নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে রায়হান (২৫) নামের এক যুবক জনতার হাতে ধরা পরলে গনধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের বৈদ্যেরবাজার ঘাট সংলগ্ন আল-মোস্তফা গ্রুপ অব কোম্পানির সামনে কাঁচাবাজার এলাকায়।
৪ আগস্ট (রবিবার) বিকেল সারে ৫ ঘটিকার সময় আল-মোস্তফা গ্রুপ অব কোম্পানির শ্রমিক মুন্সীগঞ্জ মুক্তারপুর ইউনিয়নের চান্দেরচর গ্রামের শাহজাহানের ছেলে রায়হান বৈদ্যেরবাজার কাঁচাবাজারের পিছনে সাতভাইয়াপাড়া গ্রামে ঢুকে নান্নু হাজির বাড়ির পাশে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক দুই ঘরের ফাঁকা যায়গায় টেনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এ সময় কিশোরীর ডাক-চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ধর্ষণের চেষ্টাকারী রায়হানকে আটক করে গণধোলাই দেয়।পরে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামানকে মোবাইল ফোনে জনানোর পর এস আই পংকজ ও তার সহকর্মী মোনিন এসে রায়হানকে জনতার হাত থেকে থানায় নিয়ে যায়।ধর্ষণের চেষ্টাকারী রায়হান উপস্থিত সাংবাদিক ও জনতার সামনে তার অপরাধ শিকার করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি সোনারগাঁও সংবাদকে বলেন, ধর্ষণকারীকে থানায় নিয়ে গেলেও ওই কিশোরীর বাড়ি থেকে এখনো কেউ অভিযোগ করতে থানায় যেতে পারছেনা, কারন রায়হান বৈদ্যেরববাজার এলাকার আল-মোস্তফা কোম্পানির দালাল গনি মিয়ার শেলক।তারা বলেন, কিশোরীর পরিবার থানায় যাওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে।
এব্যপারে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করতে থানায় আসেনি, যদি কেউ আসে অবশ্যই অভিযোগ নেয়া হবে।
ওসি আরো বলেন,গণধোলাইয়ের পর জনগনের হার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সুতরাং যদি কেউ কিশোরীর পরিবারকে অভিযোগ করতে থানায় আসতে বাধা দেয় প্রয়োজনে যতবড় দাপুটে লোক হোক তাকেসহ ব্যবস্থা নেবো।
জানতে চাইলে কিশোরীর মা বলেন, আমরা গরীব মানুষ, যদি থানায় গিয়ে মামলা করি তাহলে আমাদের সমস্যা হবে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গ্রেফতারের পর সোনারগাঁ থানার এস আই পংকজ আবারও ওই এলাকায় অবস্থান করছেন,তিনি বলেন বিষয়টি দেখছি কি করা যায়।
Axact

Axact

Vestibulum bibendum felis sit amet dolor auctor molestie. In dignissim eget nibh id dapibus. Fusce et suscipit orci. Aliquam sit amet urna lorem. Duis eu imperdiet nunc, non imperdiet libero.

Post A Comment:

0 comments: