আল্লাহ তাআলা বলেনঃ মুমিনগণ,জুমআর দিনে যখন নামাযের আযান দেয়া হয়তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণেরপানে ত্বরা করএবং বেচাকেনা বন্ধ কর।এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ।      ৬২) সূরা আল জুমুআহ ( আয়াত ০৯) নাবী (সা:) বলেছেন,সূর্য উদয়ের দিবসগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিনহল জুমুআর দিবস।সে দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়। তাকে ঐ দিনজান্নাতে প্রবেশ করান হয়।তাঁকে তা থেকে ঐ দিন বের করা হয়। আরকিয়ামত ও হবে জুমূআর দিবসে।সহীহ মুসলিমঅধ্যায়ঃ ৮/ জুমু’আহাদিস নাম্বারঃ 1850আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,“যদি কেউ যথাযথভাবে ওযু(পবিত্রতা অর্জন) করল, এরপর জুমারনামাযে আসলো, মনোযোগেরসাথে খুতবা শুনলো এবং নীরবতা পালন করে,তার ঐ শুক্রবার এবং পরবর্তী শুক্রবারেরমধ্যবর্তী সকল ছোটোখাট গুনাহসমূহক্ষমা করে দেয়া হবে,সাথে অতিরিক্তআরো তিনটি দিনেরও” (সহীহ মুসলিম)                    জুম’আর দিনের প্রয়োজনীয় কিছু আমলঃ● জুম’আর দিন গোসল করা। যাদের উপর জুম’আফরজ তাদের জন্যএ দিনে গোসল করাকে রাসুল (সাঃ) ওয়াজিবকরেছেন। [বুখারীঃ ৮৭৭]● জুম’আর সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহারকরা। [বুখারীঃ ৮৮০]● মিস্ওয়াক করা। [বুখারীঃ ৮৮৭]● গায়ে তেল ব্যবহার করা। [বুখারীঃ ৮৮৩]● উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায়করা। [ইবনে মাজাহঃ ১০৯৭]● মুসুল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা।[তিরমিযীঃ ৫০৯]● মনোযোগ সহ খুৎবা শোনা ও চুপ থাকা-এটা ওয়াজিব। [বুখারীঃ ৯৩৪]● আগে ভাগে মসজিদে যাওয়া।[বুখারীঃ ৮৮১]● সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন। [আবুদাউদঃ ৩৪৫]● জুম’আর দিন ও জুম’আররাতে বেশী বেশী দুরুদ পাঠ। [আবুদাউদঃ ১০৪৭]● নিজের সব কিছু চেয়ে এ দিনবেশী বেশী দোয়া করা।। [বুখারীঃ ৯৩৫]● খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশকরলে তখনও দু’রাকা’আত ‘তাহিয়্যাতুলমাসজিদ’ সালাত আদায় করা ছাড়া না বসা।[বুখারীঃ ৯৩০]● কেউ মসজিদে কথা বললে ‘চুপ করুন’ এটুকুওনা বলা। [বুখারীঃ ৯৩৪]● মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেয়াজ, রসুননা খাওয়া ও ধুমপান না করা। [বুখারীঃ ৮৫৩]● ইমামের খুৎবা দেওয়া অবস্থায় দুই হাঁটুউঠিয়ে না বসা। [ইবনে মাজাহঃ ১১৩৪]● খুৎবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা।কোনো ব্যাক্তি যদি জান্নাতে প্রবেশেরউপযুক্ত হয়, কিন্তু, ইচ্ছা করে জুমুয়ারনামাজে ইমাম থেকে দূরে বসে,তবে সে বিলম্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [আবুদাউদঃ ১১০৮]● সালাতের জন্য কোনএকটা জায়গাকে নির্দিষ্ট করে না রাখা,যেখানে যখন জায়গা পাওয়া যায় সেখানেইসালাত আদায় করা [আবু দাউদঃ৮৬২]অর্থাৎ আগে থেকেই নামাজেরবিছানা বিছিয়ে জায়গা দখলকরে না রাখা বরংযে আগে আসবে সেই আগে বসবে।● এতটুকু জোরে আওয়াজ করে কোন কিছুনা পড়া, যাতে অন্যের সালাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়বা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। [আবু দাউদঃ ১৩৩২]● খুৎবার সময় খতীবের কোন কথার মার্জিতভাবে সাড়া দেওয়া বা তারপ্রশ্নের জবাব দানে শরীক হওয়া জায়েজ।[বুখারীঃ ১০২৯]

Axact

Axact

Vestibulum bibendum felis sit amet dolor auctor molestie. In dignissim eget nibh id dapibus. Fusce et suscipit orci. Aliquam sit amet urna lorem. Duis eu imperdiet nunc, non imperdiet libero.

Post A Comment:

0 comments: