স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর ব্যাটিং লাইনআপ সমৃদ্ধ টিম। তাদের বিপক্ষে ৩০০ রানের নিচে করে জয়ের চিন্তা করাটা একটু বাড়াবাড়ি। ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম-মুশফিক যতটা আশা জাগালেন ততটাই হতাশ করলেন পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা।

তবে এদের বেশি  হতাশ করলেন ওপেনার ব্যাটস্যমান সৌম্য সরকার। শুরুটা মোটেও রঙিন করতে পারেনি সৌম্য। দলীয় ১ রানের মাথায় ভুবনেশ্বর কুমারের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। শুধু আজকের ম্যাচেই নয়। পুরো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জুড়ে হাসেনি তার ব্যাট।  গত দুই ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র  ৬ (৩+৩) রান। আর আজকে ‘ডাক’ মেরে সেই ধারা অব্যহত রাখলেন।

ওপেনার সৌম্য সরকারের চেয়ে অথচ একজন বোলার হয়েও আজকের ম্যাচটিতে যেভাবে দায়িত্ব নিয়ে মাশরাফি ব্যাটিং করলেন নিঃসন্দেহে বিশাল লজ্জা পাবেন সৌম্য সরকার। ম্যাচটির শেষ মুর্হুতে মাশরাফি ব্যাট হাতে ২৫ বলে অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩০

রান করেন। যার মধ্যে ৫টি বাউন্ডারির মার ছিল। এছাড়া মাশরাফির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাটিং করতে দেখা যায় তাসকিনকে। তিনি করেন ১৪ বলে ১০ রান।

ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম-মুশফিক যতটা আশা জাগালেন ততটাই হতাশ করলেন পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা। একসময় আড়াইশর নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কা সৃষ্টি হলো।  শেষ পর্যন্ত ক্যাপ্টেন মাশরাফি দেখা দিলেন ব্যাটসম্যান রূপে। তার ২৫ বলে ৫ বাউন্ডারিতে অপরাজিত ৩০ রানের সৌজন্যে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৬৪ রান সংগ্রহ করল বাংলাদেশ। এই স্কোর নিয়ে ফাইনালে যাওয়ার চিন্তা করতে হলে বোলিংয়ে অসাধারণ কিছু করতে হবে বাংলাদেশি বোলারদের।

এর আগে বার্মিংহামের এজবাস্টনে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় ভারত। শুরু থেকে দলের হাল ধরেন তামিম ইকবাল এবং মুশফিকুর রহিম। দুজনে মিলে তৃতীয় উইকেটে ১২৩ রানের অতি প্রয়োজনীয় জুটি গড়েন। কিন্তু ক্যারিয়ারের আবারও সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে কেদার যাদবের বলে বোল্ড হয়ে যান দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। আউট হওয়ার আগে তিনি ৮২ বলে ৭ চার এবং ১ ছক্কায় গড়া ৭০ রানের দারুণ কার্যকর এক ইনিংস খেলেন। এটি তামিমের ক্যারিয়ারের ৩৮ তম হাফ সেঞ্চুরি।

তামিম আউট হওয়ার পরই আচমকা এলোমেলো হয়ে যায় টাইগার ব্যাটিং লাইনআপ। ৮৫ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৬১ রান করা মুশফিক কেদার যাদবের বলে কোহলির হাতে ধরা পড়েন। ২ রানের ব্যবধানে আগের ম্যাচে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব ১৫ রান করেই জাদেজার বলে ধোনির গ্লাভসবন্দী হন।

এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৫ রান করা মোসাদ্দেক বুমরাহর হাতেই কট অ্যান্ড বোল্ড হন। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদও ভরসা দিতে পারেননি। ২১ রান করে তিনিও বুমরাহর শিকার হন। এরপর মাশরাফির ২৫ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৩০* রান আর তাসকিনের ১১* রানে ভর করে ৭ উইকেটে ২৬৪ রান তোলে বাংলাদেশ।

Axact

Axact

Vestibulum bibendum felis sit amet dolor auctor molestie. In dignissim eget nibh id dapibus. Fusce et suscipit orci. Aliquam sit amet urna lorem. Duis eu imperdiet nunc, non imperdiet libero.

Post A Comment:

0 comments: