দেশের সার্থে, দেশের উন্নয়নের সার্থে আওয়ামীলীগ সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। আওয়ামীলীগ সরকার ছাড়া দেশের উন্নয়ন হয় না। সোনারগাঁওেেক একটি আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গরে তোলা হবে। ইতি মধ্যে আমরা বড় সরদার বাড়িটি সংস্কার করেছি। পানামনগরীর ৫২টি বাড়ির কাজ পর্যায় ক্রমে সংস্কার করা হবে। সংস্কৃতি ও  শিল্পের ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধান আমাদের ব্লাইং চেক দিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেছেন তোমরা প্রকল্প তৈরী কর। লোক ও কারু শিল্প ফাউন্ডেশনে স্থায়ী পল্লী হওয়ার কথা সেটি কিন্ত আমরা করতে পারিনি। অচিরেই আমরা স্থায়ী পল্লী তৈরী করতে সক্ষম হব। আপনারা তা দেখতে পাবেন। গতকাল শনিবার দুপুরে ফাউন্ডেশনের পরিচালক রবীন্ত্র গোপের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সাংস্কৃতিকমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এসব কথা বলেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য,আব্দুল্লাহ আল কায়সার, আকতারি মমতাজ সচিব সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রনালয় ও জেলা প্রশাসন রাবিব মিয়া প্রমুখ। মাস ব্যাপী লোকজ উৎসব লোক ও কারুশিল্প মেলা চলবে ১৪ জানুয়ারী থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত।

এবার গ্রামীণ লোকজ সংকৃতির অন্যতম মাধ্যম“মৃৎশিল্পের প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিকতায় মেলবন্ধন” শিরোনামে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। একই সাথে মিৎশিল্পের বিশেষ প্রদর্শনী আয়োজন উপলক্ষে গবেষনামুলক একটি ক্যাটালগ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহন কার হয়েছে। এবার রাজশাহী, কিশোগঞ্জ, ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চলের মৃৎশিল্পের প্রথিতযথাশা ৮ জন শিল্পী বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহন করবেন। মাসব্যাপী লোকজ উৎসব ও মেলায় দেশের পল্লী অঞ্চল থেকে ৫৪ জন কারুশিল্পী অংশ নেবেন। তাদের জন্য রয়েছে ২৭টি স্টল। এর মধ্যে নওগঁ ও মাগুরার শোলশিল্প, রাজশাহীর শখের হাড়ি, চট্রগ্রামের তালপাতার হাতপাখা,  রংপুরের শতরঞ্জি, সোনারগাঁয়ের হাতি ঘোড়া পুতুল কাঠের কারুশিল্প, নক্শি কাঁথা, বেত ও বাঁশের কারুশিল্প, মুন্সীগঞ্জের শীতল পাটি, কুমিল্লার তামা-কাঁশা, রাঙ্গামাটির ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীর কারুপন্য, কিশোরগঞ্জের টেরাকোটাশিল্প এ মেলায় স্থান পাচ্ছে।
এবারের উৎসবে কর্মরত কারুশিল্পের কারুপণ্য উৎপাদন প্রদর্শনীর ২৭ টি স্টলসহ মোট ১৯৩টি চারু ও কারু পন্যের স্টল বসবে। তার মধ্যে হস্তশিল্প ৪৬টি, পোশাক ৪৩টি, স্টেশনারি ও কসমেটিক্স ৩৫টি খাবার ও চটপটির স্টল ২৫টি ও মিষ্টির স্টল ১৭টি। এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যায় লোকমঞ্চে  অনুষ্টিত হবে বাউল গান, পালাগান, কবিগান, ভাওয়াইয়া ও ভাটিয়ালী গান, জারিগান, সারিগান, হাছন রাজার গান, লালন সংগীত, মাইজভান্ডারী গান, মুর্শিদী গান, আলকাপ গান, গাঁয়ে হলুদের গান,বান্দান, কমলগঞ্জের-মণিপুরী, ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শরীয়তি- মারফতি গান, লোকজ কবিতা ও ছড়া পাঠের আসর, পুঁথি পাঠ, গ্রামীণ খেলা, লাঠি খেলা, ঘুড়ি ওড়ানো লোকজ জীবন প্রদশৃনী, লোকজ গল্প বলা, পিঠা প্রদর্শনী সহ বিভিন্ন গ্রামীন খোলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন বিকালে, স্থানীয় স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহণে গ্রামীন খেলাধুলার আয়োজন করা হবে। মাসভ্যাপী লোককারুশিল্প ও লোকজ উৎসবে ফাউন্ডেশনের পরিচালক রবীন্দ্র গোগ স্থানীয় সাংবদিকদের কাছ থেকে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

হারুন-অর-রশিদ
০১৭১২৯০১০২২

Axact

Axact

Vestibulum bibendum felis sit amet dolor auctor molestie. In dignissim eget nibh id dapibus. Fusce et suscipit orci. Aliquam sit amet urna lorem. Duis eu imperdiet nunc, non imperdiet libero.

Post A Comment:

0 comments: