November 2018

আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতাদের মধ্যে অন্যতম সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি জনপ্রশাসনমন্ত্রী। তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। তার পক্ষে রাজনীতিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ শাফায়াত ইসলাম। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগছেন। তার ফুসফুসের ক্যান্সার বর্তমানে চতুর্থ স্টেজে আছে। তিনি কাউকেই চিনতে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন তার ছোট ভাই। তার ছোট ভাই বলেন, 'এখন রাজনীতি নয়, তার চিকিৎসার দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।'

রোববার বিকেলে কিশোরগঞ্জে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা জানান। শাফায়াত ইসলাম আরও বলেন, 'ভাইকে নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার ও স্বার্থসিদ্ধির চক্রান্ত হচ্ছে। তাকে নিয়ে অহেতুক গুজব ছড়াবেন না। সবার প্রতি এই অনুরোধ জানাই।' তিনি আরও বলেন, তিন দিন আগে আমি ব্যাংকক থেকে এসেছি। তিনি আমাকে চিনতে পারছেন না, নিজের মেয়েকে পর্যন্ত চিনতে পারছেন না। কাউকেই চিনতে পারছেন না। তিনি গুরুতর অসুস্থ। সৈয়দ শাফায়াত ইসলাম জেলহত্যার দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বলেন, সৈয়দ আশরাফ একজনই। তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্ব্বী। যখন বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা হবে, তখন তিনি বাবা সৈয়দ নজরুলকেও ছাড়িয়ে যাবেন। এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সৈয়দ আশরাফের ভূমিকা জাতি সবসময় মনে রাখবে।

আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতাদের মধ্যে অন্যতম সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি জনপ্রশাসনমন্ত্রী। তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। তার পক্ষে রাজনীতিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ শাফায়াত ইসলাম। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগছেন। তার ফুসফুসের ক্যান্সার বর্তমানে চতুর্থ স্টেজে আছে। তিনি কাউকেই চিনতে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন তার ছোট ভাই। তার ছোট ভাই বলেন, 'এখন রাজনীতি নয়, তার চিকিৎসার দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।'

রোববার বিকেলে কিশোরগঞ্জে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা জানান। শাফায়াত ইসলাম আরও বলেন, 'ভাইকে নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার ও স্বার্থসিদ্ধির চক্রান্ত হচ্ছে। তাকে নিয়ে অহেতুক গুজব ছড়াবেন না। সবার প্রতি এই অনুরোধ জানাই।' তিনি আরও বলেন, তিন দিন আগে আমি ব্যাংকক থেকে এসেছি। তিনি আমাকে চিনতে পারছেন না, নিজের মেয়েকে পর্যন্ত চিনতে পারছেন না। কাউকেই চিনতে পারছেন না। তিনি গুরুতর অসুস্থ। সৈয়দ শাফায়াত ইসলাম জেলহত্যার দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বলেন, সৈয়দ আশরাফ একজনই। তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্ব্বী। যখন বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা হবে, তখন তিনি বাবা সৈয়দ নজরুলকেও ছাড়িয়ে যাবেন। এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সৈয়দ আশরাফের ভূমিকা জাতি সবসময় মনে রাখবে।

পিরোজপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দী গ্রামের খেটে খাওয়া দরিদ্র্য কৃষক নুর মোহাম্মদের একমাত্র মেয়ে লিজা আক্তার (২২) কে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের বড়রায়পাড়া গ্রামের মুনতাজ উদ্দিনের ছেলে আরশ মিয়ার (২৬) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করা হয়।

লিজার বাবা নুর মোহাম্মদ বলেন,আমার মেয়ের স্বামী আরশ মিয়া দুবাই প্রবাসী।গত ১ নবেম্বর বৃহস্পতিবার ছুটিতে বাড়িতে আসার পরের দিন ২ নবেম্বর শুক্রবার আনুষ্ঠানিক ভাবে তার বাড়ির লোকজন সাথে নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে অতি আনন্দের সহিত মধ্যাহ্ন ভোজের পর লিজাকে শশুর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কান্নায় ভেঙ্গে পরে লিজার বাবা বলেন,৫ লক্ষ্য টাকা যৌতুক দিতে পারিনি বলে শুক্রবার রাতেই মেয়ের স্বামী ও তার শাশুরী মোরশেদা বাড়ির লোকজন নিয়ে আমার মেয়ের উপর শারীরিক ভাবে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করার পর গলায় দড়ি বেধে তার বেডরুমে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।

তিনি বলেন আমিও আমার আত্নীয় স্বজনরা খবর পেয়ে লিজার শশুর বাড়িতে যাই,সেখানে যাওয়ার পর লিজাকে মারার কারন জানতে চাইলে লিজার শশুর বাড়ির আত্নীয় ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েলের নির্দেশে উল্টো আমাদের উপর হামলা চালিয়ে ৭/৮ জনকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে।যাদের মধ্যে চেঙ্গাকান্দী গ্রামের সফিক মিয়ার ছেলে শাহজালাল,দেলোয়ারের ছেলে সজীব,রফিক মিয়ার ছেলে ফারুক,দেলোয়ারের স্ত্রী ও লিজার ছোট চাচী প্রিয়াংকা ও নুরুল ইসলামের মেয়ে মুন্নি যাদের হাত-পা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে এবং কারো কারো মাথায় মারাত্মক জখম রয়েছে।

সরেজমিনে,সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দী গ্রামে গিয়ে দেখা যায় লিজার পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
নিহত লিজার বাবা-মায়ের কান্না ও নিহত লিজার স্বজনদের ঘরেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড়রায়পাড়ার প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান,মেয়েটিকে অমানুষিক নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে,তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ও হাতে নিলাফুলা জখমের চিহ্ন দেখা গেছে।

জানতে চাইলে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশীদ সোনারগাঁও সংবাদকে বলেন,নিহত লিজার বাবা নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দিয়েছে,ময়না তদন্তের রিপোর্টের পরই বুঝতে পারবো এটা অপমৃত্যু নাকি খুন।

তিনি বলেন,ময়না তদন্তের রিপোর্টে যদি লিজাকে খুন করার প্রমান পাওয়া যায় তাহলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিরোজপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দী গ্রামের খেটে খাওয়া দরিদ্র্য কৃষক নুর মোহাম্মদের একমাত্র মেয়ে লিজা আক্তার (২২) কে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের বড়রায়পাড়া গ্রামের মুনতাজ উদ্দিনের ছেলে আরশ মিয়ার (২৬) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করা হয়।

লিজার বাবা নুর মোহাম্মদ বলেন,আমার মেয়ের স্বামী আরশ মিয়া দুবাই প্রবাসী।গত ১ নবেম্বর বৃহস্পতিবার ছুটিতে বাড়িতে আসার পরের দিন ২ নবেম্বর শুক্রবার আনুষ্ঠানিক ভাবে তার বাড়ির লোকজন সাথে নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে অতি আনন্দের সহিত মধ্যাহ্ন ভোজের পর লিজাকে শশুর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কান্নায় ভেঙ্গে পরে লিজার বাবা বলেন,৫ লক্ষ্য টাকা যৌতুক দিতে পারিনি বলে শুক্রবার রাতেই মেয়ের স্বামী ও তার শাশুরী মোরশেদা বাড়ির লোকজন নিয়ে আমার মেয়ের উপর শারীরিক ভাবে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করার পর গলায় দড়ি বেধে তার বেডরুমে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।

তিনি বলেন আমিও আমার আত্নীয় স্বজনরা খবর পেয়ে লিজার শশুর বাড়িতে যাই,সেখানে যাওয়ার পর লিজাকে মারার কারন জানতে চাইলে লিজার শশুর বাড়ির আত্নীয় ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েলের নির্দেশে উল্টো আমাদের উপর হামলা চালিয়ে ৭/৮ জনকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে।যাদের মধ্যে চেঙ্গাকান্দী গ্রামের সফিক মিয়ার ছেলে শাহজালাল,দেলোয়ারের ছেলে সজীব,রফিক মিয়ার ছেলে ফারুক,দেলোয়ারের স্ত্রী ও লিজার ছোট চাচী প্রিয়াংকা ও নুরুল ইসলামের মেয়ে মুন্নি যাদের হাত-পা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে এবং কারো কারো মাথায় মারাত্মক জখম রয়েছে।

সরেজমিনে,সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দী গ্রামে গিয়ে দেখা যায় লিজার পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
নিহত লিজার বাবা-মায়ের কান্না ও নিহত লিজার স্বজনদের ঘরেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড়রায়পাড়ার প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান,মেয়েটিকে অমানুষিক নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে,তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ও হাতে নিলাফুলা জখমের চিহ্ন দেখা গেছে।

জানতে চাইলে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশীদ সোনারগাঁও সংবাদকে বলেন,নিহত লিজার বাবা নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দিয়েছে,ময়না তদন্তের রিপোর্টের পরই বুঝতে পারবো এটা অপমৃত্যু নাকি খুন।

তিনি বলেন,ময়না তদন্তের রিপোর্টে যদি লিজাকে খুন করার প্রমান পাওয়া যায় তাহলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।