May 2017

জাতীয় সংসদে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হবে আজ (বৃহস্পতিবার)। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দুপুর দেড়টায় এ প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করবেন। এরপর তা পাস হবে ২৯ জুন।

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার চার লাখ কোটি টাকার উপর হবে। ইতিমধ্যে আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে। এডিপিতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য একনেক মোট ১ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করেছে।

এর মধ্যে মূল এডিপি হচ্ছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। মূল এডিপির সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ থাকবে ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের এডিপির আকার হচ্ছে ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

আগামী অর্থবছরের অনুমোদিত এডিপির মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৯৬ হাজার ৩৩১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ও বৈদেশিক উৎস থেকে ৫৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। গত ১ মে অনুষ্ঠিত পরিকল্পনা কমিশনের বর্ধিত সভায় এডিপির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।

আগামী অর্থবছরের এডিপিতে পরিবহন খাতে ৪১ হাজার ৫৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, বিদ্যুৎ খাতে ১৮ হাজার ৮৫৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, শিক্ষা ও ধর্ম খাতে ১৬ হাজার ৬৭৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা, ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ন খাতে ১৪ হাজার ৯৪৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১৪ হাজার ৪৫০ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হবে।

চলতি অধিবেশন ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। গত মঙ্গলবার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, রমজান মাসে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে অধিবেশন। কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৩ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি থাকবে।

স্পিকার প্রয়োজনে অধিবেশনের মেয়াদ ও সময়সীমা বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। আজ দুপুর দেড়টায় প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন ও আলোচনা শেষে ২৯ জুন তা পাস করা হবে। এ ছাড়া সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর ৪৫ ঘণ্টা আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

জাতীয় সংসদে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হবে আজ (বৃহস্পতিবার)। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দুপুর দেড়টায় এ প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করবেন। এরপর তা পাস হবে ২৯ জুন।

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার চার লাখ কোটি টাকার উপর হবে। ইতিমধ্যে আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে। এডিপিতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য একনেক মোট ১ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করেছে।

এর মধ্যে মূল এডিপি হচ্ছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। মূল এডিপির সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ থাকবে ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের এডিপির আকার হচ্ছে ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

আগামী অর্থবছরের অনুমোদিত এডিপির মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৯৬ হাজার ৩৩১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ও বৈদেশিক উৎস থেকে ৫৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। গত ১ মে অনুষ্ঠিত পরিকল্পনা কমিশনের বর্ধিত সভায় এডিপির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।

আগামী অর্থবছরের এডিপিতে পরিবহন খাতে ৪১ হাজার ৫৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, বিদ্যুৎ খাতে ১৮ হাজার ৮৫৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, শিক্ষা ও ধর্ম খাতে ১৬ হাজার ৬৭৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা, ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ন খাতে ১৪ হাজার ৯৪৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১৪ হাজার ৪৫০ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হবে।

চলতি অধিবেশন ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। গত মঙ্গলবার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, রমজান মাসে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে অধিবেশন। কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৩ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি থাকবে।

স্পিকার প্রয়োজনে অধিবেশনের মেয়াদ ও সময়সীমা বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। আজ দুপুর দেড়টায় প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন ও আলোচনা শেষে ২৯ জুন তা পাস করা হবে। এ ছাড়া সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর ৪৫ ঘণ্টা আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

মুম্বাই: ভারতীয় চলচিত্র জগতের সংজ্ঞাই পাল্টে দিয়েছে ‘বাহুবলী ২’। ছবি মুক্তির এক মাস পরও গোটা বিশ্বের বক্স অফিসে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে বাহুবলীর সিক্যুয়েল। আর সেই দৌলতেই প্রভাস এখন হয়ে উঠেছেন ঘরের ছেলে।

বাহুবলীর মতো স্বামী চেয়ে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনাও করছেন মহিলারা। তেমন স্বামী জুটলেও জুটতে পারে, কিন্তু স্বয়ং ‘বাহুবলী’কে আর পাওয়া যাবে না। কেন জানেন? কারণ শোনা যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন ছবির নায়ক প্রভাস।

২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’-এর সাফল্যের পর থেকেই গোটা দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তেলুগু ছবির অভিনেতা। ‘বাহুবলী ২’-এর পর তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশ ছুঁয়েছে। ইদানীং প্রভাসের বিয়ে নিয়ে বেশ কিছু খবর শিরোনামে উঠে এসেছে। তবে প্রতিবারই দক্ষিণী তারকা জানিয়েছেন, সেসব খবর নেহাতই গুজব। আর এবার সামনে এল একটি নতুন খবর।

দক্ষিণী ছবির জগতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, রাসি সিমেন্টস কোম্পানির মালিকের নাতনির সঙ্গে নাকি সাত পাকে বাঁধা পড়তে পারেন প্রভাস। যদিও তিনি প্রভাসের বান্ধবী নন। শিল্পপতির পরিবারের তরফেই নাকি প্রভাসকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শিল্পপতি ভূপতি রাজার পরিবার প্রভাসের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন। যদিও অভিনেতাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়ে ওই পরিবারের তরফে প্রকাশ্যে কিছু বলা হয়নি। তবে খবর সত্যি হলে যে লক্ষ লক্ষ মহিলা ফ্যানের মন ভেঙে যাবে, তা বলাইবাহুল্য।

সম্প্রতি শোনা গেছে, ‘বাহুবলী ২’-এ প্রভাসের বিপরীতে অভিনয় করাে আনুষ্কা শেঠির সঙ্গেই নাকি ডেট করছেন দক্ষিণী ছবির হার্টথ্রব। অর্থাৎ অনস্ক্রিনের মতো ক্যামেরার পিছনেও বাহুবলী আপাতত মজে দেবসেনার প্রেমেই। এই সংবাদে খুশি হয়েছিলেন তাঁদের অনুগামীরাও। রিল লাইফে তাঁদের রসায়ন এতই মন কেড়েছে, যে রিয়েল লাইফেও তাঁদের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ভক্তরা। কিন্তু নতুন খবরে প্রভাসের বিয়ে নিয়ে ফের শুরু হয়েছে জল্পনা। প্রভাস অবশ্য নিজের বিয়ে নিয়ে মুখ খুলতে চান না।

কাটাপ্পা বাহুবলীকে কেন মেরেছিল, প্রায় দু’বছর পর তার উত্তর মিলেছে। কিন্তু বড়পর্দার অমরেন্দ্র বাহুবলীর গলায় কে শেষমেশ মালা পরাবেন, সে উত্তর কি শীঘ্রই মিলবে?

মুম্বাই: ভারতীয় চলচিত্র জগতের সংজ্ঞাই পাল্টে দিয়েছে ‘বাহুবলী ২’। ছবি মুক্তির এক মাস পরও গোটা বিশ্বের বক্স অফিসে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে বাহুবলীর সিক্যুয়েল। আর সেই দৌলতেই প্রভাস এখন হয়ে উঠেছেন ঘরের ছেলে।

বাহুবলীর মতো স্বামী চেয়ে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনাও করছেন মহিলারা। তেমন স্বামী জুটলেও জুটতে পারে, কিন্তু স্বয়ং ‘বাহুবলী’কে আর পাওয়া যাবে না। কেন জানেন? কারণ শোনা যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন ছবির নায়ক প্রভাস।

২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’-এর সাফল্যের পর থেকেই গোটা দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তেলুগু ছবির অভিনেতা। ‘বাহুবলী ২’-এর পর তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশ ছুঁয়েছে। ইদানীং প্রভাসের বিয়ে নিয়ে বেশ কিছু খবর শিরোনামে উঠে এসেছে। তবে প্রতিবারই দক্ষিণী তারকা জানিয়েছেন, সেসব খবর নেহাতই গুজব। আর এবার সামনে এল একটি নতুন খবর।

দক্ষিণী ছবির জগতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, রাসি সিমেন্টস কোম্পানির মালিকের নাতনির সঙ্গে নাকি সাত পাকে বাঁধা পড়তে পারেন প্রভাস। যদিও তিনি প্রভাসের বান্ধবী নন। শিল্পপতির পরিবারের তরফেই নাকি প্রভাসকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শিল্পপতি ভূপতি রাজার পরিবার প্রভাসের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন। যদিও অভিনেতাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়ে ওই পরিবারের তরফে প্রকাশ্যে কিছু বলা হয়নি। তবে খবর সত্যি হলে যে লক্ষ লক্ষ মহিলা ফ্যানের মন ভেঙে যাবে, তা বলাইবাহুল্য।

সম্প্রতি শোনা গেছে, ‘বাহুবলী ২’-এ প্রভাসের বিপরীতে অভিনয় করাে আনুষ্কা শেঠির সঙ্গেই নাকি ডেট করছেন দক্ষিণী ছবির হার্টথ্রব। অর্থাৎ অনস্ক্রিনের মতো ক্যামেরার পিছনেও বাহুবলী আপাতত মজে দেবসেনার প্রেমেই। এই সংবাদে খুশি হয়েছিলেন তাঁদের অনুগামীরাও। রিল লাইফে তাঁদের রসায়ন এতই মন কেড়েছে, যে রিয়েল লাইফেও তাঁদের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ভক্তরা। কিন্তু নতুন খবরে প্রভাসের বিয়ে নিয়ে ফের শুরু হয়েছে জল্পনা। প্রভাস অবশ্য নিজের বিয়ে নিয়ে মুখ খুলতে চান না।

কাটাপ্পা বাহুবলীকে কেন মেরেছিল, প্রায় দু’বছর পর তার উত্তর মিলেছে। কিন্তু বড়পর্দার অমরেন্দ্র বাহুবলীর গলায় কে শেষমেশ মালা পরাবেন, সে উত্তর কি শীঘ্রই মিলবে?

আগামীকাল পর্দা উঠছে ক্রিকেট দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। উদ্ভোধনী দিনেই মাঠে নামবে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশ। এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেললেও তেমন সুবিধা করতে না পারা বাংলাদেশ এবার ভালো করতে মুখিয়ে আছে। ওভালে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩ টা ৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হবে।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডকে হারানো বাংলাদেশের জন্য নতুন কিছু না। ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপের পর সর্বশেষ ২০১৫ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংলিশদের হারিয়েছে টাইগাররা। রুবেল হোসেনের বলে জেমস অ্যান্ডারসনের বোল্ড এখনো চোখে ভাসে বাংলাদেশীদের। সেই বোল্ডেই বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গিয়েছিলো ইংল্যান্ডের। হয়তো সেই ক্ষত এখনো ভুলতে পারে নি ইংলিশরা। টাইগাররা সেই ম্যাচের পুনরাবৃত্তি করতে প্রস্তুত। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ঘরের মাঠে প্রতিশোধ নেয়া।
তবে দুই দলের শেষ ম্যাচটি সুখকর ছিল না। দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে মাত্র ২০ রানেই ৬ উইকেট হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে ভারতের বিপক্ষে ২২ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অনুশীলন ম্যাচের গ্লানি ভুলে প্রথম ম্যাচের দিকেই তাকিয়ে দুই দল। প্রথম ম্যাচে জিতে টুর্নামেন্ট ভালো সূচনা করতে যেমন চায় ইংল্যান্ড তেমনি জয়ের ধারায় ফিরতে মরিয়া মাশরাফিরা।
বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে শুরুতে ব্রেকথ্রো আনা। ম্যাচ জিততে দলের টপ অর্ডারের ভালো করতে হবে। এছাড়া ডেথ ওভারে ভালো ব্যাটিং ও ভালো বোলিং ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে দুর্দান্ত জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে পারবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ সময় ৩ টা ৩০ মিনিটে খেলাটি শুরু হবে। গাজী টেলিভিশন, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন এবং স্টার স্পোর্টস ম্যাচটি সরাসরি দেখাবে। এছাড়া হটস্টারে লাইভ স্ট্রিমিং খেলাটি দেখা যাবে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশঃ ১। তামিম ইকবাল, ২। সৌম্য সরকার, ৩। সাব্বির রহমান।, ৪। মুশফিকুর রহিম, ৫। সাকিব আল হাসান, ৬। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ৭। মোসাদ্দেক হোসেন, ৮। মেহেদী হাসান মিরাজ, ৯। রুবেল হোসেন, ১০। মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), ১১। মুস্তাফিজুর রহমান।
ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশঃ জেসন রয়, ২। অ্যালেক্স হেলস, ৩। জো রুট, ৪। ইয়ন মরগান (অধিনায়ক), ৫। বেন স্টোকস, ৬। মইন আলী, ৭। জস বাটলার, ৮। আদিল রশীদ, ৯। লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট, ১০। ডেভিড উইলি, ১১। মার্ক উড।
আগামীকাল পর্দা উঠছে ক্রিকেট দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। উদ্ভোধনী দিনেই মাঠে নামবে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশ। এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেললেও তেমন সুবিধা করতে না পারা বাংলাদেশ এবার ভালো করতে মুখিয়ে আছে। ওভালে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩ টা ৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হবে।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডকে হারানো বাংলাদেশের জন্য নতুন কিছু না। ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপের পর সর্বশেষ ২০১৫ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংলিশদের হারিয়েছে টাইগাররা। রুবেল হোসেনের বলে জেমস অ্যান্ডারসনের বোল্ড এখনো চোখে ভাসে বাংলাদেশীদের। সেই বোল্ডেই বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গিয়েছিলো ইংল্যান্ডের। হয়তো সেই ক্ষত এখনো ভুলতে পারে নি ইংলিশরা। টাইগাররা সেই ম্যাচের পুনরাবৃত্তি করতে প্রস্তুত। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ঘরের মাঠে প্রতিশোধ নেয়া।
তবে দুই দলের শেষ ম্যাচটি সুখকর ছিল না। দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে মাত্র ২০ রানেই ৬ উইকেট হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে ভারতের বিপক্ষে ২২ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অনুশীলন ম্যাচের গ্লানি ভুলে প্রথম ম্যাচের দিকেই তাকিয়ে দুই দল। প্রথম ম্যাচে জিতে টুর্নামেন্ট ভালো সূচনা করতে যেমন চায় ইংল্যান্ড তেমনি জয়ের ধারায় ফিরতে মরিয়া মাশরাফিরা।
বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে শুরুতে ব্রেকথ্রো আনা। ম্যাচ জিততে দলের টপ অর্ডারের ভালো করতে হবে। এছাড়া ডেথ ওভারে ভালো ব্যাটিং ও ভালো বোলিং ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে দুর্দান্ত জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে পারবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ সময় ৩ টা ৩০ মিনিটে খেলাটি শুরু হবে। গাজী টেলিভিশন, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন এবং স্টার স্পোর্টস ম্যাচটি সরাসরি দেখাবে। এছাড়া হটস্টারে লাইভ স্ট্রিমিং খেলাটি দেখা যাবে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশঃ ১। তামিম ইকবাল, ২। সৌম্য সরকার, ৩। সাব্বির রহমান।, ৪। মুশফিকুর রহিম, ৫। সাকিব আল হাসান, ৬। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ৭। মোসাদ্দেক হোসেন, ৮। মেহেদী হাসান মিরাজ, ৯। রুবেল হোসেন, ১০। মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), ১১। মুস্তাফিজুর রহমান।
ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশঃ জেসন রয়, ২। অ্যালেক্স হেলস, ৩। জো রুট, ৪। ইয়ন মরগান (অধিনায়ক), ৫। বেন স্টোকস, ৬। মইন আলী, ৭। জস বাটলার, ৮। আদিল রশীদ, ৯। লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট, ১০। ডেভিড উইলি, ১১। মার্ক উড।

হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১ জুন) থেকে দ্বিতীয় ধাপে বাড়তি গ্যাসের দাম কার্যকর হচ্ছে। গত ২৩ ফেব্রয়ারি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তা পর্যায়ে দুই দফায় গ্যাসের দাম বাড়িয়েছিল। সে অনুযায়ী গত ১ মার্চ থেকে প্রথম দফায় গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়। এরপর দ্বিতীয় ধাপের মূল্যবৃদ্ধি বৃহস্পতিবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হচ্ছে।

বিইআরসি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবাসিকে এক চুলার জন্য মাসিক বিল ৯০০ ও দুই চুলার জন্য ৯৫০ টাকা দিতে হবে। প্রতি ঘনমিটার সিএনজির দাম হচ্ছে ৪০ টাকা। এ ছাড়া অন্য সব খাতে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও বাড়ছে। আগামী জুলাই মাস থেকে গ্রাহকদের গ্যাসের জন্য বাড়তি এই অর্থ ব্যয় করতে হবে।

দুই ধাপে তারা ৮ খাতে গড়ে ২২.০৭ শতাংশ দাম বাড়িয়েছিল। প্রথম দফার দাম কার্যকর হলেও আদালতের রায়ে আটকে যায় দ্বিতীয় দফার (১ জুন) দাম। শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ে আবার সে আদেশ স্থগিতও হয়ে যায়।

গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের এই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। আবেদনটি আগামী ৫ জুন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ জুন থেকে দ্বিতীয় দফার বর্ধিত দাম কার্যকর হতে বাধা নেই বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, বিইআরসি বলছে, এই অবস্থায় দ্বিতীয় দফায় গ্যাসের দাম বাড়াতে আর কোনো বাধা নেই।

বিইআরসির আদেশ অনুসারে বৃহস্পতিবার থেকে গৃহস্থালিতে মিটারভিত্তিক গ্যাসের বিল প্রতি ঘনমিটার হবে ১১ টাকা ২০ পয়সা। বাণিজ্যিক গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটারে গুনতে হবে ১৭ টাকা ৪ পয়সা। শিল্পকারখানার ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে হচ্ছে ৯ টাকা ৬২ পয়সা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ঘনমিটারপ্রতি হবে ৩ টাকা ১৬ পয়সা। 

এছাড়া সার কারখানার জন্য গ্যাসের দাম হবে ২ টাকা ৭১ পয়সা। শিল্প উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে বেড়ে হবে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা। চা বাগানে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ঘনমিটার প্রতি বেড়ে ৭ টাকা ৪২ পয়সা হবে।

হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১ জুন) থেকে দ্বিতীয় ধাপে বাড়তি গ্যাসের দাম কার্যকর হচ্ছে। গত ২৩ ফেব্রয়ারি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তা পর্যায়ে দুই দফায় গ্যাসের দাম বাড়িয়েছিল। সে অনুযায়ী গত ১ মার্চ থেকে প্রথম দফায় গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়। এরপর দ্বিতীয় ধাপের মূল্যবৃদ্ধি বৃহস্পতিবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হচ্ছে।

বিইআরসি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবাসিকে এক চুলার জন্য মাসিক বিল ৯০০ ও দুই চুলার জন্য ৯৫০ টাকা দিতে হবে। প্রতি ঘনমিটার সিএনজির দাম হচ্ছে ৪০ টাকা। এ ছাড়া অন্য সব খাতে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও বাড়ছে। আগামী জুলাই মাস থেকে গ্রাহকদের গ্যাসের জন্য বাড়তি এই অর্থ ব্যয় করতে হবে।

দুই ধাপে তারা ৮ খাতে গড়ে ২২.০৭ শতাংশ দাম বাড়িয়েছিল। প্রথম দফার দাম কার্যকর হলেও আদালতের রায়ে আটকে যায় দ্বিতীয় দফার (১ জুন) দাম। শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ে আবার সে আদেশ স্থগিতও হয়ে যায়।

গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের এই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। আবেদনটি আগামী ৫ জুন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ জুন থেকে দ্বিতীয় দফার বর্ধিত দাম কার্যকর হতে বাধা নেই বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, বিইআরসি বলছে, এই অবস্থায় দ্বিতীয় দফায় গ্যাসের দাম বাড়াতে আর কোনো বাধা নেই।

বিইআরসির আদেশ অনুসারে বৃহস্পতিবার থেকে গৃহস্থালিতে মিটারভিত্তিক গ্যাসের বিল প্রতি ঘনমিটার হবে ১১ টাকা ২০ পয়সা। বাণিজ্যিক গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটারে গুনতে হবে ১৭ টাকা ৪ পয়সা। শিল্পকারখানার ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে হচ্ছে ৯ টাকা ৬২ পয়সা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ঘনমিটারপ্রতি হবে ৩ টাকা ১৬ পয়সা। 

এছাড়া সার কারখানার জন্য গ্যাসের দাম হবে ২ টাকা ৭১ পয়সা। শিল্প উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে বেড়ে হবে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা। চা বাগানে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ঘনমিটার প্রতি বেড়ে ৭ টাকা ৪২ পয়সা হবে।

কাশ্মিরিরা এবার যে আন্দোলন শুরু করেছে, ভয়াবহ বিপদে পড়ে গেছে ভারতীয় বাহিনী। ভারত বড় ধরনের শক্তিই প্রয়োগ করেছে, কিন্তু কাশ্মিরিদের দমন করতে পারেনি। পারবে, এমন কোনো আলামতও দেখা যাচ্ছে না। কারণ এমন আন্দোলন আগে কখনো হয়নি কাশ্মিরে। সাধারণ মানুষ যেভাবে রাস্তায় নেমে আসছে, তাদের পাথর নিক্ষেপে এমনই বিপর্যয়ে পড়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে, সমাধানের কোনো পথই খুঁজে পাচ্ছে না।

এমনকি সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিণ রাওয়াত তো বলতে বাধ্য হয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা যদি গুলি ছুড়ত, তবে তাদের কাজ অনেক সহজ হতো। তার এই বক্তব্যে মনে হচ্ছে, ভারত এখন চাচ্ছে, কাশ্মিরিদের স্বাধীনতা আন্দোলনকে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিয়ে তা দমন করার সহজ পথে এগিয়ে যেতে।
কাশ্মিরিরা এখন পর্যন্ত ওই পথে পা বাড়ায়নি। তবে কিছু কিছু ইঙ্গিতে মনে হচ্ছে, বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হতে যাচ্ছে কাশ্মিরি আন্দোলনে।

তবে ভারতের অনেক রাজনীতিবিদ এবং বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, কাশ্মির হাতছাড়া হয়ে গেছে ভারতের। কাশ্মির হয়তো এখনো সামরিক শক্তি দিয়ে ভারত ধরে রেখেছে, কিন্তু নৈতিকভাবে কাশ্মির ভারতের কাছ থেকে আলাদা হয়ে গেছে। সেই বিভাগ-পূর্ব সময়কালেই হোক, ১৯৪৮ সালেই হোক কিংবা আরো পরবর্তীকালের নানা আন্দোলনে কাশ্মিরিদের একটি অংশ ভারত সরকারের সাথে সহযোগিতা করেছিল। এর জোরেই কাশ্মির ছিল ভারতের অংশ। কিন্তু ভারতীয় নেতাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, কাশ্মিরিদের ওপর চেপে বসার কারণে অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। ভারতের নাগপাশ থেকে সরে যাওয়ার ব্যাপারে কাশ্মিরিরা এখন একমত। নরেন্দ্র মোদির আমলে আরো পাশবিক শক্তি প্রয়োগ করতে গিয়ে কাশ্মির থেকে ভারত আরো বেশি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

কাশ্মিরিরা এবার যে আন্দোলন শুরু করেছে, ভয়াবহ বিপদে পড়ে গেছে ভারতীয় বাহিনী। ভারত বড় ধরনের শক্তিই প্রয়োগ করেছে, কিন্তু কাশ্মিরিদের দমন করতে পারেনি। পারবে, এমন কোনো আলামতও দেখা যাচ্ছে না। কারণ এমন আন্দোলন আগে কখনো হয়নি কাশ্মিরে। সাধারণ মানুষ যেভাবে রাস্তায় নেমে আসছে, তাদের পাথর নিক্ষেপে এমনই বিপর্যয়ে পড়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে, সমাধানের কোনো পথই খুঁজে পাচ্ছে না।

এমনকি সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিণ রাওয়াত তো বলতে বাধ্য হয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা যদি গুলি ছুড়ত, তবে তাদের কাজ অনেক সহজ হতো। তার এই বক্তব্যে মনে হচ্ছে, ভারত এখন চাচ্ছে, কাশ্মিরিদের স্বাধীনতা আন্দোলনকে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিয়ে তা দমন করার সহজ পথে এগিয়ে যেতে।
কাশ্মিরিরা এখন পর্যন্ত ওই পথে পা বাড়ায়নি। তবে কিছু কিছু ইঙ্গিতে মনে হচ্ছে, বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হতে যাচ্ছে কাশ্মিরি আন্দোলনে।

তবে ভারতের অনেক রাজনীতিবিদ এবং বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, কাশ্মির হাতছাড়া হয়ে গেছে ভারতের। কাশ্মির হয়তো এখনো সামরিক শক্তি দিয়ে ভারত ধরে রেখেছে, কিন্তু নৈতিকভাবে কাশ্মির ভারতের কাছ থেকে আলাদা হয়ে গেছে। সেই বিভাগ-পূর্ব সময়কালেই হোক, ১৯৪৮ সালেই হোক কিংবা আরো পরবর্তীকালের নানা আন্দোলনে কাশ্মিরিদের একটি অংশ ভারত সরকারের সাথে সহযোগিতা করেছিল। এর জোরেই কাশ্মির ছিল ভারতের অংশ। কিন্তু ভারতীয় নেতাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, কাশ্মিরিদের ওপর চেপে বসার কারণে অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। ভারতের নাগপাশ থেকে সরে যাওয়ার ব্যাপারে কাশ্মিরিরা এখন একমত। নরেন্দ্র মোদির আমলে আরো পাশবিক শক্তি প্রয়োগ করতে গিয়ে কাশ্মির থেকে ভারত আরো বেশি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।


→ হারানো সংবাদ.....
গত ৩০-০৫-২০১৭ইং সকাল ১১ঃ০০ ঘটিকার সময় নিঝুম নামের এই মেয়েটি বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। মেয়েটি প্রতিবন্ধী। ঠিকানা ঠিকমত বলতে পারে না। তার বয়স ১৯ বছর।গায়ের রঙ ফর্সা। পরনে ছিল খয়েরি রঙের জামা ও পায়জামা। তার গ্রামের নাম  গোহাট্টা,থানা সোনারগাঁ, জেলা নারায়নগঞ্জ। যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পান দয়া করে নিম্ন লিখিত নম্বরে যোগাযোগ করবেন।

মোবাইল নাম্বার : ০১৭১৭৩৪৭৮২৪, ০১৭২৫৩৮১৭২৭


→ হারানো সংবাদ.....
গত ৩০-০৫-২০১৭ইং সকাল ১১ঃ০০ ঘটিকার সময় নিঝুম নামের এই মেয়েটি বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। মেয়েটি প্রতিবন্ধী। ঠিকানা ঠিকমত বলতে পারে না। তার বয়স ১৯ বছর।গায়ের রঙ ফর্সা। পরনে ছিল খয়েরি রঙের জামা ও পায়জামা। তার গ্রামের নাম  গোহাট্টা,থানা সোনারগাঁ, জেলা নারায়নগঞ্জ। যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পান দয়া করে নিম্ন লিখিত নম্বরে যোগাযোগ করবেন।

মোবাইল নাম্বার : ০১৭১৭৩৪৭৮২৪, ০১৭২৫৩৮১৭২৭

মো: মিঠু আহমেদ
সোনারগাঁ প্রতিনিধি:
নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
৩১ তারিখ রোজ বুধবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় উপজেলা নির্বাহী মেজিস্ট্রেট মো: শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্ব এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান ফরহাদ,উপজেলা সহকারী (ভুমি) নির্বাহী কর্মকর্তা রুবায়েত হায়াত শিপলু,কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি শেখ শরিফুল ইসলাম,সার্ভেয়ার জামালউদ্দিন সহ আরো অনেকে।