবা ইয়াছিন মিয়াবাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন। মৃত সিফাত কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার নলচর এলাকার ইয়াছিন মিয়ার ছোট ছেলে। প্রত্যাকদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার উপজেলার হাবিবপুর হাফিজিয়া আনোয়ারা মাদ্রাসার ছাত্র সিফাত ও তারবন্ধুরা এক সঙ্গে মেনীখালী নদীতে গোসল করতে যায়। গোসল করার সময় অজ্ঞাত একটি বালুবাহী বল্কহেডের পেছনের পাখার সাঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পানিতে ডুবে যায়। সোনারগাঁও থানার আফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ্ মো. মঞ্জুর কাদের পিপিম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন কারো প্রতি কোন অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মৃত সিফাতের লাশ দাফন করা হয়।

সোনারগাঁ উপজেলার হাবিবপুর হাফিজিয়া আনোয়ারা মাদ্রাসার ছাত্র সিফাত (১২) নামে এক ছাত্র গোসল করতে গিয়ে বাল্কহেডের পাখার সাথে ধাক্কা লেগে পানিতে ডুবে মারা যায়। প্রতিদিনের মত গতকাল শুক্রবার ১২ টারদিকে অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে মেনীখালী নদীতে গোসল করতে গেলে পানিতে ডুবে যায়। অনেক খোজাখুজির পর  শনিবার উপজেলার মোগরাপাড়া ও পিরোজপুর ইউনিয়নের মেনীখালী ব্রীজের পশ্চিম পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত সিফাতের বাবা ইয়াছিন মিয়াবাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন। মৃত সিফাত কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার নলচর এলাকার ইয়াছিন মিয়ার ছোট ছেলে। প্রত্যাকদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার উপজেলার হাবিবপুর হাফিজিয়া আনোয়ারা মাদ্রাসার ছাত্র সিফাত ও তারবন্ধুরা এক সঙ্গে মেনীখালী নদীতে গোসল করতে যায়। গোসল করার সময় অজ্ঞাত একটি বালুবাহী বল্কহেডের পেছনের পাখার সাঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পানিতে ডুবে যায়। সোনারগাঁও থানার আফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ্ মো. মঞ্জুর কাদের পিপিম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন কারো প্রতি কোন অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মৃত সিফাতের লাশ দাফন করা হয়।