2019


সোনারগাঁওয়ের  গর্ব ও  ছাত্ররাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের অধিকারী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক উপ-সম্পাদক মোহাম্মদ হোসাইন এ মন্তব্য  করেন উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা।  সম্প্রতি সোনারগাঁওয়ের ছেলে ঠিকাদার জিকে শামীম র‍্যাব কর্তৃক আটক হওয়ার পর ফেসবুক ও  কিছু ইলেকট্রনিক মিডিয়া জিকে শামীমের সাথে তার ছবি উঠানোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন।
জানা যায়,  মোহাম্মদ হোসাইন  ২০০৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার  ইন্সটিটিউট ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হোন।  সে থেকেই তিনি আওয়ামীলীগের ছাত্ররাজনীতিতে জড়িত হয়।  রাজনীতিতে আসার পর থেকে তিনি ক্লিন ইমেজের অধিকারী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।  তার বলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের মেহেদী - শরীফ কমিটির সহ-সভাপতি পদ লাভ করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।সম্প্রতি হয়ে যাওয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিতে সাধারণ-সম্পাদক পদ প্রার্থী ছিলেন ।  কিন্তু সঠিকভাবে বিবেচনা না করার কারনে শোভন-রাব্বানীর কমিটিতে তাকে গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক উপ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়।
সম্প্রতিঘটে যাওয়া বিষয়টি নিয়ে ছাত্রলীগের এই নেতার কাছে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন,  "আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করি আর ভবিষ্যতেও করে যাবো যতদিন পর্যন্ত আমার শিরায় শিরায় রক্ত চলাচল করবে।  আমি কোনো ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করি না।  আমি সব সময় সোনারগাঁওয়ের মঙ্গল কামনা করেছি যেহেতু এখানেই আমার জন্ম আর মৃত্যুর পরে এখানেই আমাকে দাফন করা হবে।  রাজনীতি করতে গেলে শত্রু মিত্র সবার সাথেই বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করতে হয়। যেহেতু আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতা সে হিসেবে অনেক আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের সাথেই  সম্পর্ক। সেই প্রেক্ষিতেই জিকে শামীমকে সোনারগাঁওয়ের ছেলে আবার যেহেতু আমিও একই উপজেলার বাসিন্দা সেই কারনেই উনার সাথে আমার বিভিন্ন সময় দেখা হতো।  এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।  কিন্তু সম্প্রতি একশ্রেনীর কুচক্রীমহল সোনারগাঁওবাসীর কাছে আমাকে খারাপ বানানোর জন্য সোস্যাল মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে বিভিন্নভাবে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছে। এই জন্য আমি সোনারগাঁওবাসীকে বলবো আমি সোনারগাঁওয়ের উন্নয়ন চাই কোনো ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করি না।আমি সব সময় ন্যায়ের পাশে ছিলাম ও আছি।  "
ছাত্রলীগের এই কেন্দ্রীয়  নেতা বর্তমানে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম এন্ড ফটোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টে পড়াশোনা করছেন, পাশাপাশি তার নিজ এলাকায় জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে নারায়ণগন্জ-৩ আসনের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।


নারায়নগঞ্জ সোনারগাঁয়ে বিয়ে পাগল যৌতুক লোভী লম্পট স্বামীর কারনে ভবিষ্যৎ স্বপ্ন থেকে বিলীন হয়ে গেল দুই কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীর। সরেজমিনে জানা যায়, পৌরসভার দরপত এলাকার আবুল কাসেমের পুত্র লম্পট ইউছুফের সাথে সনমান্দী ইউনিয়ন চেঙ্গাকান্দী গ্রামের সৌদী প্রবাসী ইসহাক মিয়ার কন্যা কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী তামান্নার(১৯) সাথে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে পরিবারের পক্ষ থেকে ইউছুফকে খাট,আলমারি,সুকেস ও স্বর্ন গয়না সহ প্রায় দুই লক্ষ টাকার আসবাবপত্র প্রদান করে। তাতে মন ভরেনি যৌতুক লোভী স্বামী ইউছুফ ও তার পরিবারের। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই স্বামির পরিবারের পক্ষ থেক শুরু হয় তামান্নার উপর অত্যাচার। ফলে যৌতুক লোভী লম্পট ইউসুফের শারীরিক ও মানসিক  যন্ত্রনা সইতে না পেরে উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকার জামাল প্রধান গং বিয়ে বিচ্ছেদের ব্যবস্থা করেন। এদিগে বিয়ে বিচ্ছেদের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো একই এলাকার চেঙ্গাকান্দী গ্রামের দিন মজুর কলেজ পড়ুয়া আয়নাল হকের মেয়ে সাদিয়াকে(২০) বিয়ে করে। বিয়ের সময় সাদিয়ার পিতা মেয়ের সুখের কথা ভেবে লম্পট যৌতুকলোভী স্বামী ইউছুফকে আসবাবপত্র ও স্বর্ন গয়না সহ প্রায় তিন লক্ষ টাকার সরন্জাম প্রদান করে। তাতে মন ভরেনি আবুল কাসেমের পুত্র ইউছুফের। বিয়ের পর থেকেই দ্বিতীয়  স্ত্রী সাদিয়াকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করতে থাকে। ফলে বিয়ের একমাস যেতে না যেতেই দ্বিতীয় বিয়ের বিচ্ছেদ ঘটে। এ ব্যাপারে কলেজ পড়ুয়া তামান্না,সাদিয়ার সাথে কথা বললে তারা জানায় কার সাথে ঘর সংসার করব। যে স্বামীর পুরুষ ক্ষমতাই নেই তার সাথে সংসার করা না করা সমান। তাছাড়া সে একজন লম্পট ও যৌতুকলোভী। তামান্না জানায় আমি সবে মাত্র ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। জীবনে স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া করে দেশের সেবা করব। কিন্তু কুসংস্কার অন্ধকার সমাজ আর যৌতুকলোভী স্বামী সেই স্বপ্নকে ভেঙ্গে দিল। সাদিয়ার ভাষ্য ও তাই। তার মতে একজন যৌতুকলোভী বেরাইম্মা স্বামী ইউছুফের কারনে মাত্র আট মাসের ব্যবধানে আজ আমাদের দুইটি জীবনের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে গেল। ইচ্ছে ছিল লেখাপড়া করে অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটাব। কিন্তু তা আর হলো না। সমাজে যার কাছেই যাই সবাই লম্পট যৌতুকলোভী ইউছুফের টাকার কাছে বিক্রি। চলার পথে সমাজের কিছু লোকজন আলোচনা সমালোচনা করে। কারো কথার প্রতিবাদ করতে পারিনা। তাই আজ আমাদের মত দুজন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীর জীবন যার কারনে নষ্ট হয়েছে তার যেন সুষ্ঠ বিচার হয়। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন একজন মেয়ে হয়ে যেন আপনার মাধ্যমে আমাদের সুবিচার পাই। তাছাড়া তামান্না সাদিয়ার নিকট থেকে লম্পট ইউছুফ যে আসবাবপত্র নিয়েছে তা ফেরত পর্যন্ত দেয়নি। সে সকল আসবাবপত্র ও ফেরত চায় তামান্না সাদিয়ার পরিবার।

সোনারগাঁ পৌরসভার দৈলেরবাগ এলাকায় জোসনা নামে কে এই মহিলা?
যার দিনরাত কেটে যায় দৌলেরবাগ এলাকায় কিছু লোকের সাথে
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় জোসনা নামে ঐ মহিলাটি সেখানে থাকা কিছু স্থানীয় লোকদের সাথে নদীরপার বালুর মাঠে নেশায় মগ্ন থাকে,এবং বিভিন্ন সময় অসামাজিক কার্জকালাপ করে সে,
সেখানে থাকা কিছু লোকের সাথে কথা বলে জানা যায়,দিন রাত এই মহিলাটি দৈলেরবাগ এলাকায় বিভিন্ন চায়ের দোকানে বসে থাকে পরনে তেমন কোন ভাল কাপড় থাকেনা,মুখে অস্লীল কথাবার্তা বলে এবং সন্ধ্যা হলে স্থানীয় নদীরপার বালুর মাঠে চলে গাঁজা সেবনের আড্ডা,যা চোখে দেখলেও এলাকার কিছু লোকের সাথে চলাফেরা করার কারনে ভয়ে কিছু বলেনা,জানা যায় জোসনা নামের ঐ মহিলার বাড়ি বলাকীচর এলাকায়,
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় ময়লার ভাগাড়ে বৃক্ষরোপন করলেন সোনারগাঁ থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ।

৬ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেলে ৬শ ফলজ, বজন, ওষুধী ও ফুলের চারা রোপন করেন। বৃক্ষরোপনে প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ অঞ্চল) খোরশেদ আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনারগাঁও থানার ওসি মনিরুজ্জামান সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) আবুল কালাম আজাদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকার বাজারের বর্জগুলো এ স্থানে ফেলে ভাগাড়ে পরিণত করে। ফলে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থী ও পরিবহন যাত্রীদের চলাচলে বেশ সমস্যায় পড়তে হতো। বিভিন্ন গনমাধ্যম এ ময়লার ভাগাড় নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও এ বিষয়ে তেমন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে এ সড়কে চলাচলকারীরা বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছে। বিষয়টি আমার নজরে এলে আমি ময়লার ভাগাড়ে ময়লা না ফেলার জন্য প্রথমে বাঁশের বেড়া দিয়ে জায়গাটি সুরক্ষিত করি। পরে ভেকু দিয়ে রাস্তা থেকে ময়লা সরিয়ে ময়লা থেকে উৎপাদিত গ্যাসগুলো ছাড়িয়ে ময়লার ভাগাড়ে পুরো করে মাটি ফেলা হয়। পরে গতকাল মঙ্গলবার ওই ময়লার ভাগাড়ে ৬ শ ফলজ, বজন, ওষুধী ও ফুলের চারা রোপন করা হয়।

এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মানুষের ভোগান্তি শেষ হলো। আমাদের প্রত্যাশিত আশা পূরন হতে চলছে। যে স্থান দিয়ে চলাচল করতে হলে নাক ও মুখ চেপে ধরে চলতে হতো। এ স্থানে এখন আর নাক ও মুখ চেপে ধরে আসতে হয় না। পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতার কারনে এখন আর এ স্থানে কেউ ময়লা ফেলে না।
                                    বিবেক!
                             
কাউকে কখনো ছোট করে দেখা ঠিক না
যা আমি কখনো করিনি।

প্রতিটা বাবার কাছেই তার সন্তান অমুল্য রতন
সেই অমুল্য রতনকে যদি কেউ তুচ্ছ ভেবে দূরে ঠেলে দেয় তখন পৃথিবীর সকল কষ্ট তার বাবার বুকে আছড়ে পরে।
তেমনি এক ঘটনার বিবরন দিলাম........................
২৮ জুলাই এক বাবার রাজকন্যার জন্মদিন ছিলো
ধুমধাম করে নয়,মসজিদের ইমাম সাহেব কে এনে দোয়া পরানো হলো,সেখানে উপস্থিত ছিলো সমাজের অনেক উচু গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও চাচ্চুরা,সেই রাজকন্যার ছিলো আদি যুগের এক কাকা,আরেকটা কথা বলে রাখি আমাদের বর্তমান সমাজে কাকার চাইতে চাচ্চুদের মুল্যয়ন একটু বেশীই করা হয়।
যাইহোক সেই কাকার আবার ছিলো একটি রাজকন্যা যে নিজের চাইতে তার রাজকন্যাকে অনেক বেশী ভালোবাসে।
সেই জন্মদিনে রাজকন্যাকে না বলে বলা হলো সেই কাকাকে,
কাকার মনে একটু কষ্ট আমার পরিবারের কাউকে না বলে আমাকে বলা হলো,যাইহোক রাজকন্যা তো যাবেই কষ্ট সব ভুলে গেলো,
দিন পেরিয়ে সন্ধ্যা সন্ধ্যা শেষে রাত,কাকাকে ফোন দেওয়া হলো আসতে দেরি হওয়ায় কাকা বললো আসতে একটু দেরি হবে,অনেক দেরি হওয়ায় কাকা বাসায় চলে এসে দেখে তার রাজকন্যাকে তারা তাদের অনুষ্ঠানে বলেই নি এবং একটু কেক আর বিরিয়ানি দিয়ে গেছে,যা দেখে রাজকন্যা কান্নাজরিত কন্ঠে তার বাবাকে বলে সেই রাজকন্যা কেক কেটেছে আমি কেন যাইনি?
বাবার চোখে জ্বল! কি উত্তর দেবে বাবা? তাকে বুঝিয়ে বলা হলো তোমার জন্য অনেক বড় একটি কেক আনবো,ফেলে দেওয়া হলো সেই কেক যা তারা দিয়ে গিয়েছিলো,এই রাজকন্যাকে সেই রাজকন্যার বাড়িতে কেন নেওয়া হয়নি জানেন? কারন সেই রাজকন্যা কথা বলতে পারেনা বলে এই রাজকন্যা চাচ্চুদের সামনে গেলে তাদের সম্মানহানি হবে।
ধিক্কার জানাই সেই সব শিক্ষকদের যারা এমন শিক্ষার্থীকে এই শিক্ষায় শিক্ষিত করেছে,

মনে রাখবেন কারো বাড়িতে বেড়াতে গেলে আপনার কোলে যদি শিশু থাকে তাহলে সবার আগে আপনাকে নয় আপনার সন্তানকেই তারা আদর করে বুকে টেনে নিবে
জানিনা গল্পটি কার কেমন লেগেছে তবে আমার চোখের জ্বল ধরে রাখতে পারিনি।

লেখক: মো: মিঠু আহমেদ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে রায়হান (২৫) নামের এক যুবক জনতার হাতে ধরা পরলে গনধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের বৈদ্যেরবাজার ঘাট সংলগ্ন আল-মোস্তফা গ্রুপ অব কোম্পানির সামনে কাঁচাবাজার এলাকায়।
৪ আগস্ট (রবিবার) বিকেল সারে ৫ ঘটিকার সময় আল-মোস্তফা গ্রুপ অব কোম্পানির শ্রমিক মুন্সীগঞ্জ মুক্তারপুর ইউনিয়নের চান্দেরচর গ্রামের শাহজাহানের ছেলে রায়হান বৈদ্যেরবাজার কাঁচাবাজারের পিছনে সাতভাইয়াপাড়া গ্রামে ঢুকে নান্নু হাজির বাড়ির পাশে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক দুই ঘরের ফাঁকা যায়গায় টেনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এ সময় কিশোরীর ডাক-চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ধর্ষণের চেষ্টাকারী রায়হানকে আটক করে গণধোলাই দেয়।পরে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামানকে মোবাইল ফোনে জনানোর পর এস আই পংকজ ও তার সহকর্মী মোনিন এসে রায়হানকে জনতার হাত থেকে থানায় নিয়ে যায়।ধর্ষণের চেষ্টাকারী রায়হান উপস্থিত সাংবাদিক ও জনতার সামনে তার অপরাধ শিকার করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি সোনারগাঁও সংবাদকে বলেন, ধর্ষণকারীকে থানায় নিয়ে গেলেও ওই কিশোরীর বাড়ি থেকে এখনো কেউ অভিযোগ করতে থানায় যেতে পারছেনা, কারন রায়হান বৈদ্যেরববাজার এলাকার আল-মোস্তফা কোম্পানির দালাল গনি মিয়ার শেলক।তারা বলেন, কিশোরীর পরিবার থানায় যাওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে।
এব্যপারে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করতে থানায় আসেনি, যদি কেউ আসে অবশ্যই অভিযোগ নেয়া হবে।
ওসি আরো বলেন,গণধোলাইয়ের পর জনগনের হার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সুতরাং যদি কেউ কিশোরীর পরিবারকে অভিযোগ করতে থানায় আসতে বাধা দেয় প্রয়োজনে যতবড় দাপুটে লোক হোক তাকেসহ ব্যবস্থা নেবো।
জানতে চাইলে কিশোরীর মা বলেন, আমরা গরীব মানুষ, যদি থানায় গিয়ে মামলা করি তাহলে আমাদের সমস্যা হবে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গ্রেফতারের পর সোনারগাঁ থানার এস আই পংকজ আবারও ওই এলাকায় অবস্থান করছেন,তিনি বলেন বিষয়টি দেখছি কি করা যায়।