এই ২১ বছর বয়সে অনেক কিছু দেখে ফেলেছেন তিনি।  গতবার মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তাকে মাথায় তুলে রেখেছিল।  আর এবার একটি ম্যাচ খারাপ করতেই মোস্তাফিজের জায়গা হলো ডাগআউটে।  অনেকে হয়তো বলবেন, টিম কম্বিনেশনের কারণে সুযোগ পাননি তিনি।  কিন্তু এও তো ঠিক, যিনি আগেরবার হায়দরাবাদকে চ্যাম্পিয়ন বানাতে বড় ভুমিকা রেখেছেন তাকে তো এক ম্যাচ পর ছুঁরে ফেলে দেয়া উচিৎ হয়নি। 

শুধু শুধু হায়দরাবাদের সাইডবেঞ্চ গরম করতে নিশ্চয় ভালো লাগেনি মোস্তাফিজের! তাই নিজেকে প্রমাণের তাড়না তাঁর মধ্যে ভিষণভাবে কাজ করছিল।  আয়ারল্যান্ডে গিয়ে সেটাই করে দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার।  নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ ওভার বল করে ৩৩ রানের বিনিময়ে তুলে নিয়েছিলেন ২ উইকেট।  শুক্রবার ফিজ আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলেন।  আইরিশদের কাঁপাকাঁপি তুলে শিকার করলেন ৪  উইকেট।  ৯ ওভার বল করে রান দিয়েছেন মাত্র ২৩।  এরমধ্যে বার দুটি মেডেন। 
 
আইপিএলের এলিমিনেটরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) কাছে ডার্কওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৭ উইকেটে হেরে বিদায় নিয়েছে হায়দরাবাদ।  কোচ টম মুডি ও অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার নিশ্চয় মোস্তাফিজের পারফরম্যান্সের খোঁজখবর নিয়েছেন! তাঁর এমন পারফরম্যান্স দেখে তাদের লজ্জাই পাওয়ার কথা। 

গতবার আইপিএল থেকে ফিরে সাসেক্সে খেলতে গিয়ে কাঁধের চোটে পড়েন ফিজ।  লম্বা সময়ের বিরতি দিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে ফিরলেও পুরোনো ছন্দ ফিরে পাননি।  এরপর শ্রীলঙ্কা সফরে আস্তে আস্তে নিজেকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছেন মোস্তাফিজ।  শততম টেস্টে দারুন বোলিং করার পর ওয়ানডে সিরিজেও ভালো করেছিলেন।  এরপর আইপিএলে গিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেলেন।  কিন্তু ভাগ্যের সহায়তা পেলেন না মোস্তাফিজ।  ২.৪ ওভার বল করে দিলেন ৩৪ রান। ওখানেই শেষ হয়ে যায় তাঁর আইপিএল।  একের পর এক ম্যাচ গেছে আর বাংলাদেশের হতাশা বেড়েছে।  মোস্তাফিজের খেলার দিনে সবাই আগ্রহভরে তাকিয়ে থাকতো।  কিন্তু হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজম্যান্ট তাকে সাইডবেঞ্চেই বসিয়ে রাখাকেই সঠিক মনে করেছে।  এখন নিশ্চয় তাঁরাও আফসোস করছেন!

Axact

Axact

Vestibulum bibendum felis sit amet dolor auctor molestie. In dignissim eget nibh id dapibus. Fusce et suscipit orci. Aliquam sit amet urna lorem. Duis eu imperdiet nunc, non imperdiet libero.

Post A Comment:

0 comments: